
কিয়ারা আদভানি তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের কারণে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। সম্প্রতি মা হয়েছেন এই অভিনেত্রী। যদিও তাঁর কাজ, ব্যক্তিগত জীবন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যকলাপ প্রায় সবই আমাদের আকর্ষণ করে। তবু তাঁর সৌন্দর্য নিয়ে যেন না বললেই নয়। আমাদের বাক্রুদ্ধ করে দেয় তাঁর অসাধারণ সৌন্দর্য। কিয়ারার ত্বক যে নিখুঁত, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এই আরাধ্য ত্বক পেতে কোন তরুণী চাইবে না, বলুন! কিয়ারা কীভাবে তাঁর ত্বক উজ্জ্বল ও পরিষ্কার রাখেন, তা নিশ্চয় জানতে আজকের আয়োজন।
২০২৪ সালে কিয়ারা আদভানি ‘ভোগ’ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর সৌন্দর্যের রহস্য প্রকাশ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাঁর রান্নাঘরে থাকা প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর মতো আর কিছুই ত্বকে এমন উজ্জ্বলতা আনতে পারে না। কিয়ারা উল্লেখ করেন, তিনি বছরের পর বছর ধরে তাঁর ঠাকুমার ফেস মাস্কের রেসিপি ব্যবহার করে আসছেন। ত্বকের সমস্যা যা-ই হোক না কেন, ফল ও সবজি দিয়ে তৈরি ডিআইওয়াই ফেস মাস্ক হলো পরিষ্কার ও উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়।

যেভাবে ফেসপ্যাক তৈরি করেন
প্রয়োজনমতো বেসন, সামান্য দুধের সর বা দুধ ও মধু একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নেন কিয়ারা। মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করেন এবং তা ত্বকে ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটিই সেরা ডিটক্স ফেস মাস্ক, যা আমার দিদিমা শিখিয়েছিলেন। এ ছাড়া আপনি যেকোনো ফল বা সবজি খাওয়ার পর, সেগুলোর খোসা আপনার ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো ত্বকের জন্য একদম উপযুক্ত। তাই আপনি যা-ই খান না কেন, তার সামান্য একটু মুখে লাগাতে পারেন এবং এটি সব সময় কাজ করে।’

তাঁর ত্বকের যত্ন সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য
কিয়ারা আদভানিকে তাঁর ত্বক সব সময় সতেজ রাখার রহস্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। ত্রিশের কোঠায় এসেও তিনি কীভাবে তাঁর ত্বকের যত্ন নেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, রাতে ঘুমানোর আগে তাঁর মুখের মেকআপ পুরোপুরি তুলে ফেলেন। তিনি ময়শ্চারাইজার এবং সানব্লক ব্যবহারের একটি সাধারণ রুটিন অনুসরণ করেন বলে জানান।

ঘুম, ব্যায়াম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং মানসিক চাপমুক্ত থাকা উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন কিয়ারা আদভানি।

সূত্র: পিংক ভিলা ও অন্যান্য

ফুটবলের দেশ বললেই সবার আগে যে দুটি দেশের নাম আমাদের মনে আসে, তার একটি আর্জেন্টিনা, অন্যটি ব্রাজিল। মজার বিষয় হলো, ফুটবল জনপ্রিয় হলেও এই দুটি দেশের কোনোটিরই জাতীয় খেলা ফুটবল নয়। আর্জেন্টিনার সরকারি জাতীয় খেলার নাম পাতো (Pato)। ঘোড়ার পিঠে চড়ে এ খেলা খেলতে হয়। এটি এমনই এক রোমাঞ্চকর খেলা, যেখানে...
১৮ ঘণ্টা আগে
কাগজের নোট কিংবা ক্রেডিট কার্ডের ব্যালেন্স—কোনোটিই কমবে না। এদিকে শপিং ব্যাগ ভর্তি করার নিখাদ আনন্দটুকু ঠিকই পাওয়া যাবে। বিষয়টি শুনতে অবাস্তব মনে হলেও তীব্র সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার তরুণ প্রজন্মের কাছে এটিই এখন মানসিক শান্তি খোঁজার আধুনিক ট্রেন্ড। দক্ষিণ কোরিয়ার তরুণ...
২০ ঘণ্টা আগে
টান টান উত্তেজনা, গ্যালারিজুড়ে হাজারো দর্শকের গর্জন আর মাঠের সবুজ ঘাসে বল দখলের লড়াই। সাত সকালে ফুটবল বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ জমিয়ে তুলতে সঙ্গে রাখুন ঐতিহ্যবাহী ম্যাক্সিকান কফি। মেক্সিকোর শত বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী এই কফির নাম ক্যাফে দে ওল্লা। সব উপাদান ঘরে থাকলে তো ভালোই হলো, না থাকলে আপনার ঘরে থাকা...
১ দিন আগে
ফুটবল দল হিসেবে অনেকেরই প্রিয় মেক্সিকো। খুব কম হলেও মেক্সিকান খাবারের চল আছে আমাদের দেশে, বিশেষ করে ঢাকা শহরে। সালসা মেক্সিকোর একটি সসজাতীয় খাবার। এটির সঙ্গে মিশিয়ে বিভিন্ন খাবার খাওয়া হয়। দুটি জনপ্রিয় মেক্সিকান খাবার সালসা অ্যান্ড চিপস এবং ম্যাঙ্গো সালসা। মেক্সিকান রান্নায় সালসার ব্যবহার বেশ...
১ দিন আগে