নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের বন্যাকবলিত ১২ জেলায় ২ হাজার ২৫টি মোবাইল টাওয়ার কাজ করছে না। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।
বহু মোবাইল টাওয়ার অচল হয়ে পড়ায় ফেনী, কুমিল্লা, খাগড়াছড়িসহ দেশ্যের ১২ জেলায় মোবাইল সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। বিটিআরসি জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, বন্যাদুর্গত ১২ জেলার ১২ হাজার ১৭৯ সাইটের (টাওয়ার) মধ্যে ২ হাজার ২৫টি অচল রয়েছে।
সচল রয়েছে ১০ হাজার ১৫৪ টি। অর্থাৎ বন্যাদুর্গত এলাকার ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ টাওয়ারই অচল হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফেনী ও খাগড়াছড়ি জেলায়। ফেনীতে ৭১ শতাংশ সাইটই অচল অবস্থায় আছে। আর খাগড়াছড়িতে অচল রয়েছে ৪৫ শতাংশ টাওয়ার।
এসব এলাকায় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা সচল রাখতে ভি–স্যাট পাঠানো হয়েছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যা কবলিত এলাকার জনগণের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করার জন্য বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির সহায়তায় ভি-স্যাট পাঠানো হয়েছে। অচল টাওয়ারগুলো দ্রুত সচল করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।
বন্যাদুর্গত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ফ্রি করতে নির্দেশনা দিয়েছেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় সাইট ডাউন আছে। কয়েকটি উপজেলায় অপটিকাল ফাইবার ড্যামেজ হওয়ার কারণে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আছে কয়েকটি জায়গায়। জেনারেটর ব্যবহার করা হচ্ছে বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ফ্রি করতে নির্দেশনা দেওয়া আছে।

দেশের বন্যাকবলিত ১২ জেলায় ২ হাজার ২৫টি মোবাইল টাওয়ার কাজ করছে না। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।
বহু মোবাইল টাওয়ার অচল হয়ে পড়ায় ফেনী, কুমিল্লা, খাগড়াছড়িসহ দেশ্যের ১২ জেলায় মোবাইল সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। বিটিআরসি জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, বন্যাদুর্গত ১২ জেলার ১২ হাজার ১৭৯ সাইটের (টাওয়ার) মধ্যে ২ হাজার ২৫টি অচল রয়েছে।
সচল রয়েছে ১০ হাজার ১৫৪ টি। অর্থাৎ বন্যাদুর্গত এলাকার ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ টাওয়ারই অচল হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফেনী ও খাগড়াছড়ি জেলায়। ফেনীতে ৭১ শতাংশ সাইটই অচল অবস্থায় আছে। আর খাগড়াছড়িতে অচল রয়েছে ৪৫ শতাংশ টাওয়ার।
এসব এলাকায় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা সচল রাখতে ভি–স্যাট পাঠানো হয়েছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যা কবলিত এলাকার জনগণের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করার জন্য বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির সহায়তায় ভি-স্যাট পাঠানো হয়েছে। অচল টাওয়ারগুলো দ্রুত সচল করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।
বন্যাদুর্গত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ফ্রি করতে নির্দেশনা দিয়েছেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় সাইট ডাউন আছে। কয়েকটি উপজেলায় অপটিকাল ফাইবার ড্যামেজ হওয়ার কারণে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আছে কয়েকটি জায়গায়। জেনারেটর ব্যবহার করা হচ্ছে বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ফ্রি করতে নির্দেশনা দেওয়া আছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাঁদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়া পর পোস্টাল ব্যালটে ছবি বা ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ছবি বা ভিডিও শেয়ার করলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারের এনআইডি ব্লক করাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এই ঘোষণা দেন। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে