
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে নাগরিকের ভোগান্তি কমাতে আবেদন নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ কার্যক্রম (ক্র্যাশ প্রোগ্রাম) হাতে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই প্রক্রিয়ায় জটিল সংশোধনীর আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষমতা সিনিয়র জেলা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের হাতে দেওয়া হলেও প্রচারের অভাবে তা জানতে পারছেন না সেবাগ্রহীতারা। সঠিক তথ্য না জানার কারণে অনেকেই এখনো ঢাকাসহ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভিড় করছেন। সেখানে কাজ না হওয়ায় হতাশ হয়ে ফিরছেন জেলায়। এতে কমছে না ভোগান্তি।
গত সপ্তাহের মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছিলেন রাজধানীর মিরপুরের এক বাসিন্দা। তাঁর গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা। এই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি এনআইডি সংশোধনের জন্য আবেদন করেছেন। তাঁর আবেদনটি ‘গ’ ক্যাটাগরির। আগে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এই ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তি করতেন। এখন কাজটি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই তথ্য তিনি জানতেন না। বলেন, ‘এটি আমি জানতাম না। যদি আগে জানতাম, তাহলে এত কষ্ট করে এখানে আসতে হতো না।’
গত বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) ভবনে ঢাকা আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, হাসিবুল ইসলাম নামের একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ‘গ’ ক্যাটাগরি অর্থাৎ আগে যেই কাজটি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেখতেন সেই ডেস্কে বসে আছেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে সেবা নিতে আসা নাগরিকদের বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছেন তিনি।
সেখানে কথা হয়, মুন্সিগঞ্জ থেকে মো. উজ্জ্বল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভাইয়ের এনআইডি সংশোধনের খোঁজ নিতে এসেছি। এক মাস আগেও এখানে এসে খোঁজ নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু আজ এসে জানতে পারলাম, এই সেবার জন্য জেলা নির্বাচন অফিসে যেতে হবে।’
নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা মো. নুরুল ইসলাম বলেন, এখানে এসে দেখি আমার কাজটি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা করবেন। এনআইডি অনুযায়ী ষাটোর্ধ্ব এই ব্যক্তি বলেন, এই তথ্য আগে জানা থাকলে কষ্ট করে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসতে হতো না।
নাগরিকেরা ইসির নেওয়া উদ্যোগের বিষয়ে যে জানতে পারছেন না, তা স্বীকার করেছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীরও। তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সময়ে যেসব উদ্যোগ নিচ্ছি, তা মানুষ জানতে পারছে না। এ বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
ইসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৪ লাখের মতো এনআইডি সংশোধনের আবেদন ঝুলে আছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য ক্র্যাশ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছে ইসি। এ লক্ষ্যে ‘গ’ ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পন্নের জন্য ৬৪ জেলার সিনিয়র জেলা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের আবেদনের সংখ্যা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কয়েক কর্মকর্তাকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, নিজ নামের বানান পরিবর্তনের কারণে মূল নাম পরিবর্তন (যেমন হাশেমের পরিবর্তে কাশেম), নামের সম্পূর্ণ বা আমূল পরিবর্তন, পিতা ও মাতার উভয়ের নামের সম্পূর্ণ বা আমূল পরিবর্তন, জন্মতারিখ সর্বোচ্চ ১০ বছর; একই অঞ্চলের মধ্যে স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন ইত্যাদি ‘গ’ ক্যাটাগরিতে পড়ে। এই ক্যাটাগরির আবেদন আগে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক নিষ্পন্ন করতেন।

নতুন তিনটি উপজেলা এবং একটি নতুন থানা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)। নতুন উপজেলা তিনটি হলো চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, কুমিল্লার ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহের ‘দক্ষিণ গফরগাঁও।’
৪ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আধুনিক যুগে নিরাপত্তার সনাতন ধারণা গুণগতভাবেই পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এখন কোনো বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিন্দুক পাহারা দেওয়ার চেয়ে তার কম্পিউটারকে হ্যাকারমুক্ত রাখা এবং হাজার মাইলের সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেক বেশি জরুরি।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আগামী কয়েক বছরে ২৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন। সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ১০০ কোটি ডলার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণ, ডিজিটাল ব্যাংকিং, এআই ও নতুন ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরেছে প্রতিষ্ঠানটি।
৯ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন বরেণ্য শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার। সাবেক কর্মস্থল বিটিভি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে দুই দফা জানাজার পর আজ মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে সমাহিত করা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে