
মেসিপ্রেমীরা জীবনে একবার হলেও যে মেসির সঙ্গে হ্যান্ডশেক করতে চান, সেটা কে না জানে। তেমনি অনেকেই আছেন জীবনে একবার হলেও আর্জেন্টিনায় ঘুরতে যেতে চান। এই দেশটি মনোরম প্রকৃতির জন্য সুপরিচিত। কিন্তু জানেন কি? সেখানকার খাবারের প্রেমেও পড়ে যেতে পারে যে কেউ! নরম স্টেক থেকে শুরু করে ক্যারামেল ভরা কুকি, খাদ্যপ্রেমীদের জন্য আর্জেন্টিনা এক স্বপ্নের দেশ। জেনে নিন, আর্জেন্টিনায় গেলে যে কটি খাবার চেখে দেখতে হবে, সেগুলোর প্রাথমিক তথ্য।
আর্জেন্টিনা রসালো এবং নরম স্টেকের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। বিশ্বের এক নম্বর স্টেক হাউসটি বুয়েনস আইরেসে অবস্থিত বলে শোনা যায়। কিন্তু সেখানে রিজার্ভেশন পাওয়া খুব কঠিন এবং এর জন্য কয়েক মাস মাস আগে থেকে চেষ্টা করতে হয় বুকিংয়ের। তবে হ্যাঁ, যদি সেখানে যেতে না পারেন, তবে চিন্তা করবেন না! সারা দেশে আরও অনেক চমৎকার স্টেক হাউস রয়েছে! স্টেক হাউস খোঁজার সময়, আপনি পারিলা বা আসাদো শব্দগুলো শুনতে বা পড়তে পারেন। পারিলা হলো মাংস রান্না করার জন্য ব্যবহৃত গ্রিল এবং আসাদো মানে গ্রিল করা। আসাদো শব্দটি রান্নার কৌশল এবং অনুষ্ঠান উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি বারবিকিউ শব্দটির মতো, যা রান্নার কৌশল বা অনুষ্ঠান উভয়ই হতে পারে।
আর্জেন্টিনায় ইতালীয় প্রভাব অনেক বেশি। সেই ১৮৫০ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে ইতালির অভিবাসীরা উপস্থিত হয়েছিলেন আর্জেন্টিনায়। আসার সময় তাঁরা তাঁদের পাস্তা ও পাস্তা রান্নার কৌশলও নিয়ে এসেছিলেন সঙ্গে করে। ইতালির পাস্তার সেই স্বাদ দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে আর্জেন্টিনায় এবং আর্জেন্টিনার মানুষ তাকে আপন করে নেয়। ফলে দেশটিতে, বিশেষ করে বুয়েনস আইরেসে কিছু অসাধারণ পাস্তার রেস্তোরাঁ খুঁজে পাওয়া যায়।
আপনি যদি পাতাগোনিয়ায় যান, তবে আপনাকে অবশ্যই ভেড়ার মাংস খেতে হবে! সেখানকার ভেড়ার মাংসের স্বাদ অতুলনীয়। যাঁরা মাংস খেতে তেমন পছন্দ করেন না, তাঁরাও সেখানকার ভেড়ার মাংস চেখে দেখতে ভোলেন না। সেখানকার ভেড়ার মাংস এতটাই নরম যে আপনি চামচ দিয়ে এটি কাটতে পারবেন। আপনি যদি মাংসের বড় টুকরো খেতে পছন্দ না করেন, তবে এই মাংস দিয়ে তৈরি পাস্তা বা স্টু খেলেও স্বাদটা বুঝতে পারবেন নিশ্চিত।
পনিরপ্রেমীদের এই খাবার দারণ পছন্দ হবে। প্রোভোলেটা হলো প্রোভোলোন পনির, যা গ্রিলের ওপর গলিয়ে নেওয়া হয়। এটি স্টেক হাউসগুলোতে একটি জনপ্রিয় অ্যাপেটাইজার। এক থেকে দেড় ইঞ্চি পুরু প্রোভোলোন পনিরের টুকরো, অলিভ অয়েল, শুকনো অরিগানো এবং চিলি ফ্লেকস দিয়ে তৈরি এ খাবারটা বারবিকিউয়ের সাইড ডিশ হিসেবেও খাওয়া যায়।
আর্জেন্টিনায় পা রেখে যদি দেখেন দেশীয় পুলি পিঠা আপনার দিকে তাকিয়ে আছে, তাহলে বিস্মিত না হয়ে চেখে দেখুন। এর নাম এম্পানাদাস। এটি দেখতে আমাদের দেশের পুলি পিঠার মতো। তবে এর স্বাদ মিষ্টি নয়, ঝাল। ভেতরে মাংস, সবজি বা পনির ভরা এই খাবার স্ন্যাকস হিসেবে সেরা। বিশ্বের অনেক দেশেই এম্পানাদাস এর নিজস্ব সংস্করণ রয়েছে। ভেতরে গরম পুর ভরা মুচমুচে এ খাবারটি আর্জেন্টিনার অন্যতম প্রধান খাবার। আর্জেন্টিনায় গেলে এটি অবশ্যই চেখে দেখবেন।
আপনি যদি আর্জেন্টিনা ভ্রমণ করেন এবং আলফাজোরেস না খান, তবে দারুণ কিছু হাতছাড়া করবেন— এটা বলাই যায়। দুটি নরম কুকির মাঝে দেওয়া থাকে পুর। সেই পুরে ভরা কুকি আবার ডুবানো হয় মিল্ক, ডার্ক বা হোয়াইট চকলেটে। আর্জেন্টিনায় গেলে আলফাজোরেস অবশ্যই খাবেন অথবা পরে উপভোগ করার জন্য বাড়িতে নিয়ে আসবেন!
মিডিয়ালুনাস আর্জেন্টিনার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী পেস্ট্রি। এর আক্ষরিক অর্থ ‘অর্ধচন্দ্র’। দেখতে ফরাসি ক্রঁসার মতো হলেও এগুলো আকারে ছোট, মিষ্টি এবং এর ভেতরের অংশ কিছুটা পাউরুটির মতো নরম হয়। মাখনও থাকে অনেকটা বেশি।
সূত্র: শর্ট গার্ল অন ট্য়ুর
ছবি: সংগৃহীত

বিজ্ঞান ও মানব সভ্যতার ইতিহাস বলে, শিল্পবিপ্লবের আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের ঘুমের ধরন আজকের মতো আট ঘণ্টার একটানা বা ছাঁচে ফেলা ছিল না। তানজানিয়ার হাদজা, বলিভিয়ার সিমানে কিংবা নামিবিয়ার সান সম্প্রদায়ের মতো আধুনিক শিকারি-সংগ্রাহক মানুষদের জীবনযাত্রা বিভিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন গবেষকেরা। তাঁরা...
৩ ঘণ্টা আগে
ক্যালরি মাপার ঝামেলা ছাড়াই যদি ঝটপট, স্বাস্থ্যকর অথচ জিবে জল আনা কোনো নাশতার খোঁজ করে থাকেন, তবে মিক্সড স্প্রাউটস বা অঙ্কুরিত শস্য হতে পারে আপনার জন্য এক অনন্য বিকল্প। আর সেই স্প্রাউটস দিয়ে যদি তৈরি হয় ভূমধ্যসাগরীয় স্বাদের মেডিটেরেনিয়ান-ইনস্পায়ার্ড মিক্সড স্প্রাউটস ফালাফেল, তবে তো কথাই নেই! এটি...
৫ ঘণ্টা আগে
সকালের বেঁচে যাওয়া বাসি রুটি অনেক সময় আমরা খাওয়ার অনুপযোগী ভেবে ফেলে দিই কিংবা গৃহপালিত পশুকে খাইয়ে দিই। কিন্তু জেনে নিন, এই বাসি রুটিই হতে পারে আপনার ঝকঝকে ও প্রাণবন্ত ত্বকের রহস্য? রাসায়নিকযুক্ত দামি কসমেটিকসের পেছনে হাজার টাকা খরচ না করে বাসি রুটি দিয়ে ঘরে বসেই সুন্দরভাবে ত্বকের যত্ন নিতে...
১৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাজার থেকে দুটি ৮০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ (প্রতিটি ১,২০০ টাকা দরে) কিনেছিলেন নারায়ণ চন্দ্র। চলতি মৌসুমে এটাই ছিল তাঁর প্রথম ইলিশ কেনা। রাতে পাতে প্রিয় মাছটির স্বাদের কথা মনে মনে কল্পনাও করছিলেন তিনি...
১৯ ঘণ্টা আগে