
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দেশের হাসপাতালগুলো করোনায় আক্রান্ত রোগী সামলাতে হিমসীম খাচ্ছে। ফলে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় মেডিকেল কলেজগুলোর এক হাজার ২৫১ জন চিকিৎসককে বিভিন্ন হাসপাতালে সংযুক্তি বদলি করেছে সরকার।
মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকদের দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সংযুক্তি বদলি করে গত রোববার ও সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা এবং জনসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের এই কর্মকর্তাদের সংযুক্তিতে পদায়ন করা হল। ৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁদের পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব জাকিয়া পারভীন মঙ্গলবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, মেডিকেল কলেজগুলোর সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকদের দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সংযুক্তি বদলি করা হয়েছে। এখন তাঁরা যে কর্মস্থলে আছে তাঁদের চাকরি সেই কর্মস্থলেই থাকবে। যাকে যেখানে সংযুক্ত করা হয়েছে সেখানে গিয়ে তাঁরা করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেবেন।
কত দিনের জন্য এসব চিকিৎসদের বিভিন্ন হাসপাতালে সংযুক্তি দেওয়া তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি জানিয়ে জাকিয়া বলেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের সংযুক্তি দেওয়া হাসপাতালে কাজ করতে হবে। করোনা রোগীদের চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত পাঁচ বিভাগের মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের সংযুক্তি বদলি করা হয়েছে। আরও তিন বিভাগের মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের এভাবে বদলি করা হবে।
মেডিকেল কলেজ থেকে একই মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে, একই জেলার জেনারেল হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছাড়াও পাশের জেলায়ও চিকিৎসকদের সংযুক্তি বদলি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতিমধ্যে “ফ্যামিলি কার্ড” চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারা দেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে “ফারমার্স কার্ড” বা “কৃষক কার্ড”। ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি।’
৩৭ মিনিট আগে
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে ভিড় ছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যাঁরা অনলাইনে অগ্রিম টিকিট কাটতে পারেননি, তাঁরা বিভিন্ন ট্রেনের স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
একসময় বলা হতো, বাঙালি কোনো যুবক কবিতা লেখেননি এমন হতে পারে না। তাঁদের মধ্যে সবাই না হোক, কেউ কেউ তো কবি হয়ে ওঠেন। আর বিক্রি যা-ই থাক, একসময় কবিতার বই বের হতো দেদার। এবার সংখ্যায় প্রকাশের শীর্ষে আছে কাব্যগ্রন্থই।
১১ ঘণ্টা আগে