আজকের পত্রিকা ডেস্ক

স্মার্ট চশমার বাজারে এখনো শীর্ষে অবস্থান করছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা। তবে এবার সেই আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সরাসরি মাঠে নেমেছে চীনা প্রতিষ্ঠান শাওমি। প্রতিষ্ঠানটি এক নজরকাড়া এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন স্মার্ট চশমা উন্মোচন করেছে, যার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি পারফরম্যান্স। যেখানে মেটার রে-বেন এআই চশমা এক চার্জে চলে মাত্র চার ঘণ্টা, শাওমির স্মার্ট চশমাটি সেখানে একটানা ৮.৬ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়—অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি।
চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘হিউম্যান × কার × হোম’ পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে এই স্মার্ট চশমা উন্মোচন করা হয়। চশমাটি একাধারে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ, অবজেক্ট শনাক্তকরণ ও রিয়েল-টাইম অনুবাদের সুবিধা দিচ্ছে। কণ্ঠনির্ভর কমান্ডের মাধ্যমেই এসব কাজ করা যাবে।
চশমাটিতে আছে ১২ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা এবং কোয়ালকমের এআর ১ চিপ, যা চশমার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজগুলো দ্রুত সাড়তে সাহায্য করে। শাওমির নিজস্ব ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘শাওএআই’। এই অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এবং কিউআর স্ক্যান করে পেমেন্ট দেওয়ার মতো কাজ করা যাবে।
শাওমির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাত্র ৪৫ মিনিটেই পুরোপুরি চার্জ হয়ে যাবে এই স্মার্ট চশমা। এতে রয়েছে ২৬৩ এমএএইচ সিলিকন কার্বন ব্যাটারি, যা একটানা ৮ দশমিক ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে এবং স্ট্যান্ডবাই মোডে চলবে প্রায় ২১ ঘণ্টা।
বিশ্বব্যাপী স্মার্ট চশমার বাজারে গত বছর মেটার অংশীদারিত্ব ছিল ৬০ শতাংশের বেশি। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, শাওমির বিস্তৃত ইকোসিস্টেম এবং অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্তির সুবিধা তাদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরছে।
২০২৪ সালে স্মার্ট চশমার বাজার ২১০ শতাংশ বেড়েছে। চলতি বছরেও এই খাতে ৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।
শাওমির নতুন এআই স্মার্ট চশমাটি চলে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ‘ভেলা ওএস’ এবং এতে ব্যবহৃত হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন এআর ১ +চিপসেট, যা এআই-ভিত্তিক প্রসেসিংয়ের জন্য উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। এই স্মার্ট গ্যাজেটে রয়েছে ৪ গিগাবাইট র্যাম ও ৩২ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ, যা স্মার্ট ফিচার ও মিডিয়া ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট।
চশমাটিতে রয়েছে সনি আইএমএক্স ৬৮১ সেন্সরযুক্ত ১২ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা, যা দিয়ে ৪,০৩২ × ৩,০২৪ পিক্সেল রেজল্যুশনের ছবি এবং ২কে রেজল্যুশনে প্রতি সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেম গতিতে ভিডিও ধারণ করা যায়। উন্নত অডিও রেকর্ডিংয়ের জন্য এতে রয়েছে ৫টি বিল্ট-ইন মাইক্রোফোন, যা ‘বোন কনডাকশন’ প্রযুক্তির মাধ্যমে শব্দ সংগ্রহ করে।
চশমাটির গঠনেও এসেছে নতুনত্ব। এর ফ্রেমটি টিআর ৯০ নাইলন দিয়ে তৈরি এবং এতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইটেনিয়াম হিঞ্জ। এর ফলে চশমাটি টেকসই এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার উপযোগী।
সংযোগের দিক থেকেও ডিভাইসটি অত্যাধুনিক। এতে রয়েছে ওয়াইফাই-৬ এবং ব্লুটুথ ৫.৪ কানেক্টিভিটি। এর পাশাপাশি, শাওমি গ্লাসেস অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা মিটিংয়ের সারাংশ দেখতে পারবেন। চশমাটির ক্যামেরা দিয়ে খাবারের উপাদান ও ক্যালরি শনাক্ত করা সম্ভব, এবং ১০ টির বেশি ভাষায় রিয়েল-টাইম অনুবাদ পাওয়া যাবে।
ডিভাইসটি কালো, বাদামি ও সবুজ—এই তিনটি রঙে বাজারে এসেছে। দাম শুরু হচ্ছে ১ হাজার ৯৯৯ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৪ হাজার ৮৯ টাকা) থেকে। এ ছাড়া, এক রঙের ইলেকট্রোক্রোমিক সংস্করণ পাওয়া যাবে ২ হাজার ৬৯৯ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৬ হাজার ২৬ টাকা) এবং বহু রঙের ইলেকট্রোক্রোমিক সংস্করণের দাম রাখা হয়েছে ২ হাজার ৯৯৯ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫১ হাজার ১৪২ টাকা)।

স্মার্ট চশমার বাজারে এখনো শীর্ষে অবস্থান করছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা। তবে এবার সেই আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সরাসরি মাঠে নেমেছে চীনা প্রতিষ্ঠান শাওমি। প্রতিষ্ঠানটি এক নজরকাড়া এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন স্মার্ট চশমা উন্মোচন করেছে, যার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি পারফরম্যান্স। যেখানে মেটার রে-বেন এআই চশমা এক চার্জে চলে মাত্র চার ঘণ্টা, শাওমির স্মার্ট চশমাটি সেখানে একটানা ৮.৬ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়—অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি।
চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘হিউম্যান × কার × হোম’ পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে এই স্মার্ট চশমা উন্মোচন করা হয়। চশমাটি একাধারে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ, অবজেক্ট শনাক্তকরণ ও রিয়েল-টাইম অনুবাদের সুবিধা দিচ্ছে। কণ্ঠনির্ভর কমান্ডের মাধ্যমেই এসব কাজ করা যাবে।
চশমাটিতে আছে ১২ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা এবং কোয়ালকমের এআর ১ চিপ, যা চশমার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজগুলো দ্রুত সাড়তে সাহায্য করে। শাওমির নিজস্ব ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘শাওএআই’। এই অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এবং কিউআর স্ক্যান করে পেমেন্ট দেওয়ার মতো কাজ করা যাবে।
শাওমির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাত্র ৪৫ মিনিটেই পুরোপুরি চার্জ হয়ে যাবে এই স্মার্ট চশমা। এতে রয়েছে ২৬৩ এমএএইচ সিলিকন কার্বন ব্যাটারি, যা একটানা ৮ দশমিক ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে এবং স্ট্যান্ডবাই মোডে চলবে প্রায় ২১ ঘণ্টা।
বিশ্বব্যাপী স্মার্ট চশমার বাজারে গত বছর মেটার অংশীদারিত্ব ছিল ৬০ শতাংশের বেশি। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, শাওমির বিস্তৃত ইকোসিস্টেম এবং অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্তির সুবিধা তাদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরছে।
২০২৪ সালে স্মার্ট চশমার বাজার ২১০ শতাংশ বেড়েছে। চলতি বছরেও এই খাতে ৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।
শাওমির নতুন এআই স্মার্ট চশমাটি চলে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ‘ভেলা ওএস’ এবং এতে ব্যবহৃত হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন এআর ১ +চিপসেট, যা এআই-ভিত্তিক প্রসেসিংয়ের জন্য উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। এই স্মার্ট গ্যাজেটে রয়েছে ৪ গিগাবাইট র্যাম ও ৩২ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ, যা স্মার্ট ফিচার ও মিডিয়া ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট।
চশমাটিতে রয়েছে সনি আইএমএক্স ৬৮১ সেন্সরযুক্ত ১২ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা, যা দিয়ে ৪,০৩২ × ৩,০২৪ পিক্সেল রেজল্যুশনের ছবি এবং ২কে রেজল্যুশনে প্রতি সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেম গতিতে ভিডিও ধারণ করা যায়। উন্নত অডিও রেকর্ডিংয়ের জন্য এতে রয়েছে ৫টি বিল্ট-ইন মাইক্রোফোন, যা ‘বোন কনডাকশন’ প্রযুক্তির মাধ্যমে শব্দ সংগ্রহ করে।
চশমাটির গঠনেও এসেছে নতুনত্ব। এর ফ্রেমটি টিআর ৯০ নাইলন দিয়ে তৈরি এবং এতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইটেনিয়াম হিঞ্জ। এর ফলে চশমাটি টেকসই এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার উপযোগী।
সংযোগের দিক থেকেও ডিভাইসটি অত্যাধুনিক। এতে রয়েছে ওয়াইফাই-৬ এবং ব্লুটুথ ৫.৪ কানেক্টিভিটি। এর পাশাপাশি, শাওমি গ্লাসেস অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা মিটিংয়ের সারাংশ দেখতে পারবেন। চশমাটির ক্যামেরা দিয়ে খাবারের উপাদান ও ক্যালরি শনাক্ত করা সম্ভব, এবং ১০ টির বেশি ভাষায় রিয়েল-টাইম অনুবাদ পাওয়া যাবে।
ডিভাইসটি কালো, বাদামি ও সবুজ—এই তিনটি রঙে বাজারে এসেছে। দাম শুরু হচ্ছে ১ হাজার ৯৯৯ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৪ হাজার ৮৯ টাকা) থেকে। এ ছাড়া, এক রঙের ইলেকট্রোক্রোমিক সংস্করণ পাওয়া যাবে ২ হাজার ৬৯৯ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৬ হাজার ২৬ টাকা) এবং বহু রঙের ইলেকট্রোক্রোমিক সংস্করণের দাম রাখা হয়েছে ২ হাজার ৯৯৯ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫১ হাজার ১৪২ টাকা)।

বাইরের পৃথিবীতে হাসিমুখে থাকা কিংবা অন্যদের হাসানো আমাদের অনেকের কাছে খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু দিন শেষে নিজের আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো মাঝে মাঝে বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সাধারণত পরিবারকে এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় ভাবি, যেখানে আমাদের সব ধরনের আবেগ, রাগ বা বিরক্তি সরাসরি প্রকাশ করে
১ ঘণ্টা আগে
অনেকে মনে করেন, ভাগ্য হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু বাস্তবে ভাগ্য তৈরি হয় আমাদের অভ্যাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আচরণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমায় কাজ করছিলেন সুতোমু ইয়ামাগুচি। সেদিন ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরিত হয় ঠিক তাঁর সামনেই।
২ ঘণ্টা আগে
শীতে বাড়িতে কোনো না কোনো স্য়ুপ তো তৈরি করছেনই। খাওয়ার সময় একটা জিনিসই মিস করছেন, তা হলো অনথন। ইতস্তত না করে বাড়িতে এবার বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু এই খাবার।
৪ ঘণ্টা আগে
কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
৮ ঘণ্টা আগে