দ্বাদশ ‘ফটোফি বর্ষসেরা আলোকচিত্রী পুরস্কার’ (২০২২) পেয়েছেন আলোকচিত্রী মনন মুনতাকা। ‘টেক্সচার অ্যান্ড মিক্সচার’ শিরোনামের ফাইন-আর্ট ফটোগ্রাফির জন্য তিনি এ পুরস্কার অর্জন করেন।
২০২১ সালে মনন মুনতাকা দিনাজপুর ভ্রমণ করেন। সেসময় তিনি স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে দেখা ও কথা বলার সুযোগ পান। শুরু করেন অডিওভিজ্যুয়াল মাধ্যমে ওঁড়াও, মারোয়াড়ি এবং বিহারিদের জীবন নথিভুক্ত করা। ২০২৩ সালের মার্চে তিনি কাজটি সম্পন্ন করেন। সেই কাজেরই শিরোনাম ‘টেক্সচার অ্যান্ড মিক্সচার’।
শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারের দিলু রোডে অবস্থিত ফটোফি একাডেমি অব ফাইন–আর্ট ফটোগ্রাফির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মননের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আলোকচিত্রী শফিকুল আলম কিরণ। আরও উপস্থিত ছিলেন পুরস্কার বিজয়ী নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রধান মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান, ফটোফির সহ–প্রতিষ্ঠাতা সুদীপ্ত সালাম প্রমুখ।
ফটোফির সমন্বয়ক শিশির চৌধুরী বলেন, ‘উদীয়মান মেধাবী ও সৃজনশীল তরুণ আলোকচিত্রীদের উৎসাহিত করতে ২০১১ সাল থেকে আমরা এই পুরস্কার দিচ্ছি। দেশে ফাইন–আর্ট আলোকচিত্র চর্চাকে উৎসাহিত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা গর্বিত কোনো পৃষ্ঠপোষক ছাড়াই সফলতার সঙ্গে এক যুগ অতিক্রম করতে পেরেছি বলে।’
এবারের আয়োজনে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিল ঢাকা অপেরা।
পুরস্কার হিসেবে আলোকচিত্রী মনন পেয়েছেন একটি ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও ২০ হাজার টাকা। আগে এই পুরস্কার যারা পেয়েছেন তাঁরা হলেন এস এ শাহরিয়ার রিপন, কামরুজ্জামান, মুনেম ওয়াসিফ, প্রীত রেজা, কেএম আসাদ, জয় কে রায় চৌধুরী, সুমন ইউসুফ, ফরিদা আলম, সালাহউদ্দিন আহমেদ, রিয়াদ আবেদীন ও ইমন মোস্তাক আহমেদ।

উনিশ শতকের শুরুর দিকে ঝিটকা ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আকারে ধনে, পেঁয়াজ ও রসুনের চাষ হতো। ইছামতী নদীপথে নৌকায় করে এসব কৃষিপণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দিতেন ব্যবসায়ীরা। সে সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী আনন্দ মোহন পোদ্দারের দুই ছেলে যোগেশ্বর মোহন পোদ্দার ও রায়চরণ মোহন পোদ্দার ধনের ব্যবসা শুরু করেন। বড় বড়...
২ ঘণ্টা আগে
পার্লামেন্টে ছাতা মাথায় দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন কঙ্গনা রনৌত। এক হাতে রোলেক্সের ঘড়ি ও বার্কিন ব্যাগ, অন্য হাতে ভারত মহাসাগরের সংস্কৃত নাম ‘রত্নাকর’ থেকে অনুপ্রাণিত নকশায় ‘গুড আর্থ’-এর একটি প্রিন্টের ছাতা। পরনে মণিপুরভিত্তিক ব্র্যান্ড এনইউপিআইয়ের তৈরি বেবি-ব্লু অ্যারি সিল্কের হালকা ওজনের শাড়ি। না, কোনো...
৫ ঘণ্টা আগে
দৈনিক রুটিন আগের মতোই রয়েছে। কিন্তু সন্ধ্য়েবেলায় বাড়ি ফেরার পর খুব বেশি ক্লান্ত অনুভব করছেন। কারণটা নিজেও বুঝতে পারছেন না। ঝট করে আগে যেভাবে সব কাজ শেষ করে ফেলতে পারতেন, আজকাল সেখানে অলসতা কাজ করছে। শারীরিকভাবে ফিট থেকেও সারা দিন ক্লান্তি ও অলসতার মুখোমুখি হলে দৈনন্দিন রুটিনে কিছু সাধারণ পরিবর্তন আন
৭ ঘণ্টা আগে
বাড়িতে শিশু থাকলে প্রায়ই কলা কেনা হয়। কিন্তু বেশি কিনলে অনেক সময় গরমে দ্রুত পেকে যায়। বেশি পেকে যাওয়া কলা শিশু খেতে না চাইলে তৈরি করে ফেলুন মজাদার সব নাশতা। এসব খাবার খেতে দারুণ তো হয়ই, পাশাপাশি পুষ্টিকরও।
৮ ঘণ্টা আগে