
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাওয়ার ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকস সম্মেলন শুরু হবে নয়াদিল্লিতে। এই অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
গত ২৩ জুলাই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের জানান, ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে। ওই আমন্ত্রণপত্র ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
১১ সদস্যবিশিষ্ট ব্রিকসে বাংলাদেশ সদস্য না হলেও বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। বর্তমানে ব্রাজিল, চীন, মিসর, ইথিওপিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রিকসের সদস্য।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার তো তাঁকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এ জন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।
৫ মিনিট আগে
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, তিনি যদি দেশে ফিরে আদালতের আশ্রয় নিতে চান, তাহলে আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ পাবেন। ফৌজদারি অপরাধ তামাদি হয় না। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি চাইলে আদালতে মামলা করতে পারবেন।
৩৪ মিনিট আগে
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
২ ঘণ্টা আগে
র্যাব জানায়, দিবসটি উপলক্ষে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে পৃথক নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকা-ভিত্তিক তথ্যদাতা (সোর্স) নিয়োগ করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে