
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আরও শুনানির জন্য আগামী ১৪ জুলাই দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরী এই তারিখ ধার্য করেন।
আজ অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এ জন্য কারাগারে আটক আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। তার মধ্যে পাঁচজন ছিলেন নারী আসামি। এ ছাড়া জামিন পাওয়া ১৮ জন আসামিও আদালতে হাজির ছিলেন।
কারাগারে থাকা সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ কয়েকজন আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদনের ওপর শুনানি করেন তাদের আইনজীবীরা। পরে আদালত আরও শুনানির জন্য নতুন তারিখ ধার্য করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন—যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বি আলম, জয়বাংলা ব্রিগেডের সদস্য কবিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, এলাহী নেওয়াজ মাছুম, জাকির হোসেন জিকু, প্রফেসর তাহেরুজ্জামান, এ কে এম আক্তারুজ্জামান, আওয়ামী লীগ নেতা সাবিনা ইয়াসমিন, আজিদা পারভীন পাখি, শাহীন, অ্যাডভোকেট এএফএম দিদারুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান, সাবেক এমপি সৈয়দ রুবিনা আক্তার, সাবেক এমপি পংকজ নাথ, লায়লা বানু, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, রিতু আক্তার, নুরুন্নবী নিবিড়, সাবিনা বেগম, শরিফুল ইসলাম রমজান প্রমুখ।
এই মামলায় ৩০ জন বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। শেখ হাসিনাসহ পলাতক রয়েছেন ২৫৬ জন।
গত বছর ১৪ আগস্ট ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। পরে বিভিন্ন সময় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত বছর ১৪ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করে শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার এই মামলায় অভিযোগের সত্যতা মিলেছে বলে জানান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জন জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার অংশ নিয়েছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই মিটিংয়ে অংশগ্রহণকারীদের কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ প্ল্যাটফর্মটি সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে না দেওয়ার আলোচনা হয়। মিটিংয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করতে গৃহযুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়, যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের সুস্পষ্ট উপাদান।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে একই আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। এরপর ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৬ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সিআইডির এই কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে ২৮৬ জনকে আসামি করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ অনেকে অংশ নেয়। এ সময় শেখ হাসিনা তার নেতা–কর্মীদের কাছে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। এ বক্তব্য পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চায় বাংলাদেশ। কিন্তু সে পথে এগোচ্ছে না নয়াদিল্লি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গত দুই বছর ধরে এ নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক বেশ টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। টানাপোড়েনের সেই পারদে উত্তাপ আরও চড়াল সেই শেখ হাসিনা ইস্যু।
৪ ঘণ্টা আগে
ডা. জাহিদ হোসেন জানান, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম যাতে না হয়, সেজন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে পুনঃতদন্তের ব্যবস্থাও রাখা হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে দেশের রাষ্ট্রপতি, বিদেশি কূটনীতিক, গণমাধ্যমকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে গোলযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বানচাল করা এবং রাষ্ট্রের
৮ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, যাদের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। এই ত্যাগের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে...
৮ ঘণ্টা আগে