নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি থেকে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে তা এক বছরে নামিয়ে আনতে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম। বর্তমানে যে পদ্ধতিতে বিসিএস পরীক্ষা নেওয়া হয় বা খাতা দেখা হয়, তাতে পুরো প্রক্রিয়ায় সাড়ে তিন বছর সময় লেগে যায় জানিয়ে তিনি খাতা দেখার প্রক্রিয়া পরিবর্তনে কমিশনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) কমিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি ওই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের ওপর যে অর্পিত দায়িত্ব, সেটা হচ্ছে বিসিএসের সাড়ে তিন বছরটা কমিয়ে এক বছর করা। এক বছর করতে হলে বর্তমান যে সিস্টেমে পরীক্ষা নেওয়া হয়, আমরা যদি চেষ্টাও করি সেটা সম্ভব, কতটা হবে আমি সন্দিহান। আমাদের উদ্ভাবনীমূলক ব্যবস্থায় যেতেই হবে। উন্নত দেশেও সেটা করা হয়।’
বিসিএস প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে আনতে কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল টার্গেটটা হচ্ছে, বিসিএসের যে পরীক্ষা এখন হয়, আমরা জানি অন অ্যান এভারেজ থ্রি অ্যান্ড হাফ ইয়ার্স লেট হয়, আমরা এ বিষয়টা জানি। আমরা জানি, এ বিষয়টা কমানো উচিত। তার জন্য আমরা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি বা করছি। আমরা প্রতিদিনই আলোচনার সময় আমাদের কাছে আসে, আমরা কী করলে এ সময়টা কমিয়ে আনা যায়।’
৪৬তম বিসিএসে লিখিত পরীক্ষা থেকে পিএসসির ভেতরেই খাতা দেখার ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আরও বলেন, ‘পিএসসির ভেতরেই খাতা দেখার ব্যবস্থা করার কথা আমরা ভেবেছি। আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি। কারণ, আমরা খাতা পাঠাই, প্রথম পরীক্ষকের কাছে যায়। প্রথম পরীক্ষক দেড়-দুই মাসব্যাপী পুরোটা খাতা দেখেন। যখন ওগুলো ফিরে আসে, আমরা সেকেন্ড এক্সামিনারের কাছে পাঠাই। সেকেন্ড এক্সামিনার একই রকমের সময় নেন। খাতা দেখতে তিন-চার মাস লেগে যায়। তারপরও যদি এমন হয়, দুজন পরীক্ষকের দেওয়া নম্বরের মধ্যে পার্থক্যটা ২০-এর বেশি হয়, তাহলে থার্ড এক্সামিন করতে হয়। তাহলে খাতা দেখানোর যে প্রক্রিয়া, সেটি আমাদের সময় কমানোর যে চিন্তা, সে চিন্তার সঙ্গে যায় না।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনি (কোনো পরীক্ষক) যদি কম নম্বর দেন, তাহলে রোল নম্বর যাতে না জানা যায়, আমরা সেটির ব্যবস্থা করব। ওনার রোল নম্বর যদি জেনেও যান, বাকি যে প্রশ্নগুলো আছে, সেগুলোর সবাই তো আর এক রকম নম্বর দেবে না। একটা বারকোড থাকে। সেই বারকোড যখন আমরা স্ক্যান করব, তখন আমরা জানব যে একজন পরীক্ষার্থী কোন প্রশ্নে কত নম্বর পেয়েছেন।’
হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত কমিশন নেবে না জানিয়ে অধ্যাপক মোনেম বলেন, ‘আমরা যা কিছুই করি না কেন, হুট করে করব না। আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করব, পাইলটিং করব, এক্সপেরিমেন্ট করব।’
গত কমিশন ৪৫তম বিসিএসে গণিতের ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সেখানে দেখা গেছে, খাতা অতিদ্রুত দেখা সম্ভবপর হয়েছিল। ওটা ছিল গণিত, টেকনিক্যাল একটা সাবজেক্ট। আমি যখন সোশিওলজির খাতা দেখব, সেটা তো ভিন্ন রকমের হবে। সেটা কেমনভাবে করা যেতে পারে, সেখানে কজ অ্যান্ড ক্লজগুলো কী রকম হবে, সেটা পাইলটিং করলে বুঝতে পারব, এক্সপেরিমেন্ট করলে বুঝতে পারব।’

বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি থেকে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে তা এক বছরে নামিয়ে আনতে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম। বর্তমানে যে পদ্ধতিতে বিসিএস পরীক্ষা নেওয়া হয় বা খাতা দেখা হয়, তাতে পুরো প্রক্রিয়ায় সাড়ে তিন বছর সময় লেগে যায় জানিয়ে তিনি খাতা দেখার প্রক্রিয়া পরিবর্তনে কমিশনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) কমিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি ওই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের ওপর যে অর্পিত দায়িত্ব, সেটা হচ্ছে বিসিএসের সাড়ে তিন বছরটা কমিয়ে এক বছর করা। এক বছর করতে হলে বর্তমান যে সিস্টেমে পরীক্ষা নেওয়া হয়, আমরা যদি চেষ্টাও করি সেটা সম্ভব, কতটা হবে আমি সন্দিহান। আমাদের উদ্ভাবনীমূলক ব্যবস্থায় যেতেই হবে। উন্নত দেশেও সেটা করা হয়।’
বিসিএস প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে আনতে কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল টার্গেটটা হচ্ছে, বিসিএসের যে পরীক্ষা এখন হয়, আমরা জানি অন অ্যান এভারেজ থ্রি অ্যান্ড হাফ ইয়ার্স লেট হয়, আমরা এ বিষয়টা জানি। আমরা জানি, এ বিষয়টা কমানো উচিত। তার জন্য আমরা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি বা করছি। আমরা প্রতিদিনই আলোচনার সময় আমাদের কাছে আসে, আমরা কী করলে এ সময়টা কমিয়ে আনা যায়।’
৪৬তম বিসিএসে লিখিত পরীক্ষা থেকে পিএসসির ভেতরেই খাতা দেখার ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আরও বলেন, ‘পিএসসির ভেতরেই খাতা দেখার ব্যবস্থা করার কথা আমরা ভেবেছি। আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি। কারণ, আমরা খাতা পাঠাই, প্রথম পরীক্ষকের কাছে যায়। প্রথম পরীক্ষক দেড়-দুই মাসব্যাপী পুরোটা খাতা দেখেন। যখন ওগুলো ফিরে আসে, আমরা সেকেন্ড এক্সামিনারের কাছে পাঠাই। সেকেন্ড এক্সামিনার একই রকমের সময় নেন। খাতা দেখতে তিন-চার মাস লেগে যায়। তারপরও যদি এমন হয়, দুজন পরীক্ষকের দেওয়া নম্বরের মধ্যে পার্থক্যটা ২০-এর বেশি হয়, তাহলে থার্ড এক্সামিন করতে হয়। তাহলে খাতা দেখানোর যে প্রক্রিয়া, সেটি আমাদের সময় কমানোর যে চিন্তা, সে চিন্তার সঙ্গে যায় না।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনি (কোনো পরীক্ষক) যদি কম নম্বর দেন, তাহলে রোল নম্বর যাতে না জানা যায়, আমরা সেটির ব্যবস্থা করব। ওনার রোল নম্বর যদি জেনেও যান, বাকি যে প্রশ্নগুলো আছে, সেগুলোর সবাই তো আর এক রকম নম্বর দেবে না। একটা বারকোড থাকে। সেই বারকোড যখন আমরা স্ক্যান করব, তখন আমরা জানব যে একজন পরীক্ষার্থী কোন প্রশ্নে কত নম্বর পেয়েছেন।’
হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত কমিশন নেবে না জানিয়ে অধ্যাপক মোনেম বলেন, ‘আমরা যা কিছুই করি না কেন, হুট করে করব না। আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করব, পাইলটিং করব, এক্সপেরিমেন্ট করব।’
গত কমিশন ৪৫তম বিসিএসে গণিতের ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সেখানে দেখা গেছে, খাতা অতিদ্রুত দেখা সম্ভবপর হয়েছিল। ওটা ছিল গণিত, টেকনিক্যাল একটা সাবজেক্ট। আমি যখন সোশিওলজির খাতা দেখব, সেটা তো ভিন্ন রকমের হবে। সেটা কেমনভাবে করা যেতে পারে, সেখানে কজ অ্যান্ড ক্লজগুলো কী রকম হবে, সেটা পাইলটিং করলে বুঝতে পারব, এক্সপেরিমেন্ট করলে বুঝতে পারব।’

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১০ ঘণ্টা আগে
পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘শহীদ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে আমার মনে হচ্ছে তিনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভীষণ একা হয়ে পড়েছেন। একত্রে এই দুই নেতা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এক সম্মানিত ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। সহমর্মিতা এবং নীরবে ধৈর্য ধরার ক্ষমতার...
১১ ঘণ্টা আগে
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, রাজধানীতে নিজ বাসায় বর্ষীয়ান এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে সারা দেশে অন্তত ৪২৮টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। ২০২৪ সালে গণপিটুনির ১৬৯টি ঘটনায় নিহত হয়েছিল ১৪৬ জন এবং আহত ছিল ১২৬ জন। আর ২০২৫ সালে গণপিটুনিতে ১৬৬ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪৬০ জন। ২২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গণপিটুনির ঘটনায় আহত
১৩ ঘণ্টা আগে