
এখনকার বিকেলগুলো বেশ ভয়ংকর হয়ে উঠেছে! একে তো পৌষ মাস। দুপুরের পর থেকেই মনে হয়, এই শীতে ধরল! তার ওপর আছে চোখ আর নাকে দর্শন ও ঘ্রাণজনিত অত্যাচার। পাড়ার মোড়ে মোড়ে কেমন বেকুবের মতো বসে গেছে চটপটির গাড়ি

উৎসব ও আয়োজনে হেঁশেলে নানান পদের খাবার ও পানীয় তৈরি হয়। তবে সুস্বাদু খাবার রান্না করাই এখন আর শেষ কথা নয়। সুদৃশ্য থালাবাটিতে সেসব খাবার পরিবেশন করাটাও এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

পশ্চিম সীমারেখায় সাগরের পানিতে ডুবে যাচ্ছে টকটকে লাল সূর্য। আর আপনি গরম কাপড় গায়ে বিশাল ছাতার তলায় কাঠের চেয়ারে আধশোয়া হয়ে মনের সুখে খাচ্ছেন সামুদ্রিক কোনো মাছ ভাজা। সাগর সৈকতে গেলে, বিশেষ করে কুয়াকাটায় গেলে এখন এমন দৃশ্য হামেশা চোখে পড়বে যে কারও।

ভৈরব কমলপুর আমলাপাড়ার সুধন মিষ্টি ভান্ডার। সাইনবোর্ড, ব্যানারহীন এ দোকানটির নাম জানে শুধু এখানকার স্থানীয় মানুষজনই। বাইরের মানুষ চেনে স্টেশনের মিষ্টির দোকান হিসেবে। প্রায় ষাট বছর ধরে চলে আসা এই দোকানের ঝাঁপ বন্ধ থাকে দিনের বেশির ভাগ সময়।