ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

রান্না করা গরম খাবার ফ্রিজে রাখা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই একধরনের দ্বিধা কাজ করে। অনেকে মনে করেন, খাবার গরম অবস্থায় ফ্রিজে রাখলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে; কিংবা ফ্রিজের ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এবং পুষ্টিবিদেরা বলছেন একদম উল্টো কথা। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং খাবারের মান ধরে রাখতে আপনার এই পুরোনো ধারণা বদলে ফেলা জরুরি। আপনার খাবারের নিরাপত্তা আপনার হাতেই। তাই খাবার বাইরে ফেলে না রেখে সঠিক উপায়ে দ্রুত ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।
প্রচলিত ধারণা বনাম বাস্তবতা
অনেকের ধারণা, খাবার ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিলে তা দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। আসলে এ ধারণাটি এসেছে পুরোনো আমলের ‘আইসবক্স’ থেকে। তবে এই আইসবক্স আজকের আধুনিক ফ্রিজের মতো শক্তিশালী ছিল না। ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং পুষ্টিবিদদের মতে, রান্না করা খাবার পরিবেশনের পরপরই বা রান্নার সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখা উচিত। বিশেষ করে মাংসের ক্ষেত্রে এটি মেনে চলতেই হবে। যদি আশপাশের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, তবে এই সময় মাত্র ১ ঘণ্টা।
গরম খাবার বাইরে রাখা বিপজ্জনক
খাবারের ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধির জন্য ৪ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে বলা হয় ডেঞ্জার জোন। কক্ষ তাপমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া প্রতি ৩০-৪০ মিনিটে দ্বিগুণ হয়ে যায়। সালমোনেলা বা ই-কোলাইয়ের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এই তাপমাত্রায় দ্রুত ছড়ায়। খাবার বাইরে রেখে ঠান্ডা হতে দিলে সেটি দীর্ঘক্ষণ এই বিপজ্জনক তাপমাত্রায় থাকে, যা থেকে ফুড পয়জনিং হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ফ্রিজে রাখলে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে, যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে থামিয়ে দেয়।

ফ্রিজের ক্ষতি
অনেকে মনে করেন, গরম খাবার রাখলে ফ্রিজের কম্প্রেশারের ওপর চাপ পড়বে। তবে আধুনিক ফ্রিজগুলো এমনভাবে তৈরি যে, এতে সেন্সর এবং শক্তিশালী কুলিং সিস্টেম থাকে। এই সিস্টেম উচ্চ তাপমাত্রা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এর জন্য সামান্য বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। কিন্তু আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার তুলনায় তা খুবই নগণ্য।
সঠিক উপায়ে খাবার সংরক্ষণের ৪টি নিয়ম
খাবার সঠিকভাবে ফ্রিজে রাখতে যে কৌশলগুলো মেনে চলতে হবে,
ছোট পাত্রে ভাগ করে ফেলুন: বড় হাঁড়িতে অনেক বেশি খাবার একসঙ্গে ফ্রিজে না রেখে ছোট ছোট পাত্রে ভাগ করে রাখুন। পাত্রের গভীরতা ৫ সেন্টিমিটারের কম হলে খাবার দ্রুত ঠান্ডা হয়। বড় পাত্রে রাখলে মাঝখানের অংশ গরম থেকে যায়, যা ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর সুযোগ করে দেয়।
ঢাকনা সামান্য খোলা রাখুন: খাবার যদি খুব গরম হয়, তবে ফ্রিজে রাখার প্রথম ১ ঘণ্টা ঢাকনা পুরোপুরি না আটকে সামান্য খোলা রাখুন। এতে বাষ্প বেরিয়ে যাবে এবং ভেতরে পানি জমবে না। ঠান্ডা হয়ে গেলে শক্ত করে আটকে দিন।
বাতাস চলাচলের জায়গা রাখুন: ফ্রিজে অনেক পাত্র গাদাগাদি করে রাখবেন না। পাত্রগুলোর মাঝখানে কিছুটা ফাঁকা জায়গা রাখুন, যাতে ঠান্ডা বাতাস সব দিকে সমানভাবে চলাচল করতে পারে।
সংরক্ষণের সময়সীমা
মনে রাখবেন, ফ্রিজ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে না। এটি শুধু এর বৃদ্ধি ধীর করে দেয়। তাই রান্না করা সবজি ২৪ ঘণ্টা এবং রান্না করা মাংস দুই দিনের বেশি না রাখাই ভালো। জমানো খাবার বের করার পর সেটি একবারের বেশি গরম করবেন না।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস, টেস্টিং টেবিল, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

রান্না করা গরম খাবার ফ্রিজে রাখা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই একধরনের দ্বিধা কাজ করে। অনেকে মনে করেন, খাবার গরম অবস্থায় ফ্রিজে রাখলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে; কিংবা ফ্রিজের ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এবং পুষ্টিবিদেরা বলছেন একদম উল্টো কথা। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং খাবারের মান ধরে রাখতে আপনার এই পুরোনো ধারণা বদলে ফেলা জরুরি। আপনার খাবারের নিরাপত্তা আপনার হাতেই। তাই খাবার বাইরে ফেলে না রেখে সঠিক উপায়ে দ্রুত ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।
প্রচলিত ধারণা বনাম বাস্তবতা
অনেকের ধারণা, খাবার ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিলে তা দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। আসলে এ ধারণাটি এসেছে পুরোনো আমলের ‘আইসবক্স’ থেকে। তবে এই আইসবক্স আজকের আধুনিক ফ্রিজের মতো শক্তিশালী ছিল না। ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং পুষ্টিবিদদের মতে, রান্না করা খাবার পরিবেশনের পরপরই বা রান্নার সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখা উচিত। বিশেষ করে মাংসের ক্ষেত্রে এটি মেনে চলতেই হবে। যদি আশপাশের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, তবে এই সময় মাত্র ১ ঘণ্টা।
গরম খাবার বাইরে রাখা বিপজ্জনক
খাবারের ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধির জন্য ৪ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে বলা হয় ডেঞ্জার জোন। কক্ষ তাপমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া প্রতি ৩০-৪০ মিনিটে দ্বিগুণ হয়ে যায়। সালমোনেলা বা ই-কোলাইয়ের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এই তাপমাত্রায় দ্রুত ছড়ায়। খাবার বাইরে রেখে ঠান্ডা হতে দিলে সেটি দীর্ঘক্ষণ এই বিপজ্জনক তাপমাত্রায় থাকে, যা থেকে ফুড পয়জনিং হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ফ্রিজে রাখলে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে, যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে থামিয়ে দেয়।

ফ্রিজের ক্ষতি
অনেকে মনে করেন, গরম খাবার রাখলে ফ্রিজের কম্প্রেশারের ওপর চাপ পড়বে। তবে আধুনিক ফ্রিজগুলো এমনভাবে তৈরি যে, এতে সেন্সর এবং শক্তিশালী কুলিং সিস্টেম থাকে। এই সিস্টেম উচ্চ তাপমাত্রা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এর জন্য সামান্য বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। কিন্তু আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার তুলনায় তা খুবই নগণ্য।
সঠিক উপায়ে খাবার সংরক্ষণের ৪টি নিয়ম
খাবার সঠিকভাবে ফ্রিজে রাখতে যে কৌশলগুলো মেনে চলতে হবে,
ছোট পাত্রে ভাগ করে ফেলুন: বড় হাঁড়িতে অনেক বেশি খাবার একসঙ্গে ফ্রিজে না রেখে ছোট ছোট পাত্রে ভাগ করে রাখুন। পাত্রের গভীরতা ৫ সেন্টিমিটারের কম হলে খাবার দ্রুত ঠান্ডা হয়। বড় পাত্রে রাখলে মাঝখানের অংশ গরম থেকে যায়, যা ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর সুযোগ করে দেয়।
ঢাকনা সামান্য খোলা রাখুন: খাবার যদি খুব গরম হয়, তবে ফ্রিজে রাখার প্রথম ১ ঘণ্টা ঢাকনা পুরোপুরি না আটকে সামান্য খোলা রাখুন। এতে বাষ্প বেরিয়ে যাবে এবং ভেতরে পানি জমবে না। ঠান্ডা হয়ে গেলে শক্ত করে আটকে দিন।
বাতাস চলাচলের জায়গা রাখুন: ফ্রিজে অনেক পাত্র গাদাগাদি করে রাখবেন না। পাত্রগুলোর মাঝখানে কিছুটা ফাঁকা জায়গা রাখুন, যাতে ঠান্ডা বাতাস সব দিকে সমানভাবে চলাচল করতে পারে।
সংরক্ষণের সময়সীমা
মনে রাখবেন, ফ্রিজ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে না। এটি শুধু এর বৃদ্ধি ধীর করে দেয়। তাই রান্না করা সবজি ২৪ ঘণ্টা এবং রান্না করা মাংস দুই দিনের বেশি না রাখাই ভালো। জমানো খাবার বের করার পর সেটি একবারের বেশি গরম করবেন না।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস, টেস্টিং টেবিল, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
৮ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
৯ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
১০ ঘণ্টা আগে
অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ...
১২ ঘণ্টা আগে