
তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘তালেবানরা নারী অধিকারের বিরোধী। কারণ, তারা নারীদের মানুষই মনে করে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ভারতে এসেছেন এবং এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। কিন্তু তিনি কোনো নারী সাংবাদিককে সেখানে প্রবেশ করতে দেননি।’

বাঙালি সংস্কৃতির উৎস ও ভিত্তি নিয়ে তীব্র বিতর্কের সূত্রপাত করেছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তাঁর বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন ভারতের বিশিষ্ট কবি, গীতিকার জাভেদ আখতার।

তসলিমা নাসরিন তাঁর উপন্যাস ‘লজ্জা’ প্রকাশের পর বাংলাদেশে রক্ষণশীলদের আক্রমণের শিকার হন। ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের ক্রমাগত হুমকির মুখে ১৯৯৪ সালে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর তিনি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করেন এবং পরে ভারতে আশ্রয় নেন।

অমর একুশে বইমেলায় তসলিমা নাসরিনের বই রাখাকে কেন্দ্র করে ‘সব্যসাচী’ স্টলের সামনে সৃষ্ট উত্তেজনা ও হট্টগোলের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির সচিব ও বইমেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রধান সেলিম রেজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।