
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন চেয়েছেন ড. ইউনূস। পাশাপাশি তিনি গাজা ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও কথা বলেছেন।
ড. ইউনূস বলেছেন, ‘জনগণের কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অতীতের ভুলগুলোকে সংশোধন করে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও শক্তিশালী অর্থনীতি এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘গত জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে যে যুগান্তকারী পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই আজ আমি বিশ্ব সম্প্রদায়ের এ মহান সংসদে উপস্থিত হতে পেরেছি। আমাদের গণমানুষের, বিশেষ করে তরুণসমাজের অফুরান শক্তি আমাদের বিদ্যমান রাষ্ট্রকাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আমূল রূপান্তরের এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।’
ছাত্র–জনতা অদম্য সংকল্প ও প্রত্যয় একটি স্বৈরাচারী ও অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা থেকে দেশকে মুক্তি দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘তাঁদের এই সম্মিলিত সংকল্পের মধ্যেই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নিহিত।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমি তাই বিশ্ব সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের সঙ্গে নতুনভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানাই।’
বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, সব রাজনৈতিক দল এখন স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছে বলে উল্লেখ করেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় কাজ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত, তাদের সব কটির জবাবদিহি নিশ্চিত করাও তাঁর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষের মৌলিক অধিকারকে সমুন্নত ও সুরক্ষিত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ মুক্তভাবে কথা বলবেন, ভয়ভীতি ছাড়া সমাবেশ করবেন, তাঁদের পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন—এটাই আমাদের লক্ষ্য। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংরক্ষণ এবং সাইবার ডোমেইনসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুসংহতকরণেও আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
ভাষণে গাজা প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, ‘বিশ্ববাসীর উদ্বেগ এবং নিন্দা সত্ত্বেও গাজায় গণহত্যা থামছে না। ফিলিস্তিনের বিদ্যমান বাস্তবতা কেবল আরব কিংবা মুসলমানদের জন্যই উদ্বেগজনক নয়, বরং তা সমগ্র মানবজাতির জন্যই উদ্বেগের বিষয়।’
এ সময় তিনি ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা থামাতে যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। যুদ্ধরত রাশিয়া এবং ইউক্রেনকেও তিনি শান্তির জন্য আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানান।
রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশ সাত বছর যাবৎ মিয়ানমার থেকে আগত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর ফলে আমরা বিরাট সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছি।’
রোহিঙ্গা সমস্যাকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয় দাবি করলেও আশ্রিতদের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথাও জানান প্রধান উপদেষ্টা। এ জন্য তিনি বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের কাছেও সাহায্যের প্রার্থনা করেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন চেয়েছেন ড. ইউনূস। পাশাপাশি তিনি গাজা ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও কথা বলেছেন।
ড. ইউনূস বলেছেন, ‘জনগণের কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অতীতের ভুলগুলোকে সংশোধন করে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও শক্তিশালী অর্থনীতি এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘গত জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে যে যুগান্তকারী পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই আজ আমি বিশ্ব সম্প্রদায়ের এ মহান সংসদে উপস্থিত হতে পেরেছি। আমাদের গণমানুষের, বিশেষ করে তরুণসমাজের অফুরান শক্তি আমাদের বিদ্যমান রাষ্ট্রকাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আমূল রূপান্তরের এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।’
ছাত্র–জনতা অদম্য সংকল্প ও প্রত্যয় একটি স্বৈরাচারী ও অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা থেকে দেশকে মুক্তি দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘তাঁদের এই সম্মিলিত সংকল্পের মধ্যেই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নিহিত।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমি তাই বিশ্ব সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের সঙ্গে নতুনভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানাই।’
বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, সব রাজনৈতিক দল এখন স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছে বলে উল্লেখ করেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় কাজ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত, তাদের সব কটির জবাবদিহি নিশ্চিত করাও তাঁর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষের মৌলিক অধিকারকে সমুন্নত ও সুরক্ষিত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ মুক্তভাবে কথা বলবেন, ভয়ভীতি ছাড়া সমাবেশ করবেন, তাঁদের পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন—এটাই আমাদের লক্ষ্য। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংরক্ষণ এবং সাইবার ডোমেইনসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুসংহতকরণেও আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
ভাষণে গাজা প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, ‘বিশ্ববাসীর উদ্বেগ এবং নিন্দা সত্ত্বেও গাজায় গণহত্যা থামছে না। ফিলিস্তিনের বিদ্যমান বাস্তবতা কেবল আরব কিংবা মুসলমানদের জন্যই উদ্বেগজনক নয়, বরং তা সমগ্র মানবজাতির জন্যই উদ্বেগের বিষয়।’
এ সময় তিনি ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা থামাতে যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। যুদ্ধরত রাশিয়া এবং ইউক্রেনকেও তিনি শান্তির জন্য আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানান।
রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশ সাত বছর যাবৎ মিয়ানমার থেকে আগত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর ফলে আমরা বিরাট সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছি।’
রোহিঙ্গা সমস্যাকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয় দাবি করলেও আশ্রিতদের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথাও জানান প্রধান উপদেষ্টা। এ জন্য তিনি বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের কাছেও সাহায্যের প্রার্থনা করেন।

ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে বি১ ও বি২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। তবে এফ বা এম ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যেতে শিক্ষার্থীদের জন্য এই বন্ড প্রযোজ্য নয়।
৪ ঘণ্টা আগে
গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে জাদুঘরের চিত্রগুলো ঘুরে দেখেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা থেকে এ বছরও বাংলাদেশকে বাদ দিয়েছেন আয়োজকেরা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীর এই বইমেলায় পরপর দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন থাকছে না। তবে সেখানকার কোনো স্টলে বাংলাদেশের বই বিক্রিতে বাধা নেই। যুক্তরাষ্ট্রও এবারের বইমেলায় থাকবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্ধারিত সময়ের আগে মাঠে প্রচারণা চালানোয় জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) চারটি দলকে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৬ ঘণ্টা আগে