আর্থিক অনিয়ম, জালিয়াতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে কর্মরত সাবেক ও বর্তমান ১০ রাজস্ব কর্মকর্তা এবং পাঁচ ব্যবসায়ীসহ মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন—চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, বাসুদেব পাল, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. আব্দুর রাজ্জাক, দিদারুন নবী, সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রনি বড়ুয়া ও মো. আরিফুর রহমান, বর্তমান রাজস্ব কর্মকর্তা ফারহানা আকরাম এবং বর্তমানে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট করপোরেট কার্যালয় রাজশাহীতে কর্মরত সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান।
এ ছাড়া অন্তরা করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী মো. মুশতাক খান, মেসার্স এ. অ্যান্ড জে. ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের অংশীদার মো. আবদুল জলিল আকন ও মো. আলতাফ হোসেন, মেসার্স প্যান বেঙ্গল এজেন্সির মো. সেলিম এবং জিআর ট্রেডিং করপোরেশন সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেডের মো. আব্দুল রহিমের বিরুদ্ধেও মামলা অনুমোদন করেছে দুদক।
তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এসব ধারায় আত্মসাৎ, প্রতারণা, জাল নথি প্রণয়ন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানি লন্ডারিংয়ের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, যা প্রমাণিত হলে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি প্রযোজ্য হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চলমান বিচার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’–এর হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। হেফাজত ইসলামের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোকে কেন্দ্র
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপির এক নেতাকে গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ জুলাই দিন ধার্য করা হয়েছে...
৯ ঘণ্টা আগে
‘আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য অনেক আগেই চিঠি পাঠিয়েছি, বারবার পাঠিয়েছি। সরকার এখনো চায়, আইনানুগ প্রক্রিয়ায়, দুই দেশের মধ্যকার বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারত সরকার তাঁকে ফেরত পাঠাবে। আমরা চাই, তিনি বিচারের মুখোমুখি হোন...
১০ ঘণ্টা আগে
যেহেতু আমরা একটা নির্বাচিত সরকার এবং আমাদের নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন নাই, জনগণের সমর্থন নিয়ে এই সরকার গঠিত হয়েছে। এটা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটা বড় আস্থার জায়গা। বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে আমার মনে হয়েছে যে তারা বিডিংয়ে আসবে। অতীতে অনেক রোড শো হয়েছে কিন্তু বিনিয়োগ আসেনি...
১০ ঘণ্টা আগে