
অমলেট বলতেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে ডিম, পেঁয়াজ আর কাঁচা মরিচের পরিচিত আয়োজন। কিন্তু পারস্যের রান্নাঘরে ডিমের এই পরিচিত পদ পেয়েছে একেবারে ভিন্ন রূপ। কুকু সাবজি হলো তাজা হার্বস, মসলা ও ডিম দিয়ে তৈরি একধরনের বেকড পার্সিয়ান অমলেট। সকালের নাশতা, ব্রাঞ্চ বা হালকা খাবার হিসেবে বাংলাদেশি রান্নাঘরে এটি হতে পারে ভিন্নধর্মী এক আয়োজন।
অলিভ অয়েল ৫ টেবিল চামচ, পার্সলে পাতা ২ কাপ, ধনেপাতা ২ কাপ, কুচি করা ডিল ১ কাপ, পেঁয়াজপাতা ৬টি, বেকিং পাউডার দেড় চা-চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, এলাচিগুঁড়া পরিমাণমতো, দারুচিনি, জিরাগুঁড়া, গোলমরিচ পরিমাণমতো, ডিম ৬টি, আখরোটকুচি আধা কাপ এবং শুকনা ক্র্যানবেরি পরিমাণমতো।
প্রথমে ওভেন ১৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গরম করে নিন। একটি বেকিং প্যানে অল্প পরিমাণ অলিভ অয়েল মাখিয়ে বেকিং পেপার বিছিয়ে নিন। এরপর ধনেপাতা, পার্সলে, ডিল ও পেঁয়াজপাতা কুচি করে নিন। চাইলে ব্লেন্ডারেও হালকা করে নিতে পারেন। একটি বাটিতে ডিম ফেটিয়ে এর সঙ্গে বেকিং পাউডার, লবণ, এলাচি, দারুচিনি, জিরা ও গোলমরিচ মিশিয়ে নিন। এবার কুচি করা হার্বস, আখরোট ও শুকনা ক্র্যানবেরি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি বেকিং প্যানে ঢেলে ২০ থেকে ২৫ মিনিট বেক করুন। মাঝখানটা শক্ত হয়ে এলে বুঝতে হবে কুকু সাবজি তৈরি। ওভেন থেকে বের করে ১০ মিনিট ঠান্ডা হতে দিন। এরপর টুকরো করে কেটে পরিবেশন করুন।

কুকু সাবজি টক দইয়ের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়। চাইলে শসা, টমেটো, জলপাই ও আচারের সঙ্গেও খেতে পারেন। এটি রুটি, পরোটা বা পাউরুটির সঙ্গে খেতে ভালো লাগবে।
কুকু সাবজি ঠান্ডা হলে বায়ুরোধী পাত্রে রেখে ফ্রিজে ৩ থেকে ৪ দিন সংরক্ষণ করা যায়।
সূত্র: দ্য মেডিটেরিয়ান ডিশ

দুজন মানুষের পছন্দ-অপছন্দ বা জীবনধারা আলাদা হওয়াটাই স্বাভাবিক। ভিন্ন মানসিকতা বা অভ্যাস সত্ত্বেও বহু দম্পতি বছরের পর বছর সুখে একসঙ্গে কাটিয়ে দেন। ছোটখাটো মতবিরোধ হলেও তা ভালোবাসায় বাদ সাধে না। কিন্তু সাম্প্রতিককালে সম্পর্কের সমীকরণে নীরবে ফাটল ধরাচ্ছে নতুন এক আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ...
৩ ঘণ্টা আগে
কয়েক বছর ধরে সৌন্দর্যবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কোরিয়ান গ্লাস স্কিন। কোরিয়ান ধারা মেনে তাই রূপসচেতনেরা এমনভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া ও মেকআপ করা শুরু করলেন, যাতে ত্বক কোরিয়ানদের মতোই স্বচ্ছ ও চকচকে হয়ে ওঠে। তবে বিউটি ট্রেন্ডে সম্প্রতি লেগেছে নতুন হাওয়া।
২০ ঘণ্টা আগে
ডিজনিল্যান্ড এমন একটি পার্ক, যা সরাসরি নিয়ে যায় শৈশবের রঙিন স্মৃতির ভিড়ে। ডিজনির গল্পগুলোতে ছিল রাজা রানি, কথা বলতে পারা পশু, পাখি, গাছ। একেবারে রঙিন আর আকাঙ্ক্ষিত একটি জীবন। যেখানে কষ্টের পরের সুখটা সবাই উপভোগ করতে পারত। গল্প পড়া শেষ হতো একটা লাইন দিয়ে—অবশেষে তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগল।
১ দিন আগে
পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো কথাই নেই। এই সময়গুলোতে পাহাড় তার রূপের ডালি মেলে ধরে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ। এবার আমাদের অভিযান ছিল রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনা। দলে ছিলাম ছয়জন।
১ দিন আগে