
দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিঃসন্দেহে অনাকাঙ্ক্ষিত। দীর্ঘ এক শাসনের অবসানের পর মানুষ ভেবেছিল, এবার হয়তো দেশের রাজনীতি ও সমাজে যুক্তি, সহনশীলতা ও ‘গুড সেন্স’ ফিরে আসবে।
কিন্তু সেই আশার বিপরীতে এখন গোটা দেশে ‘ঘোলাটে’ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা। প্রতিনিয়ত অবনতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির। এসব অপতৎপরতা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। আর এ পরিস্থিতি কেউ কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাঙ্গনগুলোয় উদ্বেগজনকভাবে অস্থিরতা বিরাজ করছে। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নানা ধরনের উল্টাপাল্টা গোষ্ঠীর উদয় হয়েছে। এগুলো চিহ্নিত করা বা নিরসনের দায়িত্ব তো নাগরিকের না, রাষ্ট্রের। রাষ্ট্রের উচিত এসব বিষয়ে দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব নেওয়া; কারণ, অরাজকতার ভার জনগণের নয়, সরকারকেই বহন করতে হবে। তবে এ দায় শুধু সরকারের ওপর চাপিয়ে দিলেও হবে না। আমরা নাগরিকেরাও এই অবস্থার জন্য কমবেশি দায়ী। কখনো সচেতনভাবে, কখনো অবচেতনে আমরা অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়েছি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব থেকেছি।
পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটেও রাজনীতির মাঠে সমঝোতার দেখা মিলছে না। রাজনৈতিক দলগুলোকেও ভাবতে হবে, জনগণের প্রত্যাশা কী? জনগণ শান্তি চায়, স্থিতিশীলতা চায়। তাই দলগুলোকে কমপক্ষে একটি ন্যূনতম ঐক্যের জায়গায় আসতে হবে। মতবিরোধ থাকবে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু সমঝোতা ছাড়া কোনো সমাজে শান্তি আসে না।
আজকের এই অস্থিরতার ফলে বিনিয়োগ কমছে, কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে, দারিদ্র্য বাড়ছে। রাজনৈতিক নেতাদের উচিত জনগণের স্বার্থকে কেন্দ্র করে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়া।
লেখক: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা

দীর্ঘ ২০ বছর পর আগামীকাল মঙ্গলবার তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে সময়ের প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে নতুন মন্ত্রিসভা মোটামুটি চূড়ান্তও করা হয়েছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন ও পুরোনোদের মিশেলে এই মন্ত্রিসভার...
২৮ মিনিট আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এই পদ থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছা আগেই জানিয়েছিলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর তিনি পদত্যাগ করবেন বলে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১৫ প্রার্থীর মধ্যে জামানত রাখতে পারেননি ৭৮ জন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। বিএনপির কেউ জামানত না হারালেও জামানত বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে আওয়ামী লীগ সরকার দৈনিক ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনার যে চুক্তি করেছিল, সেখানে বড় ধরনের অনিয়মের মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ধরার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় পর্যালোচনা কমিটি এসব কথা বলেছে।
১ ঘণ্টা আগে