
বাজারে পণ্যের দাম যত দ্রুত বাড়ে, আয়-রোজগার তত দ্রুত বাড়ে না। ফলে খাদ্যতালিকা থেকে প্রতিনিয়ত পুষ্টিকর খাবার বাদ দিচ্ছেন, এমন পরিবার নেহাত কম নয়। কারণ, পুষ্টিকর খাবার ব্যয়বহুল হয়ে পড়লে এবং বাজেট সীমিত থাকলে ফল, শাকসবজিসহ অন্যান্য খাবার দিয়ে সাজানো একটি সুষম খাদ্যতালিকা মেনে চলা কঠিন হওয়া স্বাভাবিক। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে, যা পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। তাই স্বল্প বাজেটে কী করে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যায়, তার একটা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন।
জেনে নিন স্বল্প বাজেটে কী করে খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার যোগ করবেন–
স্থানীয় বাজার থেকে মৌসুমি ফল ও সবজি কিনুন। সাধারণত অন্য ঋতুর ফল ও সবজির দাম বেশি হয়। এগুলোতে পুষ্টিগুণ থাকলেও স্বাদ কম থাকে। অন্যদিকে চলতি ঋতুর ফল ও সবজি স্বাস্থ্য ও বাজেটের জন্য ভালো।
কিছু খাবার পাইকারি কিনলে অর্থ সাশ্রয় হতে পারে। বাদামি চাল, বার্লি এবং ওটসের মতো শস্যজাতীয় খাবার পাইকারি পাওয়া যায়। বায়ুরোধী পাত্রে রাখলে এগুলো অনেক দিন ভালো থাকে। বিষয়টি মসুর ডাল, বাদাম বা শুকনো ফল ইত্যাদি খাবারের জন্যও প্রযোজ্য।
কম মাংস খাওয়া টাকা বাঁচানোর একটি ভালো উপায় হতে পারে। সপ্তাহে কয়েক দিন অন্যান্য উৎস থেকে প্রোটিন গ্রহণ করুন। শিমজাতীয় খাবার, বিভিন্ন ধরনের বীজ, ডিম, মাছ ইত্যাদির দাম তুলনামূলক কম।
মুদিদোকানে টাকা বাঁচানোর ক্ষেত্রে আগে থেকে পরিকল্পনা করা অপরিহার্য। খাবারের পরিকল্পনা করার জন্য প্রতি সপ্তাহে একটি দিন বেছে নিন। তারপর সেই খাবারগুলো তৈরি করার জন্য আপনার যা যা প্রয়োজন, সেগুলোর একটি তালিকা তৈরি করুন। আপনার ফ্রিজ এবং ক্যাবিনেটগুলোও একবার দেখে নিন, সেখানে আগে থেকে কী কী রয়েছে। এরপর শুধু ততটুকুই কেনার পরিকল্পনা করুন, যতটুকু আপনি নিশ্চিতভাবে ব্যবহার করবেন।
বাইরে খাওয়ার চেয়ে বাড়িতে রান্না করে খেলে খাবারের খরচ অনেকটাই বাঁচানো যেতে পারে। সাধারণত রেস্তোরাঁয় এক বা দুজনের জন্য খাবারের খরচে চারজনের একটি পরিবারের এক দিনের খাবার চলে যেতে পারে। তাই শেষ মুহূর্তে বাইরে খাওয়ার সিদ্ধান্ত না নিয়ে বাড়িতে রান্না করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কেউ কেউ সপ্তাহান্তে পুরো সপ্তাহের জন্য রান্না করা সহজ মনে করেন। আবার কেউ কেউ প্রতিদিন একটি খাবার রান্না করেন। নিজের জন্য রান্না করলে আপনার খাবারে ঠিক কী কী উপাদান রয়েছে, সেগুলো জানা সহজ হয়।
যদি সম্ভব হয়, নিজেদের খাওয়ার জন্য কিছু মৌসুমি সবজি ও ফল চাষ করতে পারেন বাড়ির ছাদে এবং বারান্দায়। টমেটো, পেঁয়াজ, হলুদ, তুলসী, শিম, পুঁইশাক, লালশাক, মরিচ, লেবু ইত্যাদি ছাদ ও বারান্দায় ফলানো সম্ভব। এতে অল্প হলেও টাকা বাঁচবে। বিশুদ্ধ খাবারও খাওয়া যাবে।
একবার আপনার খাবারের পরিকল্পনা এবং কেনাকাটার তালিকা তৈরি হয়ে গেলে, তা মেনে চলুন। যাঁরা সুপারশপে কেনাকাটা করেন, তাঁদের প্রায় অপ্রত্যাশিত কেনাকাটা ও অপ্রত্যাশিত খরচ হয়ে যায়। সাধারণ নিয়ম হিসেবে, প্রথমে সুপারশপের ভেতরে শুরুর দিকে রাখা পণ্যগুলো কেনাকাটা করার চেষ্টা করুন। এখানেই সাধারণত পুষ্টিকর খাবার রাখা হয় এবং এতে আপনার কার্ট প্রথমে সেগুলো দিয়ে ভরে ফেলুন। দোকানের মাঝখানে প্রায়শই বেশি প্রক্রিয়াজাত খাবার থাকে। আপনি যদি এই সারিতে থাকেন, তবে সোজা সামনের দিকে না তাকিয়ে তাকগুলোর ওপর ও নিচে দেখুন। দামি জিনিসগুলো সাধারণত চোখের সমান উচ্চতায় রাখা হয়, যা এড়িয়ে যাওয়া ভালো।
আপনার পছন্দের পণ্য বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, যেগুলো আপনি প্রায়ই ব্যবহার করেন, সেগুলো ছাড়ের সময় বেশি পরিমাণে কিনে রাখতে পারেন। শুধু নিশ্চিত করুন, এটি বেশ কিছুদিন টিকবে এবং এর মেয়াদ আগেভাগেই শেষ হবে না।
সূত্র: হেলথ লাইন
ছবি: পেক্সেলস

নিজের সৌন্দর্য নিয়ে সব সময় চিন্তায় থাকার মতো অবস্থাকে এখন বলা হচ্ছে বিউটি অ্যাংজাইটি। খুঁজলে নিজের বন্ধুদের মধ্য়েও দু-একজনের দেখা পেয়ে যাবেন, যাঁরা প্রায়ই নিজের রূপ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। কী কী করলে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠা যায়, তা নিয়ে তাঁদের সারা দিনের যত ভাবনা। নিজের পোশাক, স্টাইল, চুল বাঁধার...
১২ ঘণ্টা আগে
ব্যস্ত সময়সূচি থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিক সৌন্দর্য ও সুস্থতার রুটিন বজায় রাখেন ম্রুণাল ঠাকুর। তিনি পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে নিজের সৌন্দর্যচর্চার রুটিন বজায় রাখেন। শুধু তা-ই নয়, ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে ম্রুণাল চিয়া বীজের পানীয় পান করতে পছন্দ করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাজারে এখন পাকা আমের ছড়াছড়ি। তাই এই চেনা আম দিয়েই যদি তৈরি করে নেওয়া যায় একদম অন্য রকম, চটপটে আর রিফ্রেশিং কিছু? পাকা আমের মিষ্টি স্বাদ, সঙ্গে লেবুর টক, কমলার রিফ্রেশিং জুস আর হালকা মরিচের ঝাল! সব মিলিয়ে চুমুকেই মন ভালো করে দেওয়ার মতো এক পানীয়ের নাম চিলি লাইম ম্যাঙ্গো। মেক্সিকান এই পানীয়টি বানানো...
১৬ ঘণ্টা আগে
ধরুন অফিসে মিটিং চলছে। সেখানে আপনার বসের একটি আইডিয়া বা সহকর্মীর কাজের পরিকল্পনা আপনার একদম পছন্দ হলো না। আপনি এটাও নিশ্চিত যে এই পরিকল্পনা মেনে কাজ করলে প্রজেক্টটি ভালো হবে না। কিন্তু আপনি মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছেন না।
১ দিন আগে