নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা : করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে চিকিৎসক-নার্সরা হোটেলে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। চিকিৎসক-নার্সদের থাকার ব্যবস্থা করা হলেও হোটেল মালিকরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা পাওনা রয়েছেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সময়মতো হোটেল মালিকদের বকেয়া পরিশোধ করছে না বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। ৩০ জুনের মধ্যে তাঁদের টাকা ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
আজ সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে এ দাবি জানান বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন। মানববন্ধন শেষে তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে।
বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সাইদুল আলম বলেন, ‘আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বকেয়া টাকা না পাওয়ায় বিভিন্ন হোটেলের ইউটিলিটি সেবা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। করোনাকালে বিদেশি অতিথি দেশে আসা বন্ধ ছিল। হোটেল পর্যটন বিভাগ বিপর্যস্ত আছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের অনুরোধে গত বছর তাঁরা হোটেল খোলা রেখে চিকিৎসক ও নার্সদের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তাঁদের বকেয়া পরিশোধ করা হয়নি। এতে হোটেল মালিকরা বিপাকে পড়েছেন।
মানববন্ধনে তাঁরা এক বছরের রেফার্ড পেমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় তাঁরা এক বছরের জন্য ভ্যাট ও বিনা সুদে ইউটিলিটি বিল পরিশোধের দাবি জানান।
হোটেল মালিকেরা জানান, হোটেলগুলো মূলত বিদেশি অতিথিদের ওপর নির্ভরশীল। করোনার কারণে বিদেশি অতিথিরা দেশে না আসায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ সিট খালি রেখে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। হোটেল মালিকদের ৮০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হতো বিদেশি অতিথিদের মাধ্যমে; যা দেশের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

ঢাকা : করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে চিকিৎসক-নার্সরা হোটেলে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। চিকিৎসক-নার্সদের থাকার ব্যবস্থা করা হলেও হোটেল মালিকরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা পাওনা রয়েছেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সময়মতো হোটেল মালিকদের বকেয়া পরিশোধ করছে না বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। ৩০ জুনের মধ্যে তাঁদের টাকা ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
আজ সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে এ দাবি জানান বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন। মানববন্ধন শেষে তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে।
বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সাইদুল আলম বলেন, ‘আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বকেয়া টাকা না পাওয়ায় বিভিন্ন হোটেলের ইউটিলিটি সেবা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। করোনাকালে বিদেশি অতিথি দেশে আসা বন্ধ ছিল। হোটেল পর্যটন বিভাগ বিপর্যস্ত আছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের অনুরোধে গত বছর তাঁরা হোটেল খোলা রেখে চিকিৎসক ও নার্সদের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তাঁদের বকেয়া পরিশোধ করা হয়নি। এতে হোটেল মালিকরা বিপাকে পড়েছেন।
মানববন্ধনে তাঁরা এক বছরের রেফার্ড পেমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় তাঁরা এক বছরের জন্য ভ্যাট ও বিনা সুদে ইউটিলিটি বিল পরিশোধের দাবি জানান।
হোটেল মালিকেরা জানান, হোটেলগুলো মূলত বিদেশি অতিথিদের ওপর নির্ভরশীল। করোনার কারণে বিদেশি অতিথিরা দেশে না আসায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ সিট খালি রেখে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। হোটেল মালিকদের ৮০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হতো বিদেশি অতিথিদের মাধ্যমে; যা দেশের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া বৈধ প্রার্থীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই বয়সে তরুণ ও যুবক। মোট প্রার্থীর ৩১ দশমিক ৩১ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শতাংশের হিসাবে তরুণ প্রার্থী সবচেয়ে বেশি জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন। তাঁদের প্রায় অর্ধেক প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রবাসীরা এবারই প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন বলেছে, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিবন্ধনে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সারা দেশের জেলা আদালত ও উচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিয়োগে স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস করার সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি এক বছরেও। বিলুপ্ত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় হলেও স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস হয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৭ ঘণ্টা আগে