
কাজের ব্যস্ততার মাঝে অফিসে বসে যখন প্রচণ্ড ঘুম আর ক্লান্তি ভর করে, তখন কম্পিউটারের স্ক্রিনের সামনে চোখ খোলা রাখাটাই এক রকম নির্যাতন বলে মনে হয়। সুস্থ ও সুখী জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু অনেক সময় রাতে ঠিকঠাক ঘুমানোর পরও দেখা যায়, দুপুরের পর কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং বা কাজের মাঝেই অনবরত হাই উঠছে আর চোখ ভেঙে ঘুম আসছে। দুপুরের খাবারের পর ক্লান্তি, খিটখিটে মেজাজ আর অলসতার এই অনুভূতি আমাদের কাজের গতিকে একদম কমিয়ে দেয়।
অফিসের টেবিলে বসে যদি আপনার চোখে ঘুম থাকে আর কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, তবে এর সবচেয়ে সেরা সমাধান হলো একটি পাওয়ার ন্যাপ বা ১০ থেকে ১৫ মিনিটের একটি ছোট্ট ঘুম। যদি ঘুম আপনার কাজের ক্ষতি করে এবং আপনি কোনোভাবেই মনোযোগ দিতে না পারেন, তবে জোর করে ঘুমে তাড়ানোর চেষ্টা না করে ডেস্কে মাথা নিচু করে কয়েক মিনিটের একটি জিরানি বা পাওয়ার ন্যাপ নিয়ে নিতে পারেন। এটি আপনাকে নিমেষেই সতেজ ও পুনরুজ্জীবিত করে তুলবে। তবে অফিসের পরিবেশের কারণে যদি ছোটখাটো একটা ঘুম দেওয়ার সুযোগ একদমই না থাকে, তবে এক কাপ গরম কফি বা চা খেয়ে নিতে পারেন। কফির ক্যাফেইন আপনার শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাবে এবং অলসতা দূর করে বাকি দিনের কাজের জন্য আপনাকে পুরোপুরি প্রস্তুত করে তুলবে।
যদি কফি খাওয়ার পরও কাজ না হয়, তবে নিজের আসন ছেড়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করুন। এক জায়গায় টানা বসে না থেকে একটু হাত-পা ছড়িয়ে স্ট্রেচিং করুন, অফিসের করিডর বা আশপাশ থেকে একটু হেঁটে আসুন এবং কিছুটা মুক্ত বাতাস গায়ে লাগান। এই ধরনের সামান্য শারীরিক সক্রিয়তা আপনার শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে নিমেষেই সব অলসতা দূর করে দেবে।
অফিসে ঘুম ঘুম ভাবের আরেকটি বড় কারণ হলো শরীরে পানির ঘাটতি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আপনি যদি পর্যাপ্ত পানি পান না করে থাকেন, তবে এখনই আসন ছেড়ে উঠে নিজের পানির বোতলটি ভরে নিন। সারা দিন ধরে অল্প অল্প করে নিয়মিত পানি পান করলে তা শরীরের ক্লান্তি ও ঝিমুনি ভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ সাহায্য করে।
সবশেষে, নিজের কাজের ধরনকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। দিন যত গড়ায়, মানুষের এনার্জি লেভেল স্বাভাবিকভাবেই তত কমতে থাকে। এই কারণে দিনের সবচেয়ে কঠিন ও জটিল কাজগুলো সকালের প্রথম ভাগেই শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। আপনি যখন দিনের প্রথমার্ধেই ভারী কাজগুলো গুছিয়ে ফেলবেন, তখন দুপুরের পর অলস সময়ে আপনার কাছে কেবল তুলনামূলক সহজ ও কম ক্লান্তিকর কাজগুলোই বাকি থাকবে, যা ঝিমুনি ভাবের মধ্যেও অনায়াসে শেষ করা সম্ভব।

কোরীয় খাবার বলতে সাধারণভাবে আমাদের মনে ভেসে ওঠে ঝাল স্টু, কিমচি কিংবা তীব্র স্বাদের নানা পদ। কিন্তু দেশটির খাদ্যসংস্কৃতির আরেকটি ধারা ঠিক এর বিপরীত— শান্ত, সংযত ও প্রকৃতিনির্ভর। টেম্পল ফুড বা কোরীয় মন্দিরের খাবার শুধু নিরামিষ একটি ধরন নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বৌদ্ধ দর্শন, ধ্যান, ঋতু এবং প্রকৃতির...
৩৭ মিনিট আগে
জনপ্রিয় ট্রাভেল ভ্লগার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পুরস্কৃত করেছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন সালাহউদ্দীন সুমন নামে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন। ‘বর্ষসেরা ট্যুরিজম কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ হিসেবে তাঁকে এ পুরস্কার দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আজ ৩ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর...
১৩ ঘণ্টা আগে
এমন সমস্যায় কি আপনিও রয়েছেন? উৎসব এলেই গালে, কপালে, চিবুকে ব্রণের আনাগোনা দেখা দেয়? ব্রণ তাড়ানোর দুশ্চিন্তায় আবার পড়ে চোখের কোণে কালি। বিশেষ দিনে মেকআপ বসবে এই মুখের ত্বকেই। আর সেই ত্বকেই যদি সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে সাজগোজের কোনো মানেই হয় না।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বর হচ্ছে। এ সময়ের জ্বরে মুখটাও ভীষণ তেতো হয়ে উঠছে। এমন হলে ভিটামিন ‘সি’ যুক্ত টক ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এখন বাজারে আনারস, পেয়ারা ও আমড়া পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো দিয়েই মুখরোচক টক ফল মাখা তৈরি করে নিতে পারেন। কীভাবে তৈরি করবেন? রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা...
১৭ ঘণ্টা আগে