ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুটি দেশ—থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া এখন সেরা গন্তব্য। দীর্ঘ ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা আর মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এ সূচকটি কেবল একটি তালিকা নয়; বরং প্রবাসে উন্নত জীবন গড়ার একটি পূর্ণাঙ্গ নকশা।
তালিকায় কোন দেশ কত নম্বরে
২০২৬ সালের এ সূচকে গ্রিস শীর্ষস্থান দখল করে রয়েছে। এরপর যথাক্রমে পানামা ও কোস্টারিকা, পর্তুগাল, মেক্সিকো, ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেন। এ দেশগুলোর মধ্যে ৫টি ইউরোপে। দুটি উত্তর আমেরিকা ও বাকি দুটি এশিয়ায়। ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্সের এই ১০টি দেশকে যদি আমরা পাশাপাশি রাখি, তবে একটি সত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে—সবার জন্য সেরা গন্তব্য বলে কিছু নেই; বরং কার অগ্রাধিকার কী, তার ওপর ভিত্তি করেই সঠিক দেশটি বেছে নিতে হয়।
মালয়েশিয়ায় সময় থমকে দাঁড়ায় পরম মমতায়

তালিকায় দশম স্থানে থাকা মালয়েশিয়ার পেনাং শহরটি যেন এক প্রশান্তির দ্বীপ। এখানকার সকালগুলো শুরু হয় রিকশার মৃদু ঘণ্টাধ্বনি আর দূর থেকে ভেসে আসা ‘নাসি লেমাক’-এর সুবাসে। পেনাং আপনাকে দিচ্ছে আধুনিকতার সঙ্গে ঐতিহ্যের মিশেল। এখানে ১২ ফুট উঁচু সিলিং আর মার্বেল মেঝের চার বেডরুমের ফ্ল্যাট ভাড়া পাওয়া যায় মাত্র ৯০০ ডলার বা ৪ হাজার ৫০০ রিঙ্গিতে। বিদ্যুৎ বিল আর আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে মাসে ২৫০ রিঙ্গিতের বেশি দরকার নেই। আর রাস্তার পাশের চমৎকার সব খাবারের দাম ১০ রিঙ্গিতেরও কম। সব মিলিয়ে মাসিক ২ হাজার ২০০ ডলার বা ১০ হাজার রিঙ্গিত খরচ করলে আপনি এখানে মোটামুটি বিলাসী জীবন কাটাতে পারবেন।
পেনাংয়ের স্বাস্থ্যসেবা শুধু আধুনিকই নয়, অত্যন্ত দ্রুত। মাত্র ২৫ ডলার বা ১২০ রিঙ্গিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের বেশির ভাগই যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষিত। কিন্তু এখানকার আসল সৌন্দর্য এর মানুষের মধ্যে। পাড়ার কফি শপ বা বাজারের দোকানদারেরা আপনাকে চিনে নেবে দ্রুত, অসুস্থ হলে প্রতিবেশী স্যুপ নিয়ে আসবে—এই ছোট ছোট আন্তরিকতাই পেনাংকে করে তুলেছে অনন্য। বিদেশিদের জন্য এখানে সম্পত্তি কেনা সহজ। এ ছাড়া মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম বা সারওয়াক রাজ্যের সহজ ভিসা নীতি দীর্ঘমেয়াদি প্রবাসীদের জন্য দারুণ সুযোগ নিয়ে এসেছে।
থাইল্যান্ডে সহজ জীবনের গল্প

থাই ভাষায় ‘থাই’ শব্দটির অর্থ স্বাধীনতা। আর থাইল্যান্ড মানেই লাল ফিতের দৌরাত্ম্যহীন এক নিরুদ্বেগ জীবন। নবম স্থানে থাকা এ দেশটি যেন আধুনিক প্রযুক্তি আর ট্রপিক্যাল স্বর্গের এক নিখুঁত সমন্বয়। এখানে জীবন মানেই এক পকেটে মোবাইল ফোন আর অন্য পকেটে আইডি কার্ড। ২০ ডলারের কম খরচে ১ জিবিপিএস গতির ইন্টারনেট, ১৫ ডলারে সাপ্তাহিক ক্লিনিং সার্ভিস কিংবা ১২ ডলারে ডিপ টিস্যু ম্যাসাজ—সবই আপনার হাতের নাগালে। ট্যাক্সি থেকে রাস্তার খাবার, সবখানেই ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা আপনাকে লাইনে দাঁড়ানোর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে।
আপনি সমুদ্রের পাড়ে নারকেল গাছের নিচে থাকতে চান, নাকি উত্তরের পাহাড়ি ঝরনার কাছে, ঠিক করতে হবে আপনাকেই। চিয়াং মাইয়ে মাত্র ৩০০ ডলারে স্টুডিও ফ্ল্যাট কিংবা ব্যাংককের হার্টে ১ লাখ ডলারে চমৎকার কন্ডো কেনা সম্ভব। যদি বাজেট ডাবল হয়, তবে ফুকেটের মতো জায়গায় সমুদ্রমুখী বিলাসবহুল ভিলা রয়েছে আপনার অপেক্ষায়। নাম্বিওর ২০২৫ র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যসেবা সেরা। আমেরিকার তুলনায় এখানে চিকিৎসার খরচ তিন ভাগের এক ভাগ। এ ছাড়া প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় যোগব্যায়াম আর সমুদ্রের পাড়ে হাঁটা এখানকার মানুষদের সুস্থ রাখার গোপন মন্ত্র। থাইল্যান্ডের বর্তমান ভিসা নীতি প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক। ১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি রেসিডেন্ট ভিসা কিংবা ডিজিটাল নোমাড পাসের মাধ্যমে আপনি সহজেই এই ‘হাসিমুখের দেশে’ নিজের স্থায়ী ঠিকানা গড়ে নিতে পারেন।
কার জন্য কোন দেশ সেরা
যাঁরা বাজেটের ব্যাপারে সচেতন; কিন্তু জীবনযাত্রার মানে আপস করতে চান না, তাঁদের জন্য থাইল্যান্ড, মেক্সিকো এবং মালয়েশিয়া হতে পারে আদর্শ। এখানে আবাসন এবং দৈনন্দিন খরচ বেশ কম। এ দেশগুলো তাদের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজিয়েছে যে, আপনি স্বল্প খরচে খুব দ্রুত উন্নত চিকিৎসা পাবেন। যাঁরা দক্ষ এবং সাশ্রয়ী জীবনের খোঁজ করছেন, তাঁদের জন্য এ দেশগুলো শীর্ষে থাকবে। অন্যদিকে পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি এবং গ্রিসের মতো দেশগুলো মূলত তাদের শক্তিশালী জনসেবা, সামাজিক সুরক্ষা এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশের জন্য পরিচিত। এ দেশগুলোতে থাকতে হলে আপনার বাজেটের পাল্লা একটু ভারী হতে হবে এবং সরকারি দাপ্তরিক জটিলতা বা ব্যুরোক্রেসি সামলানোর মতো ধৈর্য থাকতে হবে। পর্তুগাল ও স্পেন তাদের নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্য পরিচিত। অন্যদিকে, ইতালি ও গ্রিস তাঁদের জন্য সেরা, যাঁরা প্রশাসনিক জটিলতাকে কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও সাংস্কৃতিক গভীরতা এবং শহরতলির সস্তা আবাসন উপভোগ করতে চান।
এই ১০টি দেশের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবাই হলো বড় পার্থক্যের জায়গা। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো এবং পানামার মতো দেশগুলোতে বেসরকারি ব্যবস্থা অত্যন্ত দ্রুত ও সাশ্রয়ী। বিপরীতে ইউরোপের দেশগুলো পাবলিক হেলথকেয়ারের মাধ্যমে বিশাল জনসংখ্যার সুরক্ষা দিলেও সেখানে চিকিৎসার জন্য অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে।
সূত্র: ইন্টারন্যাশনাল লিভিং, অ্যাভিয়েশন এ টু জেড, ইভিএন এক্সপ্রেস

অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুটি দেশ—থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া এখন সেরা গন্তব্য। দীর্ঘ ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা আর মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এ সূচকটি কেবল একটি তালিকা নয়; বরং প্রবাসে উন্নত জীবন গড়ার একটি পূর্ণাঙ্গ নকশা।
তালিকায় কোন দেশ কত নম্বরে
২০২৬ সালের এ সূচকে গ্রিস শীর্ষস্থান দখল করে রয়েছে। এরপর যথাক্রমে পানামা ও কোস্টারিকা, পর্তুগাল, মেক্সিকো, ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেন। এ দেশগুলোর মধ্যে ৫টি ইউরোপে। দুটি উত্তর আমেরিকা ও বাকি দুটি এশিয়ায়। ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্সের এই ১০টি দেশকে যদি আমরা পাশাপাশি রাখি, তবে একটি সত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে—সবার জন্য সেরা গন্তব্য বলে কিছু নেই; বরং কার অগ্রাধিকার কী, তার ওপর ভিত্তি করেই সঠিক দেশটি বেছে নিতে হয়।
মালয়েশিয়ায় সময় থমকে দাঁড়ায় পরম মমতায়

তালিকায় দশম স্থানে থাকা মালয়েশিয়ার পেনাং শহরটি যেন এক প্রশান্তির দ্বীপ। এখানকার সকালগুলো শুরু হয় রিকশার মৃদু ঘণ্টাধ্বনি আর দূর থেকে ভেসে আসা ‘নাসি লেমাক’-এর সুবাসে। পেনাং আপনাকে দিচ্ছে আধুনিকতার সঙ্গে ঐতিহ্যের মিশেল। এখানে ১২ ফুট উঁচু সিলিং আর মার্বেল মেঝের চার বেডরুমের ফ্ল্যাট ভাড়া পাওয়া যায় মাত্র ৯০০ ডলার বা ৪ হাজার ৫০০ রিঙ্গিতে। বিদ্যুৎ বিল আর আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে মাসে ২৫০ রিঙ্গিতের বেশি দরকার নেই। আর রাস্তার পাশের চমৎকার সব খাবারের দাম ১০ রিঙ্গিতেরও কম। সব মিলিয়ে মাসিক ২ হাজার ২০০ ডলার বা ১০ হাজার রিঙ্গিত খরচ করলে আপনি এখানে মোটামুটি বিলাসী জীবন কাটাতে পারবেন।
পেনাংয়ের স্বাস্থ্যসেবা শুধু আধুনিকই নয়, অত্যন্ত দ্রুত। মাত্র ২৫ ডলার বা ১২০ রিঙ্গিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের বেশির ভাগই যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষিত। কিন্তু এখানকার আসল সৌন্দর্য এর মানুষের মধ্যে। পাড়ার কফি শপ বা বাজারের দোকানদারেরা আপনাকে চিনে নেবে দ্রুত, অসুস্থ হলে প্রতিবেশী স্যুপ নিয়ে আসবে—এই ছোট ছোট আন্তরিকতাই পেনাংকে করে তুলেছে অনন্য। বিদেশিদের জন্য এখানে সম্পত্তি কেনা সহজ। এ ছাড়া মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম বা সারওয়াক রাজ্যের সহজ ভিসা নীতি দীর্ঘমেয়াদি প্রবাসীদের জন্য দারুণ সুযোগ নিয়ে এসেছে।
থাইল্যান্ডে সহজ জীবনের গল্প

থাই ভাষায় ‘থাই’ শব্দটির অর্থ স্বাধীনতা। আর থাইল্যান্ড মানেই লাল ফিতের দৌরাত্ম্যহীন এক নিরুদ্বেগ জীবন। নবম স্থানে থাকা এ দেশটি যেন আধুনিক প্রযুক্তি আর ট্রপিক্যাল স্বর্গের এক নিখুঁত সমন্বয়। এখানে জীবন মানেই এক পকেটে মোবাইল ফোন আর অন্য পকেটে আইডি কার্ড। ২০ ডলারের কম খরচে ১ জিবিপিএস গতির ইন্টারনেট, ১৫ ডলারে সাপ্তাহিক ক্লিনিং সার্ভিস কিংবা ১২ ডলারে ডিপ টিস্যু ম্যাসাজ—সবই আপনার হাতের নাগালে। ট্যাক্সি থেকে রাস্তার খাবার, সবখানেই ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা আপনাকে লাইনে দাঁড়ানোর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে।
আপনি সমুদ্রের পাড়ে নারকেল গাছের নিচে থাকতে চান, নাকি উত্তরের পাহাড়ি ঝরনার কাছে, ঠিক করতে হবে আপনাকেই। চিয়াং মাইয়ে মাত্র ৩০০ ডলারে স্টুডিও ফ্ল্যাট কিংবা ব্যাংককের হার্টে ১ লাখ ডলারে চমৎকার কন্ডো কেনা সম্ভব। যদি বাজেট ডাবল হয়, তবে ফুকেটের মতো জায়গায় সমুদ্রমুখী বিলাসবহুল ভিলা রয়েছে আপনার অপেক্ষায়। নাম্বিওর ২০২৫ র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যসেবা সেরা। আমেরিকার তুলনায় এখানে চিকিৎসার খরচ তিন ভাগের এক ভাগ। এ ছাড়া প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় যোগব্যায়াম আর সমুদ্রের পাড়ে হাঁটা এখানকার মানুষদের সুস্থ রাখার গোপন মন্ত্র। থাইল্যান্ডের বর্তমান ভিসা নীতি প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক। ১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি রেসিডেন্ট ভিসা কিংবা ডিজিটাল নোমাড পাসের মাধ্যমে আপনি সহজেই এই ‘হাসিমুখের দেশে’ নিজের স্থায়ী ঠিকানা গড়ে নিতে পারেন।
কার জন্য কোন দেশ সেরা
যাঁরা বাজেটের ব্যাপারে সচেতন; কিন্তু জীবনযাত্রার মানে আপস করতে চান না, তাঁদের জন্য থাইল্যান্ড, মেক্সিকো এবং মালয়েশিয়া হতে পারে আদর্শ। এখানে আবাসন এবং দৈনন্দিন খরচ বেশ কম। এ দেশগুলো তাদের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজিয়েছে যে, আপনি স্বল্প খরচে খুব দ্রুত উন্নত চিকিৎসা পাবেন। যাঁরা দক্ষ এবং সাশ্রয়ী জীবনের খোঁজ করছেন, তাঁদের জন্য এ দেশগুলো শীর্ষে থাকবে। অন্যদিকে পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি এবং গ্রিসের মতো দেশগুলো মূলত তাদের শক্তিশালী জনসেবা, সামাজিক সুরক্ষা এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশের জন্য পরিচিত। এ দেশগুলোতে থাকতে হলে আপনার বাজেটের পাল্লা একটু ভারী হতে হবে এবং সরকারি দাপ্তরিক জটিলতা বা ব্যুরোক্রেসি সামলানোর মতো ধৈর্য থাকতে হবে। পর্তুগাল ও স্পেন তাদের নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্য পরিচিত। অন্যদিকে, ইতালি ও গ্রিস তাঁদের জন্য সেরা, যাঁরা প্রশাসনিক জটিলতাকে কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও সাংস্কৃতিক গভীরতা এবং শহরতলির সস্তা আবাসন উপভোগ করতে চান।
এই ১০টি দেশের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবাই হলো বড় পার্থক্যের জায়গা। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো এবং পানামার মতো দেশগুলোতে বেসরকারি ব্যবস্থা অত্যন্ত দ্রুত ও সাশ্রয়ী। বিপরীতে ইউরোপের দেশগুলো পাবলিক হেলথকেয়ারের মাধ্যমে বিশাল জনসংখ্যার সুরক্ষা দিলেও সেখানে চিকিৎসার জন্য অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে।
সূত্র: ইন্টারন্যাশনাল লিভিং, অ্যাভিয়েশন এ টু জেড, ইভিএন এক্সপ্রেস

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
১০ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
১১ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
১২ ঘণ্টা আগে
রান্না করা গরম খাবার ফ্রিজে রাখা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই একধরনের দ্বিধা কাজ করে। অনেকে মনে করেন, খাবার গরম অবস্থায় ফ্রিজে রাখলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে; কিংবা ফ্রিজের ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এবং পুষ্টিবিদেরা বলছেন একদম উল্টো কথা। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং খাবারের মান ধরে রাখতে আপনার এই...
১৬ ঘণ্টা আগে