
সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ভারতের এক মন্ত্রীর বিরল পদত্যাগ আদায় করে নিয়েছে ভারতের জেন-জি ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে এই সাফল্যের পরও দলটি আপাতত নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশের কোনো পরিকল্পনা করছে না।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাজনৈতিকভাবে প্রায় অপরাজেয় বলেই মনে করা হচ্ছিল। বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই গণতন্ত্রের দেশে তিনি এমন এক সরকার পরিচালনা করছেন—যা বিরোধীদের কোণঠাসা করেছে, জনপরিসরের আলোচনাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং ভিন্নমত প্রকাশের পথ সঙ্কুচিত করেছে।

ভারতের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এরপরেই পাটনার বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে বিজেপি শিবিরে। কারণ এই নির্বাচন এখন বিজেপির মর্যাদার লড়াই, জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক প্রভাবের পরীক্ষা...

তরুণদের বিক্ষোভে সরকারের দমন-পীড়নকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনীতিতে নজিরবিহীন উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গতকাল মঙ্গলবার। দিনজুড়ে বিরোধী দলের ধর্না, নেতা-কর্মীদের আটক এবং সরকার-বিরোধী পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দিনের শেষে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী কেন্দ্র সরকারের