
ভারতে অবস্থানকারী বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, তাঁকে দেশে আনার জন্য সরকার নিজ থেকে কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেবে না। তবে তিনি যদি দেশে ফিরতে চান, তাহলে প্রচলিত আইন ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবেন। এরপর সরকার আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।
আজ মঙ্গলবার সরকারের চলমান কার্যক্রম নিয়ে সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তসলিমা নাসরিন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। বিতর্কিত মতামতের কারণে দুই দশক আগে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন তসলিমা নাসরিন।
২০০৭ সালে সালে আরেক বিতর্ক শুরু হলে তসলিমাকে পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে নয়াদিল্লিতে আশ্রয় নিতে হয়। সম্প্রতি বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার পাওয়ার পর সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনে ফিরে আসেন এই নারীবাদী লেখিকা। এক অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসতে না পারার আক্ষেপের কথাও জানান।
তসলিমা নাসরিনের দেশে ফেরার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, তিনি যদি দেশে ফিরতে চান, তাহলে প্রচলিত আইন ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবেন। এরপর সরকার আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।
তসলিমা নাসরিন অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন, সে বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, তিনি যদি দেশে ফিরে আদালতের আশ্রয় নিতে চান, তাহলে আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ পাবেন। ফৌজদারি অপরাধ তামাদি হয় না। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি চাইলে আদালতে মামলা করতে পারবেন।

সড়ক ও মহাসড়কে শৃঙ্খলা আনতে ঝুঁকিপূর্ণ মোড় ও দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা সোজা ও প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারীদের যাতায়াতের জন্য চলমান ১৪টি পিংক বাসের সঙ্গে আরও ১০০টি বাস দ্রুত চালুর ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি...
৪ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংশোধনী বিল জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর যেসব বিষয়ে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেগুলোতে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ। বিশেষ কমিটি আগামী ডিসেম্বরেই সংসদে তাদের প্রতিবেদন
৪ ঘণ্টা আগে
মামলায় শুধু আলকাছ মল্লিক (মাঝি) অপহরণ ছাড়া প্রতিটা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়েছে। আর এই সাক্ষীরা আর কেউ নন, জিয়াউল আহসানের বাহিনীর, তাঁর অধীনস্থ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এখন পর্যন্ত তাঁরা (জিয়াউল আহসানের পক্ষে) দুজন সাক্ষীর তালিকা দিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৯ সালে কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর। চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নতুন এই বন্দর। ৮ থেকে ১০ হাজার টিইইউ ধারণক্ষমতার বড় জাহাজ সরাসরি ভেড়ানোর সুবিধা থাকায় পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয়
৭ ঘণ্টা আগে