
বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর এক বছরে স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক মাত্র পাঁচ হাজারের কিছু বেশি গ্রাহক টানতে পেরেছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই করপোরেট গ্রাহক। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের স্টারলিংক নিয়ে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।

স্টারলিংকের যুক্তি ছিল, তাদের হাবগুলোতে যদি বাংলাদেশের প্রচলিত ফিল্টারিং ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ইন্টারনেট পাঠাতে হয়, তাহলে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব তৈরি হবে। তাই তারা এই আন্তর্জাতিক ট্রানজিট সংযোগের জন্য আনফিল্টারড ইন্টারনেট পরিবহনের অনুমতি চেয়েছিল।

যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়া কোনো ধরনের বেতারযন্ত্র বা ওয়াকিটকি ব্যবহার করা যাবে না। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের ৯৯ শতাংশ জনগোষ্ঠী ফোরজি নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেছেন, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোন সংযোগ দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৮৪ কোটিতে এবং ইন্টারনেট গ্রাহক ১৩ দশমিক ৩৬ কোটি। ফোরজি নেটওয়ার্ক দেশের ৯৯ শতাংশ জনগোষ্ঠী পর্যন্ত পৌঁছেছে।