নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাদল দিনে শুধু যে বৃষ্টির শব্দ শুনে আর বৃষ্টি দেখে সময় কাটে, তা তো নয়। ভেজা আবহাওয়ার সঙ্গে হরমোনের দারুণ যোগাযোগ আছে বলে, এই সময়টাতে খেতে ইচ্ছে করে মুখরোচক খাবার। যেমন, খিচুড়ি। তবে খিচুড়ি তো আর এমনি এমনি খেতে ভালো লাগে না। তাই রান্না করতে হবে দারুণ সব অনুষঙ্গ। আচারী মসলায় গরুর মাংস বা আচারী বিফ এবং ভেটকি মাছের পাতুরি হতে পারে খিচুড়ি খাওয়ার দুর্দান্ত অনুষঙ্গ।
আচারী বিফ
নিশ্চয়ই ঈদের মাংস এখনো শেষ হয়নি। সেগুলো কাজে লাগিয়ে রেঁধে ফেলুন আচারী বিফ। বলে রাখা ভালো, আচারের তেল দিয়ে এ মাংস রান্না করা হয় না বা রান্নার সময় মাংসে আচারও দেওয়া হয় না। আমের আচার বানাতে যে মসলা ব্যবহার করা হয়, এ মাংস রান্না করতে সেই মসলা ব্যবহার করা হয় বলে একে আচারী বিফ বলে।
আরও বলে রাখা ভালো, ঝাল ও লবণ কিন্তু একেবারে আপনার জিভের স্বাদ অনুসারে ব্যবহার করবেন। অর্থাৎ উপকরণে এগুলোর যে পরিমাণের কথা উল্লেখ আছে আপনাকে সে পরিমাণই ব্যবহার করতে হবে, এমনটি নয়।
উপকরণ
গরুর মাংস ১ কেজি
পাঁচফোড়ন ও মরিচ গুঁড়া ২ চা-চামচ
আদা ও রসুন বাটা
হলুদ ও জিরা গুঁড়া
আস্ত জিরা ১ চা-চামচ
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
এলাচ ৪টা
দারুচিনি ২ থেকে ৩ টুকরা
তেজপাতা ও টমেটো ২টা করে
টকদই ১ কাপ
লবণ স্বাদমতো
সরিষার তেল ১ কাপ
প্রণালি
প্যানে তেল দিয়ে পাঁচফোড়ন, আস্ত জিরা, তেজপাতা ও গরম মসলার ফোড়ন দিন। এরপর একে একে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে সামান্য পানি দিন। আগে থেকে ছোট করে কেটে রাখা টমেটো যোগ করুন। মসলা কষানো হলে মাংস দিন। অল্প আঁচে সময় নিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট কষিয়ে পানি দিয়ে দিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট রান্না করুন।
এবার ফেটানো টক দই যোগ করুন । মাংস সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। গরম-গরম পরিবেশন করুন খিচুড়ি, সাদা ভাত, পোলাও কিংবা পরোটার সঙ্গে।
রেসিপি ও ছবি: নাদিয়া নাতাশা
ভেটকি মাছের পাতুরি
উপকরণ
ভেটকি ফিলেট ৪ থেকে ৫টি
সরিষা বাটা ২ টেবিল চামচ
পোস্ত বাটা ১ টেবিল চামচ
নারকেল বাটা আধ কাপ
কাঁচা মরিচ বাটা স্বাদমতো
হলুদ গুঁড়া ২ চা–চামচ
লবণ স্বাদমতো
সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ
লেবুর রস ১ চা-চামচ
কলাপাতা
প্রণালি
ভেটকির ফিলেটগুলো ধুয়ে লবণ, হলুদ ও লেবুর রস মাখিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। ফিলেটের সংখ্যা যত কলাপাতাও ততটুকরো নেবেন। কলাপাতা ধুয়ে ছোট করে কেটে নিন। এবার গরম পানিতে ৫ থেকে ৭ মিনিট ডুবিয়ে রেখে নরম করে নিতে হবে পাতাগুলো। একটি বাটিতে সরিষা, পোস্ত, নারকেল, কাঁচা মরিচ বাটা ঢেলে তার সঙ্গে পরিমাণমতো লবণ, সরষের তেল, হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিন।
এবার একটা প্লেটে কলা পাতা বিছিয়ে তার ওপর তৈরি করে নেওয়া মসলার ১ চামচ মিশ্রণ দিন। তার ওপরে মাছের টুকরো দিয়ে আরও কিছুটা মসলা দিয়ে দিন। সব শেষে দিন ফালি করা কাঁচা মরিচ। আর ওপরে ছড়িয়ে দিন অল্প সরিষার তেল। এবার কলাপাতাগুলো মুড়ে সুতো দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। একই ভাবে অন্যান্য ফিলেটগুলোও তৈরি করে বেঁধে নিন।
চুলায় ননস্টিক ফ্রাইপ্যান বসিয়ে তাতে সামান্য সরিষার তেল ব্রাশ করে নিন। এবার প্যান গরম হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে কলাপাতায় মোড়ানো ফিলেটগুলো সাজিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। একেবারে ঢিমে আঁচে ১০ মিনিট মতো রেখে দিন। এরপর উল্টে ফিলেটের অন্য পাশটিও ১০ মিনিট রান্না করুন।
এবার নামিয়ে গরম খিচুড়ি কিংবা ঝরঝরে সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
রেসিপি: অদিতি আহমেদ

বাদল দিনে শুধু যে বৃষ্টির শব্দ শুনে আর বৃষ্টি দেখে সময় কাটে, তা তো নয়। ভেজা আবহাওয়ার সঙ্গে হরমোনের দারুণ যোগাযোগ আছে বলে, এই সময়টাতে খেতে ইচ্ছে করে মুখরোচক খাবার। যেমন, খিচুড়ি। তবে খিচুড়ি তো আর এমনি এমনি খেতে ভালো লাগে না। তাই রান্না করতে হবে দারুণ সব অনুষঙ্গ। আচারী মসলায় গরুর মাংস বা আচারী বিফ এবং ভেটকি মাছের পাতুরি হতে পারে খিচুড়ি খাওয়ার দুর্দান্ত অনুষঙ্গ।
আচারী বিফ
নিশ্চয়ই ঈদের মাংস এখনো শেষ হয়নি। সেগুলো কাজে লাগিয়ে রেঁধে ফেলুন আচারী বিফ। বলে রাখা ভালো, আচারের তেল দিয়ে এ মাংস রান্না করা হয় না বা রান্নার সময় মাংসে আচারও দেওয়া হয় না। আমের আচার বানাতে যে মসলা ব্যবহার করা হয়, এ মাংস রান্না করতে সেই মসলা ব্যবহার করা হয় বলে একে আচারী বিফ বলে।
আরও বলে রাখা ভালো, ঝাল ও লবণ কিন্তু একেবারে আপনার জিভের স্বাদ অনুসারে ব্যবহার করবেন। অর্থাৎ উপকরণে এগুলোর যে পরিমাণের কথা উল্লেখ আছে আপনাকে সে পরিমাণই ব্যবহার করতে হবে, এমনটি নয়।
উপকরণ
গরুর মাংস ১ কেজি
পাঁচফোড়ন ও মরিচ গুঁড়া ২ চা-চামচ
আদা ও রসুন বাটা
হলুদ ও জিরা গুঁড়া
আস্ত জিরা ১ চা-চামচ
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
এলাচ ৪টা
দারুচিনি ২ থেকে ৩ টুকরা
তেজপাতা ও টমেটো ২টা করে
টকদই ১ কাপ
লবণ স্বাদমতো
সরিষার তেল ১ কাপ
প্রণালি
প্যানে তেল দিয়ে পাঁচফোড়ন, আস্ত জিরা, তেজপাতা ও গরম মসলার ফোড়ন দিন। এরপর একে একে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে সামান্য পানি দিন। আগে থেকে ছোট করে কেটে রাখা টমেটো যোগ করুন। মসলা কষানো হলে মাংস দিন। অল্প আঁচে সময় নিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট কষিয়ে পানি দিয়ে দিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট রান্না করুন।
এবার ফেটানো টক দই যোগ করুন । মাংস সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। গরম-গরম পরিবেশন করুন খিচুড়ি, সাদা ভাত, পোলাও কিংবা পরোটার সঙ্গে।
রেসিপি ও ছবি: নাদিয়া নাতাশা
ভেটকি মাছের পাতুরি
উপকরণ
ভেটকি ফিলেট ৪ থেকে ৫টি
সরিষা বাটা ২ টেবিল চামচ
পোস্ত বাটা ১ টেবিল চামচ
নারকেল বাটা আধ কাপ
কাঁচা মরিচ বাটা স্বাদমতো
হলুদ গুঁড়া ২ চা–চামচ
লবণ স্বাদমতো
সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ
লেবুর রস ১ চা-চামচ
কলাপাতা
প্রণালি
ভেটকির ফিলেটগুলো ধুয়ে লবণ, হলুদ ও লেবুর রস মাখিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। ফিলেটের সংখ্যা যত কলাপাতাও ততটুকরো নেবেন। কলাপাতা ধুয়ে ছোট করে কেটে নিন। এবার গরম পানিতে ৫ থেকে ৭ মিনিট ডুবিয়ে রেখে নরম করে নিতে হবে পাতাগুলো। একটি বাটিতে সরিষা, পোস্ত, নারকেল, কাঁচা মরিচ বাটা ঢেলে তার সঙ্গে পরিমাণমতো লবণ, সরষের তেল, হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিন।
এবার একটা প্লেটে কলা পাতা বিছিয়ে তার ওপর তৈরি করে নেওয়া মসলার ১ চামচ মিশ্রণ দিন। তার ওপরে মাছের টুকরো দিয়ে আরও কিছুটা মসলা দিয়ে দিন। সব শেষে দিন ফালি করা কাঁচা মরিচ। আর ওপরে ছড়িয়ে দিন অল্প সরিষার তেল। এবার কলাপাতাগুলো মুড়ে সুতো দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। একই ভাবে অন্যান্য ফিলেটগুলোও তৈরি করে বেঁধে নিন।
চুলায় ননস্টিক ফ্রাইপ্যান বসিয়ে তাতে সামান্য সরিষার তেল ব্রাশ করে নিন। এবার প্যান গরম হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে কলাপাতায় মোড়ানো ফিলেটগুলো সাজিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। একেবারে ঢিমে আঁচে ১০ মিনিট মতো রেখে দিন। এরপর উল্টে ফিলেটের অন্য পাশটিও ১০ মিনিট রান্না করুন।
এবার নামিয়ে গরম খিচুড়ি কিংবা ঝরঝরে সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
রেসিপি: অদিতি আহমেদ

ভ্রমণ জগতে কত রকমের যে গন্তব্য বা ডেস্টিনেশনের তালিকা হয় বছর ভর, তার হিসাব রাখা সত্যি অসম্ভব। পৃথিবীর সেরা ১০ গন্তব্য কিংবা পৃথিবীর সেরা নিরাপদ শহর বা দেশ অথবা পৃথিবীর সেরা পরিচ্ছন্ন দেশ ইত্যাদির তালিকা হালনাগাদ হতে থাকে বছরভর। বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং পত্রপত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিন এসব তালিকা করে থাকে...
৮ ঘণ্টা আগে
বারো মাসই উত্তরবঙ্গের যেকোনো জেলা ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে আলাদা অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়। যাঁরা শীত উপভোগ করতে চান, তাঁরা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারেন। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় পুরো রংপুর বিভাগ অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে।...
১০ ঘণ্টা আগে
পাখিদের কলরবে মুখরিত চারপাশ। মূল সড়ক থেকেই দেখা যাচ্ছিল পাখিদের। আমরা গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম পাখিদের কর্ম তৎপরতা। বেশ ভালোই লাগছিল। পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করে ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু মনমতো ছবি তোলা হলো না। ড্রাইভার বললেন, আরেকটু সামনে গেলে হয়তো আরও পাখির দেখা পাওয়া যাবে...
১২ ঘণ্টা আগে
পৃথিবী এখন আর দুই বছর আগের মতো নেই। বিভিন্ন দেশে নানা মেরুকরণ চলছে। সেই সঙ্গে একদিকে চলছে অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক উত্তেজনা; অন্যদিকে বিভিন্ন দেশে চলছে ভ্রমণ থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর বিপুল আয়োজন। সে জন্য নতুন করে ভিসা শিথিলসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালু করেছে তারা। ফলে নতুন বছরে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক...
১৪ ঘণ্টা আগে