নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সৌদি ট্যুরিজম কর্তৃপক্ষের (এসটিএ) ভোক্তাবান্ধব ব্র্যান্ড ‘সৌদি, ওয়েলকাম টু অ্যারাবিয়া’ তাদের নতুন বৈশ্বিক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেছে। ক্যাম্পেইনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সিআর-সেভেনখ্যাত ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, যিনি বর্তমানে সৌদি আরবের একজন সম্মানিত বাসিন্দা।
‘আই কাম ফর ফুটবল, আই স্টেড ফর মোর’—(ফুটবলের টানে এসেছিলাম, আরও অনেক কিছুর জন্য থেকে গেলাম) স্লোগানকে সামনে রেখে চালু হওয়া এ ক্যাম্পেইন ইউরোপ, ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে প্রচারিত হবে। ক্যাম্পেইনে সৌদিতে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বমানের ক্রীড়া, বিনোদন, চলচ্চিত্র, ফ্যাশন ও সাংস্কৃতিক ইভেন্টের দীর্ঘ মৌসুম তুলে ধরা হবে।
ভিডিও ক্যাম্পেইনে দেখা যাবে রোনালদোকে, যেখানে তিনি দর্শকদের সঙ্গে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন। সাদাকালো দৃশ্য থেকে ক্রমে রঙিন হয়ে ওঠা ভিজ্যুয়াল ফুটেজ সৌদির পরিবর্তন, উচ্ছ্বাস এবং ভবিষ্যতের উচ্চাভিলাষকে প্রতিফলিত করছে।
রিয়াদ, জেদ্দা ও আলউলাজুড়ে আয়োজিত বছরব্যাপী বৈচিত্র্যময় ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক ইভেন্টগুলো ক্যাম্পেইনে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ফিফা বিশ্বকাপ ২০৩৪, এএফসি এশিয়ান কাপ ২০২৭, ই-স্পোর্টস অলিম্পিক গেমস ২০২৭ এবং এশিয়ান উইন্টার গেমস ২০২৯।
পাশাপাশি ফর্মুলা ওয়ান, ডাকার র্যালি, আল্টিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউএফসি), প্রো ফাইটার্স লিগ (পিএফএল), এলআইভি গলফ, সৌদি প্রো লিগ (আরএসএল), বিশ্ব রেসলিং এন্টারটেইনমেন্ট (ডব্লিউডব্লিউই) এবং ই-স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড কাপের মতো আন্তর্জাতিক আয়োজনে সৌদি আরব নিজেকে বৈশ্বিক ক্রীড়া কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে।
শুধু ক্রীড়াই নয়, সংস্কৃতি ও বিনোদনেও সৌদির ক্যালেন্ডার সমৃদ্ধ হচ্ছে। রিয়াদ ফ্যাশন উইক, রেড সি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, আর্টস বিয়েনিয়াল এবং অন্যান্য মৌসুমি আয়োজনও এর অন্তর্ভুক্ত।
সৌদি ট্যুরিজম কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী ফাহদ হামিদাদ্দিন বলেন, ‘ক্যাম্পেইনে রোনালদোকে যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা আধুনিক সৌদি আরবকে উপস্থাপন করছি। আমাদের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০ মিলিয়ন ভিজিটর আকর্ষণ করা।’
রোনালদো বলেন, ‘সৌদির এই যাত্রার অংশ হতে পারা আমার জন্য বিশেষ অর্থ বহন করে। ক্রীড়া থেকে শুরু করে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য; সৌদি সবকিছুর সমন্বয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করছে।’
ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে সৌদি আরব অর্থনীতির বৈচিত্র্যকরণ ও পর্যটন খাতের সম্প্রসারণে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির ইভেন্ট খাতের বাজারমূল্য দাঁড়াবে আনুমানিক ২২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার এবং জিডিপিতে অবদান রাখবে প্রায় ১৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।
‘সৌদি, ওয়েলকাম টু অ্যারাবিয়া’ ব্র্যান্ডের লক্ষ্য হলো বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল পর্যটন গন্তব্য হিসেবে সৌদি আরবকে তুলে ধরা এবং ভ্রমণকারীদের জন্য সারা বছর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।

সৌদি ট্যুরিজম কর্তৃপক্ষের (এসটিএ) ভোক্তাবান্ধব ব্র্যান্ড ‘সৌদি, ওয়েলকাম টু অ্যারাবিয়া’ তাদের নতুন বৈশ্বিক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেছে। ক্যাম্পেইনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সিআর-সেভেনখ্যাত ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, যিনি বর্তমানে সৌদি আরবের একজন সম্মানিত বাসিন্দা।
‘আই কাম ফর ফুটবল, আই স্টেড ফর মোর’—(ফুটবলের টানে এসেছিলাম, আরও অনেক কিছুর জন্য থেকে গেলাম) স্লোগানকে সামনে রেখে চালু হওয়া এ ক্যাম্পেইন ইউরোপ, ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে প্রচারিত হবে। ক্যাম্পেইনে সৌদিতে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বমানের ক্রীড়া, বিনোদন, চলচ্চিত্র, ফ্যাশন ও সাংস্কৃতিক ইভেন্টের দীর্ঘ মৌসুম তুলে ধরা হবে।
ভিডিও ক্যাম্পেইনে দেখা যাবে রোনালদোকে, যেখানে তিনি দর্শকদের সঙ্গে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন। সাদাকালো দৃশ্য থেকে ক্রমে রঙিন হয়ে ওঠা ভিজ্যুয়াল ফুটেজ সৌদির পরিবর্তন, উচ্ছ্বাস এবং ভবিষ্যতের উচ্চাভিলাষকে প্রতিফলিত করছে।
রিয়াদ, জেদ্দা ও আলউলাজুড়ে আয়োজিত বছরব্যাপী বৈচিত্র্যময় ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক ইভেন্টগুলো ক্যাম্পেইনে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ফিফা বিশ্বকাপ ২০৩৪, এএফসি এশিয়ান কাপ ২০২৭, ই-স্পোর্টস অলিম্পিক গেমস ২০২৭ এবং এশিয়ান উইন্টার গেমস ২০২৯।
পাশাপাশি ফর্মুলা ওয়ান, ডাকার র্যালি, আল্টিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউএফসি), প্রো ফাইটার্স লিগ (পিএফএল), এলআইভি গলফ, সৌদি প্রো লিগ (আরএসএল), বিশ্ব রেসলিং এন্টারটেইনমেন্ট (ডব্লিউডব্লিউই) এবং ই-স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড কাপের মতো আন্তর্জাতিক আয়োজনে সৌদি আরব নিজেকে বৈশ্বিক ক্রীড়া কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে।
শুধু ক্রীড়াই নয়, সংস্কৃতি ও বিনোদনেও সৌদির ক্যালেন্ডার সমৃদ্ধ হচ্ছে। রিয়াদ ফ্যাশন উইক, রেড সি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, আর্টস বিয়েনিয়াল এবং অন্যান্য মৌসুমি আয়োজনও এর অন্তর্ভুক্ত।
সৌদি ট্যুরিজম কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী ফাহদ হামিদাদ্দিন বলেন, ‘ক্যাম্পেইনে রোনালদোকে যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা আধুনিক সৌদি আরবকে উপস্থাপন করছি। আমাদের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০ মিলিয়ন ভিজিটর আকর্ষণ করা।’
রোনালদো বলেন, ‘সৌদির এই যাত্রার অংশ হতে পারা আমার জন্য বিশেষ অর্থ বহন করে। ক্রীড়া থেকে শুরু করে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য; সৌদি সবকিছুর সমন্বয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করছে।’
ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে সৌদি আরব অর্থনীতির বৈচিত্র্যকরণ ও পর্যটন খাতের সম্প্রসারণে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির ইভেন্ট খাতের বাজারমূল্য দাঁড়াবে আনুমানিক ২২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার এবং জিডিপিতে অবদান রাখবে প্রায় ১৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।
‘সৌদি, ওয়েলকাম টু অ্যারাবিয়া’ ব্র্যান্ডের লক্ষ্য হলো বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল পর্যটন গন্তব্য হিসেবে সৌদি আরবকে তুলে ধরা এবং ভ্রমণকারীদের জন্য সারা বছর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দারুণ খবর। ভ্রমণে গিয়ে নিরাপত্তার কথা ভাবলে এখন সবার আগে যে নামটি আসবে, তা হলো সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। বিশ্বখ্যাত ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ‘বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ট্রাভেল প্রোটেকশন’-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ দেশের মর্যাদা পেয়েছে জাপান। কঠোর আইন এবং অতি
২৬ মিনিট আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন বহুল ব্যবহৃত। অফিস থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষ—সবখানেই এর বিচরণ অবাধে। তবে এর অপব্যবহার শিক্ষার্থীদের বিকাশ ও সৃজনশীলতাকে নেতিবাচক দিকে ধাবিত করছে। এর ক্রমবর্ধমান অপব্যবহার রুখতে এবং শিক্ষার্থীরা সত্যিই বিষয়টি বুঝতে পারছে কি না, তা যাচাই করতে উত্তর আমেরিকার
২ ঘণ্টা আগে
হয়ে গেল বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন গোল্ডেন গ্লোবস। তবে কেবল পুরস্কারের হিসাব-নিকাশ নয়, এই আসরটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত এর বর্ণিল ‘রেড কার্পেট’ ফ্যাশনের জন্য। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিকতায় এ বছরও তারকারা এমন সব সাজে হাজির হয়েছিলেন যা ফ্যাশন সচেতনদের মুগ্ধ করেছে। ২০২৬ সালের গোল্ডেন গ্লোবস ফ্যাশন ছি
৪ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জন্য টাকাপয়সা ফেরত পাওয়ার দিন। অনেক আগে কাউকে ধার দেওয়া টাকা বা পুরোনো প্যান্টের পকেটে রাখা নোট আজ উদ্ধার হতে পারে। পুরোনো ঋণ শোধের জন্য আজ সেরা দিন, এতে মনের ওপর থেকে বড় একটা পাথর নেমে যাবে।
৬ ঘণ্টা আগে