Ajker Patrika

ফ্যামিলি কার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৬ আগস্ট, ৪ বছরে কার্ড পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২: ৫১
ফ্যামিলি কার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৬ আগস্ট, ৪ বছরে কার্ড পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার
ছবি: সংগৃহীত

১৬ আগস্ট চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। প্রথম ধাপে ৪১ লাখ উপকারভোগীকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে আগামী চার বছরে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মন্ত্রী বলেন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মসূচিটির উদ্বোধন করবেন।

মন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। যোগ্য কোনো ব্যক্তি যেন বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ যেন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, উপকারভোগীদের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ ও পর্যালোচনার ব্যবস্থা থাকবে। মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তালিকা নিয়মিত সংশোধন ও সংযোজন করা হবে। কোনো পরিবার দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে গেলে বা নতুন কোনো পরিবার সহায়তার উপযুক্ত হলে সেই পরিবর্তনও তথ্যভান্ডারে প্রতিফলিত হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ডকে একটি ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। অর্থাৎ এটি একবার তৈরি করে স্থায়ীভাবে রাখা হবে না; বরং বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করা হবে। এতে প্রকৃত উপকারভোগীদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা সহজ হবে এবং অনিয়মের সুযোগ কমে আসবে।

ডা. জাহিদ হোসেন জানান, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম যাতে না হয়, সে জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে পুনঃতদন্তের ব্যবস্থাও রাখা হবে। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য একটি নির্ভুল, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উপকারভোগীদের তালিকাও নিয়মিত হালনাগাদ হবে।

মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে কর্মসূচির বাস্তবায়ন কৌশল, উপকারভোগী নির্বাচন, তথ্য যাচাই, ডেটাবেইস ব্যবস্থাপনা এবং মাঠপর্যায়ের তদারকি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সূত্র: বাসস

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত