পাহাড়প্রেমী ভোজনরসিকদের খাবারের তালিকায় অনিবার্য হয়ে উঠেছে সুস্বাদু ব্যাম্বু চিকেন বা বাঁশ-মুরগি। পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় এ রেসিপি এখন পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা বাঁশের ভেতর এটি রান্নার পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
পাহাড়ের মানুষের খাদ্যতালিকায় ব্যাম্বু চিকেন ওপরের দিকের খাবার। কাঁচা বাঁশের দারুণ ফ্লেভার বিমোহিত করে ভোজনরসিকদের।
উপকরণ
বিশেষ ধরনের কাঁচা বাঁশ, মোরগ ১ কেজি, গরমমসলা ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম, রসুন ১ চা-চামচ, জুমের কাঁচা মরিচ ৫০ গ্রাম, আদা ১ চা-চামচ, হলুদ-লবণ পরিমাণমতো, কাঁচা পেঁয়াজকুচি ২ থেকে ৩টি, সাবরাংপাতা। এটি না দিলেও চলবে।
প্রণালি
দেশি মোরগের মাংস হলে ভালো হয়। মুরগি হলে স্বাদ একটু কমে যায়। প্রথমে মাংস ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। মাংসের সঙ্গে সব মসলা মেখে ২০ মিনিটের মতো রেখে দিতে হবে। ভালোভাবে মিশে গেলে মেরিনেট করা মাংস বাঁশের ভেতর ঢুকিয়ে কলাপাতা দিয়ে ভালো করে বাঁশের মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। জ্বলন্ত কাঠের আগুনে মাংস ভরা বাঁশটি ৩০ থেকে ৪০ মিনিট রাখতে হবে। বাঁশ হালকা পোড়া পোড়া হওয়ার পর আগুন থেকে বাঁশ বের করে নিতে হবে। এরপর বাঁশের ভেতর থেকে রান্না হওয়া মাংস বের করে গরম-গরম পরিবেশন করতে হবে।

ধরুন আলমারিতে লাল রঙের দুটি শাড়ি আছে। তবে আপনার আরও একটি শাড়ি ভালো লেগেছে, যা লাল রঙেরই। কিনবেন? আবার ধরুন আপনার বাড়ির দুই গলি পরই একটি স্কুল আছে, আপনার আদরের সন্তানটিকে সেখানে ভর্তি করাবেন। তবে সেই স্কুলটি কাছে হলেও লেখাপড়া সেখানে খুব একটা ভালো হয় না। তাহলে কোথায় ভর্তি করাবেন?
২ ঘণ্টা আগে
চশমা পরেন বলে অনেকেই সাজগোজ করতে কিছুটা আড়ষ্ট বোধ করেন। আবার অনেকেই সেজেগুজে ছবি তোলার সময় টুক করে চশমা খুলে ছবি তোলেন। কিন্তু চশমা পরে সেজেগুজে সুন্দর লাগাতে পারাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। তাই চশমা পরা মানেই সাজগোজের আনন্দ মাটি নয়। বরং সঠিক মেকআপ কৌশলে চশমার ফ্রেম আপনার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার শরীরের রক্ত গরম হয়ে থাকবে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনে হবে যেন অলিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ে সোনা জেতার ক্ষমতা আপনার আছে, যদিও বাস্তবে বিছানা থেকে নামতেই আপনার হাঁটুতে কটকট শব্দ হতে পারে। অফিসে বসের কোনো ছোট সমালোচনা শুনলেই আপনার ভেতরের ড্রাগন জেগে উঠতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার প্রতীক বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ইউক্যালিপটাসগাছের ডালে গুটিসুটি হয়ে বসে থাকা আদুরে প্রাণী কোয়ালা। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এই প্রাণীরা এক ভয়াবহ অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। একদিকে বন উজাড় আর জলবায়ু পরিবর্তন, অন্যদিকে ‘ক্ল্যামাইডিয়া’ (Chlamydia) নামক এক মরণব্যাধি। যে রোগ তাদের বিলুপ্তির পথে
৬ ঘণ্টা আগে