ট্রাইব্যুনাল–২ এর যাত্রা শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, ‘গুলি করে, বোমা মেরে, সন্ত্রাস তৈরি করে ভয় দেখিয়ে আমাদের এই বিচারকাজ থেকে দূরে রাখা যাবে না। আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করে পথ চলি। আমার ভয়ের কোনো কারণ নেই। আমি কবরের পাশে দাঁড়ানো, আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। ভয়ের কিছু নেই।’
আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাস কক্ষে দেওয়া সংবর্ধনায় এসব কথা বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় এ সংবর্ধনার আয়োজন করে। এ সময় ট্রাইব্যুনাল–২ এর সদস্য বিচারক মো. মনজুরুল বাসিত ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির উপস্থিত ছিলেন।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদেরকে এখানে বসানো হয়েছে জাতীয় দায়িত্ব পালন করতে। ন্যায় বিচার করতে বসেছি। ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে পক্ষপাতিত্বহীন ভাবে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে এই বিচার করতে সচেষ্ট থাকব। কোনো ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচারককে কাজ থেকে দূরে রাখা যাবে না। শত শত ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে মানুষকে স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। তাদের অনেকে এখনো যথাযথ চিকিৎসা পাননি।’
ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক নিয়ম ও প্রক্রিয়া এবং মানবাধিকারের বিষয়গুলো মেনে চলব। সকলের সহযোগিতা পেলে আমরা এই তরি বেয়ে নিয়ে যাব তীরে। কিছু লোক গত ১৫ বছর ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল। তারা নিষ্ঠুরভাবে দেশ শাসন করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলার সাহস করেনি। মানুষ নিজেদের কথা বলতে পারেনি। সেই ফ্যাসিস্টরা এখনো ফিরে আসার চেষ্টা করছে।’
সংবর্ধনার সময় অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ছাড়াও প্রসিকিউশনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাড়ে ১৫ বছরে দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার ও অনাচার হয়েছে। এসবের বিচার করতে হবে। তবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কোনো ধরনের প্রশ্নবোধক চিহ্ন না থাকে, সেটা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। বিচার যেন আন্তর্জাতিক মানের হয় সেদিকে খেয়াল রেখে বিচারক কাজ পরিচালনা করা হবে।’
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-২ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়ে গেল। একটা ট্রাইব্যুনালের পক্ষে এতগুলো মামলা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টে সারা দেশে চালানো গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য গত ৮ মে ট্রাইব্যুনাল-২ গঠন করা হয়। এই সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনাল–২ এর যাত্রা শুরু হলো।’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, ‘গুলি করে, বোমা মেরে, সন্ত্রাস তৈরি করে ভয় দেখিয়ে আমাদের এই বিচারকাজ থেকে দূরে রাখা যাবে না। আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করে পথ চলি। আমার ভয়ের কোনো কারণ নেই। আমি কবরের পাশে দাঁড়ানো, আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। ভয়ের কিছু নেই।’
আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাস কক্ষে দেওয়া সংবর্ধনায় এসব কথা বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় এ সংবর্ধনার আয়োজন করে। এ সময় ট্রাইব্যুনাল–২ এর সদস্য বিচারক মো. মনজুরুল বাসিত ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির উপস্থিত ছিলেন।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদেরকে এখানে বসানো হয়েছে জাতীয় দায়িত্ব পালন করতে। ন্যায় বিচার করতে বসেছি। ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে পক্ষপাতিত্বহীন ভাবে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে এই বিচার করতে সচেষ্ট থাকব। কোনো ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচারককে কাজ থেকে দূরে রাখা যাবে না। শত শত ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে মানুষকে স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। তাদের অনেকে এখনো যথাযথ চিকিৎসা পাননি।’
ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক নিয়ম ও প্রক্রিয়া এবং মানবাধিকারের বিষয়গুলো মেনে চলব। সকলের সহযোগিতা পেলে আমরা এই তরি বেয়ে নিয়ে যাব তীরে। কিছু লোক গত ১৫ বছর ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল। তারা নিষ্ঠুরভাবে দেশ শাসন করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলার সাহস করেনি। মানুষ নিজেদের কথা বলতে পারেনি। সেই ফ্যাসিস্টরা এখনো ফিরে আসার চেষ্টা করছে।’
সংবর্ধনার সময় অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ছাড়াও প্রসিকিউশনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাড়ে ১৫ বছরে দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার ও অনাচার হয়েছে। এসবের বিচার করতে হবে। তবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কোনো ধরনের প্রশ্নবোধক চিহ্ন না থাকে, সেটা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। বিচার যেন আন্তর্জাতিক মানের হয় সেদিকে খেয়াল রেখে বিচারক কাজ পরিচালনা করা হবে।’
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-২ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়ে গেল। একটা ট্রাইব্যুনালের পক্ষে এতগুলো মামলা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টে সারা দেশে চালানো গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য গত ৮ মে ট্রাইব্যুনাল-২ গঠন করা হয়। এই সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনাল–২ এর যাত্রা শুরু হলো।’

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে