
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সব ধরনের আইনি ও কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। এর মধ্যে তাঁর দেশে চলে আসার পরিকল্পনাটা হাস্যকর শোনাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার সরকারের চলমান কার্যক্রম নিয়ে সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে আগামী ডিসেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে সরকারের অবস্থান জানতে চান একজন সাংবাদিক।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে এবং একজন আসামি হিসেবে তাঁর প্রাপ্য সব আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা হবে। আদালত যে রায় দেবেন, সরকার তা মেনে নেবে।
শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার তো তাঁকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এ জন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে। সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও যদি কোনো গণমাধ্যম আগাম ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বা সম্প্রচারের খবর প্রকাশ করে, তাহলে তা আদালতের রায়ের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ার করেন উপদেষ্টা ডা. জাহেদ।
তিনি বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে। কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার কোনো ধরনের ভূরাজনৈতিক চাপ বা সংকটে নেই।
এ প্রসঙ্গ তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করা মার্কিন কূটনীতিকের ভারত সফর কিংবা ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নানা ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। তবে এটি একটি স্বাভাবিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়া। ওই কূটনীতিক ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বাংলাদেশ সফর করেছেন। তাই বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখার কোনো কারণ নেই। বর্তমান সরকার যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরানসহ সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলছে। আগের সরকারের মতো ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নয়, বরং জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট বাস্তবায়নেই সরকার কাজ করছে।
শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, ‘সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। আমরা সবাই চেয়েছিলাম যে করেই হোক শেখ হাসিনার পতন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।’
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? —একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার কপাল খারাপ। ভেবেছিলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলার পর এ বিষয়ে আমার আর কথা বলতে হবে না। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছি না।’

জুলাই চেতনাকে ধারণ করে সংবিধান সংশোধনের পথে এগিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদকে সামনে রেখে, জুলাই সনদকে বৃত্তায়ন করে, জুলাই সনদকে ধারণ করে, জুলাই চেতনাকে ধারণ করে সংবিধান সংশোধনের পথে এগিয়ে যাব।’
৪ মিনিট আগে
সংবিধান সংশোধনের জন্য গঠিত বিশেষ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাজনৈতিক দলসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব তৈরি করতে চান তাঁরা।
৩৮ মিনিট আগে
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, তিনি যদি দেশে ফিরে আদালতের আশ্রয় নিতে চান, তাহলে আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ পাবেন। ফৌজদারি অপরাধ তামাদি হয় না। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি চাইলে আদালতে মামলা করতে পারবেন।
২ ঘণ্টা আগে
১১ সদস্যবিশিষ্ট ব্রিকসে বাংলাদেশ সদস্য না হলেও বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। বর্তমানে ব্রাজিল, চীন, মিসর, ইথিওপিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রিকসের সদস্য।
২ ঘণ্টা আগে