
ছোট ঘরে প্রয়োজনীয় সব আসবাব গুছিয়ে রেখে পরিসর খোলামেলা দেখানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আধুনিক মাল্টিফাংশনাল আসবাব ব্যবহার করে খুব সুন্দরভাবে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। সঠিক আসবাব নির্বাচনের মাধ্যমে খুব সহজেই আপনার ছোট ঘরটিও করে তুলতে পারবেন আরামদায়ক ও আভিজাত্যপূর্ণ। নতুন দম্পতি যাঁরা ছোট ফ্ল্যাটে সংসারজীবন শুরু করতে চলেছেন বা যাঁরা শিক্ষার্থী, শহরে ছোট বাসা নিয়ে থাকছেন, তাঁদের জন্য মাল্টিফাংশনাল আসবাব খুব কাজে দেয়। এতে ঘরের জায়গাও বাঁচে আবার এক আসবাবই হয়ে ওঠে বহু কাজের কাজী।
মাল্টিফাংশনাল ফার্নিচার কী?
সহজ কথায়, যে ফার্নিচারগুলো একাধিক প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়, সেগুলোই মাল্টিফাংশনাল ফার্নিচার। যেমন একটি সোফা, যা রাতে আবার বিছানা হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। এগুলোকে বলা হয় সোফা কাম বেড। আবার একটি ডাইনিং টেবিল, যা প্রয়োজন শেষে ভাঁজ করে দেয়ালের সঙ্গে হেলান দিয়ে রাখা যায়। তখন সেটি হয়ে ওঠে দেয়ালের সাজের একটা অংশ।
ছোট জায়গায় মাল্টিফাংশনাল ফার্নিচার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নিচের টিপসগুলো কাজে লাগাতে পারেন।
দৈনন্দিন প্রয়োজন বুঝে নিন
ফার্নিচার কেনার আগে নিজের জীবনযাত্রা নিয়ে ভাবুন। আপনি বাসায় থেকে কাজ করেন কিনা বা প্রায়ই অতিথির সমাগম হয় কিনা তার ওপর আপনার ফার্নিচার নির্বাচন নির্ভর করবে। আপনি যদি বাসায় বসে অফিসের কাজ করেন, তবে এমন কফি টেবিল বেছে নিন, যা ডেস্ক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন। আবার প্রায় অতিথি এলে রাতে ঘুমানোর জন্য সোফা কাম বেড আপনার জন্য আদর্শ।

বহুমুখী ব্যবহারকে প্রাধান্য দিন
এমন আসবাব কিনুন, যা সহজেই একটি থেকে আরেকটিতে রূপান্তর করা সম্ভব। যেমন বসার পাশাপাশি শোয়া বা জিনিস রাখার কাজেও আসবে, এরকম ফার্নিচার নিলে একসঙ্গে একটাতেই অনেক কাজ হয়ে যাবে।
স্টোরেজ সুবিধা দেখে নিন
ছোট ঘরের প্রধান সমস্যা হলো জিনিসপত্র রাখার জায়গার অভাব। তাই হাইডিং স্টোরেজ সুবিধাসহ আসবাব কিনুন। যেমন ড্রয়ারযুক্ত বিছানা কিংবা ভেতরে ফাঁকা থাকা অটোমান বা বসার টুল। এগুলো ঘরকে জঞ্জালমুক্ত রাখবে।
দেয়ালের ব্যবহার
মেঝের জায়গা বাঁচাতে দেয়ালের উচ্চতাকে কাজে লাগান। লম্বা বুকশেলফ বা দেয়ালে সেট করা যায় এমন বুকশেলফ, ড্রেসিং টেবিল বা ডাইনিং টেবিলের ব্যবহার ঘর বড় ও খোলামেলা দেখাবে।
হালকা ও আরামদায়ক আসবাব
ভারী ও বড় আসবাব আসলে ছোট ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। চিকন ও মডুলার ডিজাইনের আসবাব কিনুন। ফোল্ডিং চেয়ার বা টেবিল প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করে সরিয়ে রাখা যায়, যা জায়গাও বাঁচায়।
রঙের সঠিক ব্যবহার
রঙের ওপর ঘরের প্রশস্ততা অনেকটাই নির্ভর করে। হালকা ও নিউট্রাল রং, যেমন সাদা, বেইজ বা হালকা ধূসর রঙে ঘর বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। হালকা রঙের ফার্নিচারও একই কাজ করে এবং ঘরকে অন্ধকার করে দেয় না।

পরিমাণের চেয়ে গুণগত মান দেখুন
অনেক সস্তা ও কম কাজের আসবাব দিয়ে ঘর না ভরিয়ে কয়েকটি মানসম্পন্ন মাল্টিফাংশনাল ফার্নিচার কিনুন। মানসম্পন্ন একটি সোফা-কাম-বেড বা অ্যাডজাস্টেবল ওয়ার্কস্টেশন আপনার দীর্ঘদিনের সঙ্গী হয়ে ঘরে একটা মিনিমালিস্টিক লুক বজায় রাখবে।
কমেন্ট (কোট আনকোট করে লেখার মাঝখানে দেবেন)
ছোট বাসা সাজাতে এমন মাল্টিফাংশনাল আসবাব ব্যবহার করতে হবে, যেগুলোর গড়ন সোজাসাপ্টা ও যত্ন নেওয়া সহজ। ছোট ঘরের ক্ষেত্রে নিচু আসবাব বাছাই করতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনের অতিরিক্ত আসবাব রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে। বেছে নিতে হবে মিনিমাল আসবাব। এতে করে ঘরের আয়তন অনেকটাই বড় দেখাবে। এতে আলো-বাতাস চলাচল করতে পারবে এবং ঘরটাকেও বড় দেখাবে।
রুম্মান আরা ফারুকী
প্রধান স্থপতি, ইন্টেরিয়র ডিজাইন স্টুডিও স্বয়ং
বাড়ির যে মেয়েটি এখন সবচেয়ে আনন্দে রয়েছেন, তাঁর বয়স আঠারো, না কুড়ি? তাহলে এই গল্পটা তাঁর সঙ্গেই জমবে বেশ। পূজার কোন দিন কী পরবে, কেমন সাজবে আর হেয়ারস্টাইল কেমন হবে, তা-ও এরই মধ্য়ে ঠিক করে ফেলেছেন তাঁরা।
৩ ঘণ্টা আগে
আঁচল আর উত্তরীয়র কোনায় যাঁদের গিঁট পড়েছে, একাকী থাকার দিন যাঁদের শেষ হয়েছে গত পূজার পর আর এই পূজার আগেই, যাঁরা একটু একটু করে মানিয়ে নিচ্ছেন দুজনের জীবনে দুজনের উপস্থিতি, তাঁদের জন্য এবারের পূজার উৎসব একেবারে আলাদা।
১০ ঘণ্টা আগে
নিরামিষ আর আমিষ—খাবার মূলত এই দুই ধরনের। কিন্তু সনাতন ধর্মমতে খাবার তিন ধরনের—সাত্ত্বিক, রাজসিক আর তামসিক। মেয়ে যখন বছরান্তে ঘরে ফেরে, তখন এই সব ‘ধরন’ ধরে ধরে খাওয়া হয় না, যায়ও না। ‘মেয়ে ঘরে ফেরে’—দুর্গাপূজায় এই বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
১১ ঘণ্টা আগে
উৎসব মানে আনন্দের রঙে ঘর ভরিয়ে তোলা। বিশেষ করে দুর্গাপূজা বা শারদীয় উৎসবে বাড়ির আঙিনা ও ঘরের মেঝেতে আলপনা না আঁকলে যেন উৎসবের আমেজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে যাঁরা ভাড়া বাড়িতে থাকেন, তাঁদের জন্য টাইলসের মেঝেতে আলপনা আঁকা কিছুটা চিন্তার কারণ হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে