
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের নারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্যের সঙ্গে নারীদের ভাগ্যোন্নয়নে সরকারের নেওয়া ফ্যামিলি কার্ডের উদ্যোগকে সম্পর্কিত করে তিনি বলেছেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড এ বছরের নারী দিবসের প্রতিপাদ্যের চেতনাকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে।’
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান এ কথা লিখেছেন।
‘অধিকার, ন্যায়বিচার, পদক্ষেপ: সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য’-এ বছরের নারী দিবসের এই প্রতিপাদ্যের উল্লেখ করে পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড এ বছরের নারী দিবসের প্রতিপাদ্যের চেতনাকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে। এটি অধিকারকে সামনে আনে- কারণ এটি পরিবার ও জাতীয় জীবনের কেন্দ্রে নারীর অবস্থানকে স্বীকৃতি দেয়। এটি ন্যায়বিচারের কথা বলে- কারণ এটি অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি চাপ বহন করা পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। এবং এটি পদক্ষেপের কথা বলে- কারণ এটি অঙ্গীকারকে বাস্তব সহায়তায় রূপান্তরিত করে, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।’
নারী অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘নারীর অগ্রগতি কেবল কথার মাধ্যমে নিশ্চিত করা যায় না। অধিকারকে বাস্তবে সুরক্ষিত করতে হবে, ন্যায়বিচারকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অনুভূত হতে হবে এবং বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুদের জীবনে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হবে। বাংলাদেশের জন্য এই বার্তাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নারীরা কেবল আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক নন; তারা আমাদের পরিবারের শক্তি, সমাজের ভিত্তি এবং জাতীয় অগ্রগতির একটি অপরিহার্য চালিকাশক্তি। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অবদান দৃশ্যমান- ঘরে, শিক্ষাক্ষেত্রে, কৃষিতে, শিল্পে, সরকারি সেবায় এবং নেতৃত্বে। নারীরা যদি পূর্ণ অংশগ্রহণের সুযোগ না পান, মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে না পারেন এবং আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তা নিয়ে এগিয়ে যেতে না পারেন, তবে কোনো জাতিই ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না। এই বৃহত্তর জাতীয় ভাবনার মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগের গুরুত্ব নিহিত রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘এটি কেবল নকশা বা কাঠামোর দিক থেকে নয়, উদ্দেশ্যের দিক থেকেও একটি অগ্রণী উদ্যোগ। পরিবারের মা অথবা নারী প্রধানের নামে এই কার্ড ইস্যু করার মাধ্যমে একটি সহজ কিন্তু গভীর সত্যকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে—আমাদের দেশের অসংখ্য পরিবারে নারীরাই স্থিতি, ত্যাগ ও যত্নের প্রধান স্তম্ভ। সীমিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা করা, দুঃসময়ে পরিবারকে ধরে রাখা এবং সন্তান ও প্রবীণদের কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব তারা বহন করে থাকেন। এই উদ্যোগের প্রকৃত মূল্য নিহিত রয়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে এর সম্ভাব্য প্রভাবের মধ্যে। অর্থনৈতিক কষ্টে থাকা কোনো নারীর জন্য সরাসরি সহায়তা আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদার একটি ভিত্তি তৈরি করতে পারে। দারিদ্র্যের কাছাকাছি অবস্থান করা কোনো পরিবারের জন্য এটি অনিশ্চিত সময়ে স্থিতিশীলতা এনে দিতে পারে। শিশুদের জন্য এটি পুষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে। সহায়তা যখন সরাসরি নারীর হাতে পৌঁছে, তখন তা শুধু একজন নারীকে নয়, পুরো পরিবারকেই শক্তিশালী করে। এভাবে ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগটি দুর্বলতা কমানো, দারিদ্র্যের চাপ লাঘব করা এবং একটি নিরাপদ সামাজিক ভিত্তি গড়ে তোলার শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘নারীর ক্ষমতায়নকে কখনোই সংকীর্ণভাবে দেখা উচিত নয়। এটি কেবল প্রতিনিধিত্বের বিষয় নয়; এটি মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ভারসাম্য এবং জাতীয় উন্নয়নের প্রশ্ন। একজন শক্তিশালী নারী মানে একটি শক্তিশালী পরিবার। একটি শক্তিশালী পরিবার মানে একটি শক্তিশালী সমাজ। আর একটি শক্তিশালী সমাজ মানেই একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আসুন আমরা সম্মিলিতভাবে অঙ্গীকার করি—এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে, যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপত্তার সঙ্গে বাঁচতে পারবেন, মর্যাদার সঙ্গে চলতে পারবেন এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে জাতির ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখতে পারবেন। আসুন, অধিকারকে অর্থবহ করি, ন্যায়বিচারকে দৃশ্যমান করি এবং বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে সকল নারী ও কন্যাশিশুর জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন এনে দিই।’

ডিএমপি জানিয়েছে, আগামীকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিদায়ী ও নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিদেশি কূটনীতিকসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
২ ঘণ্টা আগে
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা শুধু ব্যক্তিগত কর্মসংস্থান বা চাকরি পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। তাঁদের দক্ষতা, জ্ঞান ও মেধাকে জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে...
২ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রামপুরায় আন্দোলনে গিয়ে তাঁর বন্ধু রিফাত ইসলাম পুলিশের গুলিতে আহত হন। পরদিন (১৯ জুলাই) জুমার নামাজের পর রামপুরার মাল্টিকেয়ার হাসপাতালের সামনে তাঁরা আবার আন্দোলনে যোগ দেন। তখন বিজিবি ও পুলিশ কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই গুলিবর্ষণ শুরু করে। তখন তিনি বেটার লাইফ হাসপাতালের দিকে দৌড় দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন আবাসন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গুলশানের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ওয়াসার জমিতে তড়িঘড়ি করে আবাসন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করার পরিবর্তে তা বিবেচনার নামে রাজউক থেকে বরাদ্দ পাওয়া ওয়াসার...
৪ ঘণ্টা আগে