নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাংবাদিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আনিসুর রহমান আলমগীর ওরফে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বৃহস্পতিবার দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান মামলাটি করবেন।
দুদক বলছে, তাঁর নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর গ্রহণযোগ্য ও বৈধ আয়ের মোট পরিমাণ ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় থেকে ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি কার্যক্রম থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ থেকে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে, সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে দুদকের অনুসন্ধানে খাতওয়ারি বৈধ আয় ও অর্জিত সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অসংগতির তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধান অনুযায়ী, তাঁর নামে মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা হলেও সর্বশেষ আয়কর নথি অনুযায়ী নিট সম্পদের পরিমাণ পাওয়া গেছে মাত্র ৫৭ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬৮ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধানে আনিসুর রহমান আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ, ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে তাঁর ব্যয় হিসেবে পাওয়া গেছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এতে ব্যয়সহ তাঁর নামে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
আনিস আলমগীর সমসাময়িক রাজনীতি ও বিভিন্ন বিষয়ে টেলিভিশন টক শোতে দেওয়া বক্তব্যের কারণে সম্প্রতি আলোচনা ও সমালোচনায় ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তাঁর বিভিন্ন পোস্ট নিয়েও গত কয়েক দিন ধরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
গত ১৪ ডিসেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাংবাদিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আনিসুর রহমান আলমগীর ওরফে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বৃহস্পতিবার দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান মামলাটি করবেন।
দুদক বলছে, তাঁর নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর গ্রহণযোগ্য ও বৈধ আয়ের মোট পরিমাণ ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় থেকে ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি কার্যক্রম থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ থেকে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে, সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে দুদকের অনুসন্ধানে খাতওয়ারি বৈধ আয় ও অর্জিত সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অসংগতির তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধান অনুযায়ী, তাঁর নামে মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা হলেও সর্বশেষ আয়কর নথি অনুযায়ী নিট সম্পদের পরিমাণ পাওয়া গেছে মাত্র ৫৭ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬৮ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধানে আনিসুর রহমান আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ, ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে তাঁর ব্যয় হিসেবে পাওয়া গেছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এতে ব্যয়সহ তাঁর নামে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
আনিস আলমগীর সমসাময়িক রাজনীতি ও বিভিন্ন বিষয়ে টেলিভিশন টক শোতে দেওয়া বক্তব্যের কারণে সম্প্রতি আলোচনা ও সমালোচনায় ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তাঁর বিভিন্ন পোস্ট নিয়েও গত কয়েক দিন ধরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
গত ১৪ ডিসেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
১৮ মিনিট আগে
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আজ উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত ফৌজদারি দায় থেকে আন্দোলনকারীদের অব্যাহতি...
১ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, প্রচারণার অংশ হিসেবে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং গণভোটে অংশগ্রহণের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। এবারের গণভোটে জনগণ রায় দিলে আইনসভায় নাগরিকদের প্রত্যেকটা ভোটের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে সংবিধান সংশোধন এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ায়...
৬ ঘণ্টা আগে