
টান টান উত্তেজনা, গ্যালারিজুড়ে হাজারো দর্শকের গর্জন আর মাঠের সবুজ ঘাসে বল দখলের লড়াই। সাত সকালে ফুটবল বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ জমিয়ে তুলতে সঙ্গে রাখুন ঐতিহ্যবাহী ম্যাক্সিকান কফি। মেক্সিকোর শত বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী এই কফির নাম ক্যাফে দে ওল্লা। সব উপাদান ঘরে থাকলে তো ভালোই হলো, না থাকলে আপনার ঘরে থাকা চা-কফিই হোক আপনার শেষ ভরসা।
পানি ৮ কাপ, গাঢ় বা মিডিয়াম ডার্ক রোস্টের কফি বিনের মাঝারি থেকে মোটা গুঁড়া ৪ থেকে ৫ টেবিল চামচ, আখের গুড় প্রায় ২২৫ গ্রাম, দারুচিনি ১টি বড় স্টিক, স্টার অ্যানিস বা মৌরি ফুল ১টি, লবঙ্গ ২ থেকে ৩টি। সম্ভব হলে দেশি দারুচিনির বদলে তুলনামূলক হালকা ও সুগন্ধি ম্যাক্সিকান ক্যানিলা দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া গুড় না থাকলে ভালো মানের ডার্ক ব্রাউন সুগার ব্যবহার করতে পারেন।
এই পরিমাপকে ধরে আপনি কাপের সংখ্যা কমবেশি হলে উপকরণ ঠিক করে নিন।
প্রথমে একটি সসপ্যানে ৮ কাপ পানি নিন এবং মাঝারি আঁচে গরম করতে দিন। এবার পানিতে দারুচিনি, স্টার অ্যানিস, লবঙ্গ এবং পিলনসিলোঁ বা গুড় দিয়ে দিন। গুড় সম্পূর্ণ গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি গলে গেলে মিশ্রণটি ভালোমতো ফুটিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে চুলার আঁচ পুরোপুরি বন্ধ করে দিন। চুলা বন্ধ করার পর কফির গুঁড়া পানির মিশ্রণে দিয়ে দিন এবং আলতো করে নেড়ে দিন। এরপর পাত্রটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫-৬ মিনিট কফি ভালোভাবে ভিজতে দিন। তারপর ছাঁকনি দিয়ে কফি ছেঁকে কাপে ঢালুন এবং গরম-গরম উপভোগ করুন।
ম্যাক্সিকান সংস্কৃতিতে ক্যাফে দে ওল্লা শুধু একটি পানীয় নয়, এটি একটি আবেগ এবং শত বছরের পুরোনো ঐতিহ্য। এই কফির প্রধান বিশেষত্ব লুকিয়ে আছে এর তৈরিকরণ পদ্ধতিতে। মেক্সিকোর গ্রামীণ অঞ্চলের রান্নাঘরে কাঠ বা কয়লার আগুনের ওপর ওল্লা দে বারো নামে একটি বিশেষ ধরণের মাটির পাত্রে এটি তৈরি করা হয়। মাটির পাত্রে তৈরি করার কারণে কফিতে চমৎকার মাটির সোঁদা গন্ধ এবং অনন্য স্বাদ যুক্ত হয়। এতে সাধারণ পরিশোধিত চিনি ব্যবহার করা হয় না। আখের রস জ্বাল দিয়ে তৈরি পিলনসিলোঁ বা গুড় ব্যবহার করা হয়। এই গুড় কফিতে ক্যারামেল এবং চিটাগুড়ের মতো একটি গভীর স্বাদ এনে দেয়। ম্যাক্সিকান পরিবারগুলোতে সকালের নাশতার টেবিলে বা শীতের দিনে আড্ডা দেওয়ার সময় এই কফি তৈরি করা অত্যন্ত সাধারণ একটি দৃশ্য। এটি মেক্সিকোর সংস্কৃতি, নস্টালজিয়া এবং আতিথেয়তার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
সূত্র: টেস্ট এটলাস

ফুটবল দল হিসেবে অনেকেরই প্রিয় মেক্সিকো। খুব কম হলেও মেক্সিকান খাবারের চল আছে আমাদের দেশে, বিশেষ করে ঢাকা শহরে। সালসা মেক্সিকোর একটি সসজাতীয় খাবার। এটির সঙ্গে মিশিয়ে বিভিন্ন খাবার খাওয়া হয়। দুটি জনপ্রিয় মেক্সিকান খাবার সালসা অ্যান্ড চিপস এবং ম্যাঙ্গো সালসা। মেক্সিকান রান্নায় সালসার ব্যবহার বেশ...
৩ ঘণ্টা আগে
সুইডেনের বিপক্ষে মাঠে নামতে চলেছে জাপান। বিশ্বের কোটি দর্শক সামুরাই ব্লুদের খেলা দেখার অপেক্ষায়। আপনি ফুটবলে জাপানের সমর্থক হোন বা না হোন, সমস্যা নেই। কিন্তু জাপানের খাবারের ভক্ত হয়ে যেতে পারেন যেকোনো সময়। বিচিত্র স্বাদের জন্য বিশ্বজুড়ে জাপানিজ খাবার এখন বেশ জনপ্রিয়। চাইলে বাড়িতেই বানিয়ে নেওয়া...
১৮ ঘণ্টা আগে
এক অপার সৌন্দর্যভূমি বান্দরবানের থানচি। পাহাড়, নদী আর পাথরের এক অনন্য মেলবন্ধনে গড়ে উঠেছে এই পাহাড়ি জনপদ। দুই পাহাড়ের বুক চিরে আপন গতিতে বয়ে চলা সাঙ্গু নদী যেন এক জীবন্ত ক্যানভাস। আর সেই রুপালি নদীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পাথরের দেশের এক মুকুটধারী রাজা।
১ দিন আগে
বর্ষাকালে ভ্রমণে কোথায় যাওয়া যায়, সে কথা ভাবছেন? তাহলে এই লেখা আপনার জন্য। বর্ষাকালে বাংলাদেশের কিছু কিছু জায়গা যৌবন ফিরে পায় এবং সৌন্দর্যের ঝাঁপি মেলে ধরে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক বর্ষাকালে দেশে ভ্রমণের সেরা দশ দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে।
১ দিন আগে