
তিন মাস প্রাধিকারভুক্ত (সরকারি বরাদ্দ) জ্বালানি নেবেন না ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। আজ সোমবার সন্ধ্যায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন এক সংবাদ বার্তায় এ কথা জানান।
সংবাদ বার্তায় বলা হয়, দেশব্যাপী জ্বালানি সাশ্রয় কার্যক্রমে এক ব্যতিক্রমী ও অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
প্রধানমন্ত্রীর ৩০ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী তাঁর প্রাধিকারভুক্ত জ্বালানিসুবিধার সম্পূর্ণ অংশ এপ্রিল, মে ও জুন—এই তিন মাস গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
‘নিজে না বদলালে, পরিবর্তন আসে না’—এই বার্তাকে সামনে রেখে মন্ত্রীর এই উদ্যোগ সরকারি পর্যায়ে বিরল ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যক্তিগত সুবিধা ত্যাগ করে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত শুধু একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়—এটি একটি শক্তিশালী নৈতিক বার্তা, যা দেশের সব স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ জনগণকে জ্বালানি সাশ্রয়ে আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতিমধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছে।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, একসময় প্রশ্ন উঠেছিল বিচারপতিদের থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান দেওয়া হলে বিচার বিভাগের মধ্যে ধাক্কা লাগবে। ঠিক একইভাবে প্রশ্ন এসেছে অবসরের পর কোনো বিচারককে এ রকম প্রলোভনমূলক জায়গায় দিতে গেলে সুপ্রিম কোর্টের মতো প্রতিষ্ঠানে ধাক্কা আসবে।
১৫ মিনিট আগে
গুম ও খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁকে দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পুলিশ সংস্কার, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কৌশল, বাণিজ্য সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের...
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘পয়লা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দিনটি আমাদের জীবনে প্রতিবছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে; নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।’
৩ ঘণ্টা আগে