খাসির মাংস কতভাবে রান্না করা হয়, তার কোনো হিসাব নেই। এমনকি ইউটিউবের এই যুগে খাসির মাংসের রেসিপি একেক রান্নাঘরে একেক রকম। এত রেসিপির ভিড়ে হিমশিম খাওয়ার কোনো দরকার নেই। নিজের পছন্দমতো একটা রেঁধে ফেলুন। নইলে নিজেই একটা রেসিপি আবিষ্কার করে নিন। তাতে কোনো সমস্যা নেই। এবার অতিথি এলে একটু ভিন্ন স্বাদের খাসির মাংস রান্না করুন না হয়। সহজ উপায়ে টমেটো দিয়ে মাটন কারি রান্নার রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
উপকরণ
খাসির মাংস ১ কেজি, সরিষার তেল আধা কাপ, এলাচি ৫-৬টি, মিহি পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, খাসির মাংসের চর্বি আধা কাপ, রসুনবাটা এক টেবিল চামচ, আদাবাটা ২ টেবিল চামচ, হলুদ-মরিচ ও ধনেগুঁড়া ১ টেবিল চামচ করে, কাশ্মীরি মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, টমেটোকুচি ২টি, টক দই ফেটানো ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা ১ চামচ, লবণ স্বাদমতো, গরমমসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ।
প্রণালি
কড়াইতে সরিষার তেল গরম হলে এলাচি ফোড়ন দিন। এবার খাসির চর্বি মিহি পেঁয়াজকুচি দিয়ে বেরেস্তার মতো করে ভেজে নিন। এবার রসুন ও আদাবাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। তারপর খাসির মাংস দিয়ে নেড়েচেড়ে রান্না করুন। হলুদ, কাশ্মীরি মরিচ, ধনেগুঁড়া ও লবণ দিয়ে আবারও কষিয়ে নিন। পরে টমেটোকুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন ১০ থেকে ২০ মিনিট। তারপর ঝোলের পানি দিন। এরপর টক দই, কাঁচা মরিচের ফালি, গরমমসলার গুঁড়া দিয়ে আবারও রান্না করুন। তারপর লবণ দেখে আরও কিছু সময় রান্না করে নামিয়ে নিন।

বাজারে পণ্যের দাম যত দ্রুত বাড়ে, আয়-রোজগার তত দ্রুত বাড়ে না। ফলে খাদ্যতালিকা থেকে প্রতিনিয়ত পুষ্টিকর খাবার বাদ দিচ্ছেন, এমন পরিবার নেহাত কম নয়। কারণ, পুষ্টিকর খাবার ব্যয়বহুল হয়ে পড়লে এবং বাজেট সীমিত থাকলে ফল, শাকসবজিসহ অন্যান্য খাবার দিয়ে সাজানো একটি সুষম খাদ্যতালিকা মেনে চলা কঠিন হওয়া স্বাভাবিক...
১৭ মিনিট আগে
যাঁদের বাড়িতে পোষা প্রাণী আছে, তাঁরা বেশির ভাগ সময় সেই প্রাণীগুলোকে আলিঙ্গন করে আদর করেন। এমনকি অনেক সময় তাদের নিয়েই ঘুমাতে ভালোবাসেন। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের ক্ষেত্রে একজন পুরুষ সঙ্গীর চেয়ে একটি কুকুর অনেক বেশি কার্যকর ‘স্লিপ পার্টনার’ বা ঘুমের সঙ্গী হতে পারে।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তির কল্যাণে এখন যেকোনো জটিল প্রশ্নের উত্তর মিলছে চোখের পলকে। গুগল সার্চের ওপরের পাতায় থাকা ‘এআই ওভারভিউ’ কিংবা চ্যাটবটের এক লাইনের উত্তর আমাদের জীবন সহজ করে দিয়েছে মনে হয়। কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক বিরাট আশঙ্কার কথা।
১৮ ঘণ্টা আগে
গরমকাল মানেই অতিরিক্ত ঘাম ও রোদের ক্ষতিকর রশ্মির প্রভাবে ত্বকের ক্ষতি। এই সময় অনেকের ত্বক নিস্তেজ, ক্লান্ত ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। শুধু রোদে পুড়ে ত্বক তামাটে বর্ণের হয়ে যাওয়াই নয়, গ্রীষ্মকালে পরিবেশগত কারণে ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
২০ ঘণ্টা আগে