রাতে মাত্র একটি তরকারিই রান্না করা কথা ভাবছেন? যা দিয়ে অনায়াসে এক প্লেট ভাত খেয়ে নেওয়া যাবে! আপনাদের জন্য এমনই একটি রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
ছোট চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, ঝিঙে ৫০০ গ্রাম, পটোল ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, আদা ও রসুন বাটা এক চা-চামচ, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো এক চা-চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৫-৬টা, লবণ স্বাদমতো, চিনি আধা চা-চামচ, সয়াবিন তেল ৪ টেবিল চামচ।
ঝিঙে আর পটোলের খোসা ফেলে গোল করে কেটে ধুয়ে নিন। চিংড়ি মাছ কেটে ধুয়ে নিন লবণ দিয়ে। কড়াইতে সয়াবিন তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সামান্য ভেজে অল্প পানি দিন। পরে আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, লবণ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার চিংড়ি মাছ দিয়ে কষিয়ে নিন। তারপর পটোল-ঝিঙে দিয়ে ঢাকনাসহ রান্না করুন। এই সবজিতে কোনো পানি দিতে হয় না। সবজি থেকে যে পানি বের হবে, তা দিয়েই ঝোলের পানি হয়ে যায়। শেষে কাঁচা মরিচ ফালি, জিরাগুঁড়া, চিনি দিয়ে আরও দুই এক মিনিট রান্না করুন। সবশেষে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে লবণ দেখে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল ঝিঙে-পটোল দিয়ে চিংড়ি মাছের ঝোল।

ইতিহাস, স্থাপত্য আর আধুনিক গ্রাফিকসের অনন্য মিশেলে এবারের বিশ্বকাপের জার্সিগুলোতে ঘটেছে টাইপোগ্রাফি বিপ্লব। জার্সির নম্বর ও নামের ফন্টগুলোতে এবারও নিখুঁত ইতিহাস আর জ্যামিতিক কারুকার্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ফিফার কঠিন সব নিয়ম মেনেও জার্সির নম্বরের মাধ্যমে একেকটি দেশের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে...
৩ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণের সময় কানেকটিং ফ্লাইট মিস হওয়া অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং উদ্বেগজনক। আবহাওয়া বা বিমানবন্দরজটের মতো কিছু বিষয় যাত্রীদের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও কিছু পূর্বপ্রস্তুতি এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে। একজন অবসরপ্রাপ্ত ইউনাইটেড ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট কানেকটিং ফ্লাইট মিস হওয়ার প্রধান পাঁচটি ভুল...
৪ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণের কথা মাথায় এলে আমরা অনেকেই এমনভাবে পরিকল্পনা করি, যাতে পকেটও বাঁচবে, মনও ভরবে। এ ক্ষেত্রে ভ্রমণের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো বেছে নিতে পারেন। সে দেশগুলোতে ভ্রমণের রোমাঞ্চ পাবেন অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে একেবারে আলাদা। তবে এই ভ্রমণ নিখুঁত ও নিরাপদ করতে ৯টি বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি।
৪ ঘণ্টা আগে
১৪ আষাঢ়, রোববার। বিকেল থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফাঁকে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। আমরা তখন ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে নয়, গাড়িতে। গাড়ির ভেতর বাজছিল আষাঢ়ের গান, ‘চলো কোথাও যাই, এই ঝড়-বর্ষায়...’। মুহূর্তেই মনে হলো, শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির কাছে না গেলে যেন আষাঢ় সত্যিকার অর্থে অনুভব করা হবে না।
৯ ঘণ্টা আগে