আজকের পত্রিকা ডেস্ক

লন্ডন ফ্যাশন সপ্তাহে এক সন্ধ্যায় বিখ্যাত ব্রিটিশ-আমেরিকান ফ্যাশন ডিজাইনার হ্যারিস রিডের সঙ্গে যৌথভাবে জুতার ক্যাটওয়াকে হাঁটছিলেন আলিম লতিফ। ওই সময় ভোগ ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষের নজর কাড়েন তিনি। ভোগ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতের প্রায় এক দশক পর সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হন এই বাংলাদেশি-ব্রিটিশ ডিজাইনার।
জুতা ডিজাইনে আলিম লতিফের রয়েছে ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি। আলিম লতিফ বিশ্বাস করেন, জুতা কখনোই লৈঙ্গিকভিত্তিক ছিল না। রাজা চতুর্দশ লুই থেকে শুরু করে গ্ল্যাম রকের যুগ পর্যন্ত, পুরুষেরা প্ল্যাটফর্ম জুতা (উঁচু হিলযুক্ত) পরতেন। কিন্তু হঠাৎ কেন তা হারিয়ে গেল? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তিনি তাঁর ব্র্যান্ড রকার (ROKER)-এ নতুনত্ব আনেন।
লতিফের ডিজাইন ভাবনায় সব সময় ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মিশেল থাকে। লতিফের স্টুডিও ব্রিক লেনের কাছাকাছি, সেখানে তাঁর শৈশব কেটেছে। এই স্থান একসময় জুতার কারিগরদের কেন্দ্রস্থল ছিল। সেই ঐতিহ্য বহন করতে পেরে লতিফ গর্বিত। ব্রিটিশ জুতা তৈরির ঐতিহ্যগত পদ্ধতি ব্যবহার করেও তিনি নতুনত্ব আনতে চান। তাঁর ডিজাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে প্ল্যাটফর্মযুক্ত লোফার, চেইন লাগানো ক্ল্যাসিক জুতা এবং বিভিন্ন ভাস্কর্য থেকে অনুপ্রাণিত জুতা। লতিফ অ্যান্টনি গারমলি এবং র্যাচেল হোয়াইটরিডের কাজ দিয়ে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত!
জুতা ডিজাইন নিয়ে কাজ শুরুর আগে লতিফ বায়োকেমিস্ট্রি নিয়ে পড়াশোনা করেন। পরে তিনি বিউটি অ্যান্ড হেলথ পিআরে কাজ করেন এবং লন্ডন কলেজ অব ফ্যাশনে ছোট একটি কোর্সে ভর্তি হন। জুতা ডিজাইনের প্রতি তাঁর আগ্রহ তখনই তৈরি হয়। T&F Slack-এ কাজের সময় লতিফ শেখেন যে ডিজাইনার হতে গেলে কাঁচামালের গুণগত মান এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার গভীরে যেতে হবে।
সাফল্যের সিঁড়ির প্রতিটি ধাপে সারা দুনিয়ার প্রথিতযশা ডিজাইনাররা আলিম লতিফকে নানাভাবে অনুপ্রাণিত ও সহযোগিতা করেছেন। চার্লস জেফরি লাভারবয়, হ্যারিস রিড, হ্যারি স্টাইলস—সবাই লতিফের জুতার ডিজাইনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
বিখ্যাত ডিজাইনার রিচার্ড ম্যালোনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে আলিম লতিফ বলেন, রিচার্ড ম্যালোন খুব ভাস্কর্যধর্মী। তাই আমাদের একসঙ্গে কাজ করা এবং আকার নিয়ে চিন্তা করা ভালো হয়েছে। আকৃতি ও গঠন আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আমি ঐতিহ্যবাহী আকারগুলো নিতে পছন্দ করি এবং ভাবি।

লতিফের ঐতিহ্যবাহী জুতার তৈরির প্রক্রিয়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, যখন তিনি ব্যবসায়িক দিক থেকে কাজ করছিলেন T&F Slack (পূর্বে Walkers)-এ। এটি টিম এবং ফিওনা স্ল্যাকের মূল প্রতিষ্ঠান। এই সংস্থা ডেভিড বোয়ি এবং রক্সি মিউজিকের জন্য জুতা তৈরি করত। এই সংস্থাকে এখনো নিজের মেন্টর বলে মনে করেন আলিম লতিফ।
সংস্থাটিতে কাজ করার সময় তাঁকে বলা হয়েছিল, একজন ভালো ডিজাইনার হতে হলে নির্মাণপ্রক্রিয়া বুঝতে হবে এবং নিজের সৃষ্টির কাছাকাছি থাকতে হবে। লতিফ বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন। সাপের চামড়ার প্রিন্টের প্রতি তাঁর আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। এর জন্য আশির দশকের তুমুল ব্যবসাসফল বাংলা চলচ্চিত্র ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র প্রতি দায় স্বীকার করেন আলিম লতিফ (৪৪)।
একটি ডিজাইন করা এবং সেভাবে জুতাই তৈরির সময় কী করে প্রতিটি স্পর্শ অনুভব করেন, সেই অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন আলিম লতিফ। এটি তিনি বলেন, ফ্যাশন এএসএমআর! ব্যক্তিগত ওয়ার্কশপটিকে তিনি প্রায় বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার বলে মনে করেন। অবশ্য তিনি সত্যিই একজন সাবেক বিজ্ঞানী, যিনি বায়োকেমিস্ট্রি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন!

হ্যারি স্টাইলসের জন্য প্রথম একক কনসার্টের সময় লতিফ একটি স্কয়ার টো হিলড জুতা ডিজাইন করেন। এটি তার ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করে। পরে হ্যারিস রিডের জন্য তৈরি করেন বিখ্যাত এইচ-বুটস। আমেরিকান গায়িকা মাইলি সাইরাস রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের কভারের জন্য এই জুতা পরেই পোজ দিয়েছিলেন।
আলিম লতিফকে জেন্ডার-নিউট্রাল বা লৈঙ্গিক নিরপেক্ষ ফ্যাশনের অগ্রদূত বলা চলে। তাঁর জুতাগুলো সব সময় লৈঙ্গিক নিরপেক্ষ হয়। তিনি তাঁর SS 23 কালেকশন তৈরির আগে লন্ডনের একটি ক্লাবে পোল ড্যান্সারদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তাঁদের দেখে জুতার নকশা করেন। পরে এই শিল্পীদের নিয়ে একটি সিনেমাও নির্মাণ করেন তিনি। আলিম লতিফের মতে, বড় আকারের পায়ের জন্য স্টাইলিশ হিলড জুতা পাওয়া কঠিন, তাই তিনি এমন ডিজাইন করেন, যা সবার জন্য সহজলভ্য।
বর্তমানে একটি নতুন কালেকশনের কাজ করছেন আলিম লতিফ। এটিতেও প্ল্যাটফর্ম হিলের প্রাধান্য থাকছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি ক্যাজুয়াল পোশাক পছন্দ করেন। তবে বিশেষ অনুষ্ঠানে নিজের ডিজাইন করা জুতা বেশি পছন্দের। নিজেই এক জোড়া অস্ট্রিচ নিউবাক বুট তৈরি করেছেন, এটা শুধুই নিজের জন্য।
আলিম লতিফ শুধু একজন ডিজাইনার নন, তিনি একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অংশ। তাঁর জুতার প্রতিটি ডিজাইন শুধু ফ্যাশন নয়; বরং ব্যক্তিত্ব এবং আত্মপ্রকাশের প্রতিচ্ছবি।

লন্ডন ফ্যাশন সপ্তাহে এক সন্ধ্যায় বিখ্যাত ব্রিটিশ-আমেরিকান ফ্যাশন ডিজাইনার হ্যারিস রিডের সঙ্গে যৌথভাবে জুতার ক্যাটওয়াকে হাঁটছিলেন আলিম লতিফ। ওই সময় ভোগ ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষের নজর কাড়েন তিনি। ভোগ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতের প্রায় এক দশক পর সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হন এই বাংলাদেশি-ব্রিটিশ ডিজাইনার।
জুতা ডিজাইনে আলিম লতিফের রয়েছে ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি। আলিম লতিফ বিশ্বাস করেন, জুতা কখনোই লৈঙ্গিকভিত্তিক ছিল না। রাজা চতুর্দশ লুই থেকে শুরু করে গ্ল্যাম রকের যুগ পর্যন্ত, পুরুষেরা প্ল্যাটফর্ম জুতা (উঁচু হিলযুক্ত) পরতেন। কিন্তু হঠাৎ কেন তা হারিয়ে গেল? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তিনি তাঁর ব্র্যান্ড রকার (ROKER)-এ নতুনত্ব আনেন।
লতিফের ডিজাইন ভাবনায় সব সময় ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মিশেল থাকে। লতিফের স্টুডিও ব্রিক লেনের কাছাকাছি, সেখানে তাঁর শৈশব কেটেছে। এই স্থান একসময় জুতার কারিগরদের কেন্দ্রস্থল ছিল। সেই ঐতিহ্য বহন করতে পেরে লতিফ গর্বিত। ব্রিটিশ জুতা তৈরির ঐতিহ্যগত পদ্ধতি ব্যবহার করেও তিনি নতুনত্ব আনতে চান। তাঁর ডিজাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে প্ল্যাটফর্মযুক্ত লোফার, চেইন লাগানো ক্ল্যাসিক জুতা এবং বিভিন্ন ভাস্কর্য থেকে অনুপ্রাণিত জুতা। লতিফ অ্যান্টনি গারমলি এবং র্যাচেল হোয়াইটরিডের কাজ দিয়ে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত!
জুতা ডিজাইন নিয়ে কাজ শুরুর আগে লতিফ বায়োকেমিস্ট্রি নিয়ে পড়াশোনা করেন। পরে তিনি বিউটি অ্যান্ড হেলথ পিআরে কাজ করেন এবং লন্ডন কলেজ অব ফ্যাশনে ছোট একটি কোর্সে ভর্তি হন। জুতা ডিজাইনের প্রতি তাঁর আগ্রহ তখনই তৈরি হয়। T&F Slack-এ কাজের সময় লতিফ শেখেন যে ডিজাইনার হতে গেলে কাঁচামালের গুণগত মান এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার গভীরে যেতে হবে।
সাফল্যের সিঁড়ির প্রতিটি ধাপে সারা দুনিয়ার প্রথিতযশা ডিজাইনাররা আলিম লতিফকে নানাভাবে অনুপ্রাণিত ও সহযোগিতা করেছেন। চার্লস জেফরি লাভারবয়, হ্যারিস রিড, হ্যারি স্টাইলস—সবাই লতিফের জুতার ডিজাইনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
বিখ্যাত ডিজাইনার রিচার্ড ম্যালোনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে আলিম লতিফ বলেন, রিচার্ড ম্যালোন খুব ভাস্কর্যধর্মী। তাই আমাদের একসঙ্গে কাজ করা এবং আকার নিয়ে চিন্তা করা ভালো হয়েছে। আকৃতি ও গঠন আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আমি ঐতিহ্যবাহী আকারগুলো নিতে পছন্দ করি এবং ভাবি।

লতিফের ঐতিহ্যবাহী জুতার তৈরির প্রক্রিয়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, যখন তিনি ব্যবসায়িক দিক থেকে কাজ করছিলেন T&F Slack (পূর্বে Walkers)-এ। এটি টিম এবং ফিওনা স্ল্যাকের মূল প্রতিষ্ঠান। এই সংস্থা ডেভিড বোয়ি এবং রক্সি মিউজিকের জন্য জুতা তৈরি করত। এই সংস্থাকে এখনো নিজের মেন্টর বলে মনে করেন আলিম লতিফ।
সংস্থাটিতে কাজ করার সময় তাঁকে বলা হয়েছিল, একজন ভালো ডিজাইনার হতে হলে নির্মাণপ্রক্রিয়া বুঝতে হবে এবং নিজের সৃষ্টির কাছাকাছি থাকতে হবে। লতিফ বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন। সাপের চামড়ার প্রিন্টের প্রতি তাঁর আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। এর জন্য আশির দশকের তুমুল ব্যবসাসফল বাংলা চলচ্চিত্র ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র প্রতি দায় স্বীকার করেন আলিম লতিফ (৪৪)।
একটি ডিজাইন করা এবং সেভাবে জুতাই তৈরির সময় কী করে প্রতিটি স্পর্শ অনুভব করেন, সেই অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন আলিম লতিফ। এটি তিনি বলেন, ফ্যাশন এএসএমআর! ব্যক্তিগত ওয়ার্কশপটিকে তিনি প্রায় বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার বলে মনে করেন। অবশ্য তিনি সত্যিই একজন সাবেক বিজ্ঞানী, যিনি বায়োকেমিস্ট্রি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন!

হ্যারি স্টাইলসের জন্য প্রথম একক কনসার্টের সময় লতিফ একটি স্কয়ার টো হিলড জুতা ডিজাইন করেন। এটি তার ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করে। পরে হ্যারিস রিডের জন্য তৈরি করেন বিখ্যাত এইচ-বুটস। আমেরিকান গায়িকা মাইলি সাইরাস রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের কভারের জন্য এই জুতা পরেই পোজ দিয়েছিলেন।
আলিম লতিফকে জেন্ডার-নিউট্রাল বা লৈঙ্গিক নিরপেক্ষ ফ্যাশনের অগ্রদূত বলা চলে। তাঁর জুতাগুলো সব সময় লৈঙ্গিক নিরপেক্ষ হয়। তিনি তাঁর SS 23 কালেকশন তৈরির আগে লন্ডনের একটি ক্লাবে পোল ড্যান্সারদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তাঁদের দেখে জুতার নকশা করেন। পরে এই শিল্পীদের নিয়ে একটি সিনেমাও নির্মাণ করেন তিনি। আলিম লতিফের মতে, বড় আকারের পায়ের জন্য স্টাইলিশ হিলড জুতা পাওয়া কঠিন, তাই তিনি এমন ডিজাইন করেন, যা সবার জন্য সহজলভ্য।
বর্তমানে একটি নতুন কালেকশনের কাজ করছেন আলিম লতিফ। এটিতেও প্ল্যাটফর্ম হিলের প্রাধান্য থাকছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি ক্যাজুয়াল পোশাক পছন্দ করেন। তবে বিশেষ অনুষ্ঠানে নিজের ডিজাইন করা জুতা বেশি পছন্দের। নিজেই এক জোড়া অস্ট্রিচ নিউবাক বুট তৈরি করেছেন, এটা শুধুই নিজের জন্য।
আলিম লতিফ শুধু একজন ডিজাইনার নন, তিনি একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অংশ। তাঁর জুতার প্রতিটি ডিজাইন শুধু ফ্যাশন নয়; বরং ব্যক্তিত্ব এবং আত্মপ্রকাশের প্রতিচ্ছবি।

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
১৩ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
১৪ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ...
১৭ ঘণ্টা আগে