ঈদুল আজহায় অনেক মাংস রান্না করা হবে। সব রান্নায় সব ধরনের মসলা ব্যবহার করলে স্বাদও একই রকম হবে। তাই একেক ধরনের রান্নায় একেক ধরনের মসলা ব্যবহার করা জরুরি।
গরুর মাংসের স্টু
তেজপাতা, তারামসলা, একাঙ্গী, রসুন, কালো গোলমরিচের গুঁড়া, সেলেরি, থাইম ও পার্সলে। মাংসের স্বাদ ও ঘ্রাণের জন্য একাঙ্গী ব্যবহার করতে পারেন। এর সঙ্গে ঝাল বাড়াবে গোলমরিচ। রান্না শেষে নামানোর আগে সেলেরি, পার্সলে, থাইম ব্যবহার করুন। এসব মসলার সঙ্গে স্টুতে যোগ করতে পারেন পছন্দের সবজি। এর ফলে এটি স্বাস্থ্যকর হবে আরও বেশি।
সাধারণ গরুর মাংস
এলাচি, কালো গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, তেজপাতা, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, হলুদ, শুকনা মরিচগুঁড়া, ধনেগুঁড়া, জিরাগুঁড়া এবং আদা, রসুন, পেঁয়াজবাটা ব্যবহার করুন।
আচারি মাংস
আচার তৈরি করার জন্য পাঁচফোড়ন ব্যবহার করা হয়। গরুর মাংসে ব্যবহার করা সব মসলার সঙ্গে এটি যোগ করতে পারেন। মাংসে অন্যান্য মসলার সঙ্গে পাঁচফোড়ন ব্যবহার করলেই সেটি আচারি মাংস হয়ে ওঠে। আচারের তেল দিয়ে এটি রান্না করা হয় না।
কাবাব
তারামসলা, কাবাব চিনি, পিপুল, এলাচি, দারুচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ, জায়ফল, জয়ত্রী, কালো গোলমরিচ, সাদা গোলমরিচ, আস্ত জিরা, আস্ত ধনে, যষ্টি মধু। এসব মসলা দিয়ে মাংস দীর্ঘ সময় মেরিনেট করে রাখতে পারেন। যত বেশি সময় মেরিনেট করে রাখবেন, কাবাবের স্বাদ তত বেশি হবে।

এক বছর হওয়ার আগে সন্তান নিয়ে বিমানযাত্রা না করাই ভালো। তবে এর আগে যদি জরুরি কোনো কাজে বিমানে চড়তেই হয়, তাহলে সতর্ক থাকতে হবে। ভ্রমণের আগে মানসিক প্রস্তুতি তো নেবেনই, সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় মনে রাখলে সফর অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।
২৮ মিনিট আগে
ডোপামিন ড্রেসিং খুব চর্চা হচ্ছে এখন। তা-ও একটু বলে নিই, ডোপামিন ড্রেসিং হচ্ছে এমন ধরনের পোশাক পরা, যা আপনার মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির হরমোন ডোপামিন ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে মন ঝরঝরে হয়ে ওঠে। অলংকারের ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য। একটু মনে করে দেখুন, ছোটবেলায় মা, দাদি-নানিরা বাড়ির ছোট মেয়েদের কানে...
১২ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হোম ট্যুর বা হোম ডেকোরেশন-সম্পর্কিত রিলস দেখতেই কি বেশি ভালোবাসেন? ঘর সাজাতে যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁরা ট্রেন্ডে কী রয়েছে, তা-ও রাখেন নখদর্পণে। ঘর সাজানোর আধুনিক বা নতুন পদ্ধতিতে এখন কৃত্রিম জাঁকজমকের চেয়ে মানসিক প্রশান্তি, স্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া...
১৪ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টাইমলাইন স্ক্রল করতেই কয়েক দিন ধরে চোখে পড়ছে বন্ধু কিংবা পরিচিত কারও পুরোনো ছবি। এগুলো আশি বা নব্বই দশকের ঝাপসা ছবি। ওয়ার্ম টোন আর রেট্রো ফিল্টারে তৈরি। কারও কারও হয়তো ওই সময়ে জন্মও হয়নি। তবু সে সময়ের ছবি এল কোথা থেকে! পুরোনো দিনের সেই ‘ভিন্টেজ ভাইব’ ফিরিয়ে আনার এই নতুন
১৯ ঘণ্টা আগে