Ajker Patrika

পাম্পে তেল নেই, আক্ষেপ নিয়ে ফিরছেন ক্রেতারা

ফয়সাল আতিক, ঢাকা
আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৬, ২০: ০৫
পাম্পে তেল নেই, আক্ষেপ নিয়ে ফিরছেন ক্রেতারা
ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ সারি। আজ সোমবার রাজধানীর বিজয় সরণি এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

ডিপোগুলো থেকে ফিলিং স্টেশনের জন্য পেট্রল, অকটেন ও ডিজেলের বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর তেল না পেয়েই ফিলিং স্টেশন ত্যাগ করতে হচ্ছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার-চালকদের।

আজ সোমবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে পাঁচটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে চারটিতেই তেল পাওয়া যায়নি। মাত্র একটি স্টেশনে তেল পাওয়া গেলেও সেখানে প্রায় আধা কিলোমিটার দীর্ঘ হয়েছে অপেক্ষার সারি।

তেজগাঁও এলাকার ক্লিন ফুয়েলের একটি পাম্পে তেল ধারণ (লোড) করতে থাকা প্রাইভেট কারচালক হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল ১০টা থেকে অপেক্ষায় থাকতে থাকতে দুপুর দেড়টায় ১০ লিটার তেল সংগ্রহ করতে পারলাম।’

এই স্টেশনের একজন কর্মী জানান, রেশনিং চালুর পর তাঁদের চাহিদা দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু অকটেন, ডিজেলসহ দৈনিক পাওয়া যাচ্ছে ২২ হাজার লিটার।

পাশে সাউদার্ন ফিলিং স্টেশনের বিক্রয়কর্মী আরিফ বলেন, গতকাল রোববার বিকেল ৪টায় যে পরিমাণ তেল দিয়ে গেছে, আজ সকাল ৯টার মধ্যে তা শেষ হয়ে গেছে। তখন কয়েক শ গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে গেছে। আজ বিকেলে আবার তেলের লরি বা ট্যাংক আসছে।

ডিপো থেকে তেলের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে আরিফ বলেন, ‘সংকট শুরুর আগে দৈনিক ২৭ হাজার লিটার তেল পেতাম। রোববার দিল ১৩ হাজার লিটার। ফলে ক্রেতা ফিরে যাওয়াই স্বাভাবিক।’

পাশের আরেকটি ফিলিং স্টেশন সততার ব্যবস্থাপক বলেন, ‘গত তিন দিন কোনো তেল দেয়নি ডিপো থেকে। আমাদের দৈনিক ১৩ হাজার লিটার চাহিদা থাকলেও বিকেলে ৪ হাজার লিটার দেবে বলে জানতে পারলাম।’

একই পরিস্থিতি দেখা গেছে সাতরাস্তায় সিটি ফিলিং স্টেশনে। দুপুরে সেখানে অলস সময় কাটানো কর্মীরা জানান, গতকাল দিবাগত রাত ২টা নাগাদ তাঁদের তেল শেষ হয়ে যায়। ১৮ হাজার লিটার চাহিদা থাকলেও আজ বিকেলে সরবরাহ করা হয় ৯ হাজার লিটারের মতো।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে আশঙ্কায় সরকার ডিজেল, অকটেন ও পেট্রল রেশনিং শুরু করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার ও ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা যাবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

নৌ-পুলিশপ্রধানসহ পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর

ইরানি তেলের ডিপোতে হামলার পর ইসরায়েলকে ‘হোয়াট দ্য ফা**’ বার্তা পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র

জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান: ড্রোন-হেলিকপ্টার থেকে নজরদারি, আটক ও অস্ত্র উদ্ধার

ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ নেতাকে জেলগেটে বরণ করলেন বিএনপির এমপি

নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় চান প্রতিমন্ত্রী, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কমিটি

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত