ছুটির দিন একটা বিশেষ পদ না হলে চলে? ফ্রিজে খাসির মাংস আছে? তাহলে ধনেপাতাবাটা দিয়ে রেঁধে ফেলুন সুন্দর করে। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।

উপকরণ
মাংস কষানোর জন্য: ঘি ৪ টেবিল চামচ, কালো গোলমরিচ আধা চা-চামচ, এলাচি ৪-৫টি, লবঙ্গ ৪টি, ধনেপাতাবাটা ২ টেবিল চামচ, খাসির মাংস ৫০০ গ্রাম, হলুদের গুঁড়া ১ চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ, আদা ও রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, একটি বড় পেঁয়াজের কুচি।
ঝোলের জন্য: কাঠবাদাম, কাজুবাদাম ও পেস্তাবাদাম ১০টি করে, দই ৩ চা-চামচ, দুধ ১ কাপ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ফ্রেশ ক্রিম ৩ টেবিল চামচ, গরম মসলার গুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি, পুদিনাপাতা।
প্রণালি
চুলায় ঘি গরম করে তাতে মাংস ছাড়া সব মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিতে হবে। তারপর তাতে মাংস দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। পানি দিয়ে ঢেকে মাংস রান্না করে নিতে হবে তেল ওপরে উঠে আসা পর্যন্ত। এবার বাদাম, দুধ আর টকদই একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিয়ে কষানো মাংসে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর এক কাপ পানি দিয়ে মাংস আরও খানিক সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে নামানোর আগে ক্রিম, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া, ধনেপাতা বাটা, পুদিনাপাতা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
৮ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
৯ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
১০ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১০ ঘণ্টা আগে