
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য খালাসের জটিলতা নিরসনে অস্থায়ী ও স্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য অস্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণে সাতটি এবং স্থায়ী ওয়্যারহাউসের জন্য চারটি সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করে আলোচনা করেছে সরকার। একই সঙ্গে ওষুধসহ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত পণ্য দ্রুত আমদানি-রপ্তানির জন্য বিমানবন্দরে কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা নিরসনে স্থায়ী ও অস্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণ বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
সভায় কার্গো ব্যবস্থাপনার বিদ্যমান অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দ্রুত দূর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে অস্থায়ী ও স্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য স্থানগুলো যাচাই করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিমানবন্দরে ওষুধ আমদানি-রপ্তানি আরও দ্রুত ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো তৈরির বিষয়টি সভায় গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাপমাত্রা সংবেদনশীল ওষুধ দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে আটকে থাকলে পণ্যের মান ও সরবরাহব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ চালু হলে এসব পণ্য দ্রুত সংরক্ষণ ও খালাস করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া কার্গো পণ্য আমদানির নোটিশ দ্রুত আমদানিকারকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং আমদানি করা পণ্য সহজে শনাক্ত ও খুঁজে বের করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেল তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুধু অনুসরণকারী হিসেবে থাকতে চায় না, বরং নেতৃত্বের অবস্থানে যেতে চায়। দ্রুত কার্গো খালাসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেশের অ্যাভিয়েশন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
বিমানবন্দরের কার্গো ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, পণ্য শনাক্তকরণ, নোটিশ প্রদান ও খালাসের প্রক্রিয়া প্রযুক্তিনির্ভর হলে সময় কমানোর পাশাপাশি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে।
সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিমানবন্দরের অবকাঠামো তৈরি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। আর কাস্টমসের দায়িত্ব আমদানি-রপ্তানি পণ্যের বৈধতা, প্রয়োজনীয় ঘোষণা, কাগজপত্র ও শুল্কসংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত করা।
প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করে দেওয়া হলে কাস্টমস সেখানে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়াতে অবকাঠামোগত সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিষয়টি সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত না হলেও দেশের বাণিজ্য ও রপ্তানি কার্যক্রমের সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরের আধুনিক কার্গো ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে সমস্যা সমাধানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
সভায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের বিষয়েও আলোচনা হয়। দীর্ঘদিনের কারিগরি ও অবকাঠামোগত সমস্যা দ্রুত সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন থেকে সেখানেই অবস্থান করতেন তিনি। এ প্রসঙ্গে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না।’
৬ মিনিট আগে
জেলেদের জীবনযাত্রা নির্বাহে মানবিক সহায়তা হিসেবে ভিজিএফের এসব চাল বিতরণ করা হবে। বরাদ্দের তালিকায় ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি শরীয়তপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ দেশের ইলিশ আহরণ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জেলার জেলে পরিবার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শর্ত অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ সৎকার, সমাহিত ও মরদেহ পরিবহন ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে না। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিতরণকারী কর্তৃপক্ষকে দায়ী থাকতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলটি এমন একটি এলাকায় পরিণত হোক—যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র একসঙ্গে বিকশিত হবে, পারস্পরিক সমান সুবিধা গ্রহণ করবে এবং নাগরিকেরা অর্থবহ সহযোগিতার হাতকে প্রসারিত করবে। বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে তার যথাযথ ভূমিকা পালনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
৩ ঘণ্টা আগে