ভ্রমণের সময় কানেকটিং ফ্লাইট মিস হওয়া অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং উদ্বেগজনক। আবহাওয়া বা বিমানবন্দরজটের মতো কিছু বিষয় যাত্রীদের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও কিছু পূর্বপ্রস্তুতি এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে। একজন অবসরপ্রাপ্ত ইউনাইটেড ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট কানেকটিং ফ্লাইট মিস হওয়ার প্রধান পাঁচটি ভুল এবং তা এড়ানোর উপায় বাতলে দিয়েছেন। সেগুলো জেনে নিয়ে নিজেও সতর্ক থাকুন। যা করবেন—
ফ্লাইটের মাঝে পর্যাপ্ত সময় রাখুন: বুকিং সাইটগুলোতে কম বিরতির টিকিট দেখলেও সেগুলো এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে বড় বিমানবন্দরের ক্ষেত্রে, যেখানে এক গেট থেকে অন্য গেটে যেতে দীর্ঘ সময় লাগে। সাধারণত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৪৫ মিনিট এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে অন্তত ২ ঘণ্টা সময় রাখুন। এতে যেকোনো সমস্যায় ফ্লাইট মিস হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে।
আলাদা আলাদা এয়ারলাইনসে টিকিট বুক করবেন না: ভিন্ন এয়ারলাইনসের কারণে টার্মিনাল পরিবর্তন করতে হতে পারে। সাধারণত দুই টার্মিনালের মাঝে বেশ দূরত্ব থাকে। একই এয়ারলাইনসের টিকিটে কানেকটিং ফ্লাইট থাকলে প্রথম অংশ বিলম্বিত হলেও গেট এজেন্টরা অনেক সময় অপেক্ষা করেন। কিন্তু আলাদা এয়ারলাইনস হলে তাঁরা আপনার আগমন সম্পর্কে কিছুই জানতে পারবেন না। তা ছাড়া বিলম্ব বা বাতিলের ক্ষেত্রে হোটেল বা খাবারের ভাউচার পাওয়ার সুবিধাও কেবল একই টিকিটের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়। তাই সুযোগ থাকলে একই এয়ারলাইনসের কানেকটিং ফ্লাইট বুকিং করুন।
বিমানের পেছনের সারির সিট নেবেন না: বিমান ল্যান্ড করার পর পেছনের সারি থেকে নেমে আসতে সাধারণত বেশি সময় লাগে। তাই কানেকটিং ফ্লাইটের সময় কম থাকলে অতিরিক্ত খরচ করে হলেও প্রিমিয়াম, বিজনেস বা বিমানের সামনের সারির সিট বুক করা উচিত, যেন দ্রুত নেমে আসা যায়।
ভোর বা সকালের ফ্লাইটের টিকিট কেনার চেষ্টা করুন: দিনের প্রথম ভাগের ফ্লাইটগুলোতে শিডিউল বিপর্যয়ের বা বিলম্বের আশঙ্কা সবচেয়ে কম থাকে। পরের দিকের ফ্লাইট মিস হলে বিমানবন্দরে রাত কাটানো, হোটেল ও খাবারের বাড়তি খরচ এবং লাগেজ নিজের কাছে না থাকার মতো বড় ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।
লাগেজ চেক-ইন করুন: শুধু ক্যারি-অন বা হাতব্যাগ নিয়ে ভ্রমণ করলে লাগেজ পরবর্তী ফ্লাইটে সময়মতো না পৌঁছানোর ঝুঁকি থাকে না। মালপত্র সব সময় নিজের কাছে থাকে। ছোট ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে গেট-চেক লাগেজ ব্যবহার করুন। এতে সাধারণ লাগেজ ক্লেইমের চেয়ে অনেক কম সময় ব্যয় হবে।
সূত্র: ট্রাভেল+লিজার

ভ্রমণের কথা মাথায় এলে আমরা অনেকেই এমনভাবে পরিকল্পনা করি, যাতে পকেটও বাঁচবে, মনও ভরবে। এ ক্ষেত্রে ভ্রমণের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো বেছে নিতে পারেন। সে দেশগুলোতে ভ্রমণের রোমাঞ্চ পাবেন অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে একেবারে আলাদা। তবে এই ভ্রমণ নিখুঁত ও নিরাপদ করতে ৯টি বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি।
১ ঘণ্টা আগে
১৪ আষাঢ়, রোববার। বিকেল থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফাঁকে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। আমরা তখন ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে নয়, গাড়িতে। গাড়ির ভেতর বাজছিল আষাঢ়ের গান, ‘চলো কোথাও যাই, এই ঝড়-বর্ষায়...’। মুহূর্তেই মনে হলো, শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির কাছে না গেলে যেন আষাঢ় সত্যিকার অর্থে অনুভব করা হবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনার জুজুই প্রদেশের ঐতিহাসিক একটি গ্রাম ভলকান। এখানকার পাহাড়ি উপত্যকা ধরে ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রেলপথ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে এখন চলেছে মসৃণ কাচঘেরা দুই বগির একটি ফিউচারিস্টিক ক্যাপসুল ট্রেন। যাত্রাপথে চারপাশের পাহাড়ি উপত্যকা থেকে ভেসে আসছে বাঁশির সুর।
৭ ঘণ্টা আগে
ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, ‘অ্যান অ্যাপল আ ডে, কিপস দ্য ডক্টর অ্যাওয়ে’। ১৮৬৬ সালের একটি পুরোনো প্রবাদ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯১৩ সালে তৈরি হওয়া এই বহুল প্রচলিত কথাটি আমরা সবাই কম-বেশি শুনেছি। চিকিৎসকের কাছে যাওয়া কমানো না গেলেও, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি আপেল রাখা যে স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী।
১ দিন আগে