ফিচার ডেস্ক

বাড়িতে থাকলে সকালে উঠেই চা বা কফি পান করা অনেকের প্রধান অভ্যাস। কোথাও ছুটিতে গেলেও সেই অভ্যাস ছাড়তে পারেন না তাঁরা। ভ্রমণের সময় হোটেলের যে কক্ষে থাকেন, সকালে উঠে সেখানেই সকালের চা-কফির পর্ব সেরে নিতে চান অনেকে। কিন্তু আপনি কি জানেন, কেটলি কতটা স্বাস্থ্যসম্মত? পরের বার যখন কোনো হোটেল রুমে থাকবেন, তখন এই অভ্যাসের আগে দুবার ভাবুন। আপাতদৃষ্টে পরিষ্কার মনে হলেও হোটেল রুমের কেটলি হতে পারে আপনার ঘরে থাকা সবচেয়ে নোংরা জিনিসের একটি। আবার এমনও হতে পারে, তা পরিষ্কার। পরিষ্কার হলে তা আপনার সৌভাগ্য বলে মনে করতে পারেন।
আপনি হয়তো ভাবছেন, হোটেলের কর্মীরা তো কেটলি পরিষ্কার করেন। সমস্যা হলো, বেশির ভাগ হোটেলে কেটলিগুলো হয়তো দুই অতিথির মাঝে শুধু দ্রুত একবার ধুয়ে দেওয়া হয়। আমরা জানি, ফোন, রিমোট এবং আলংকারিক বালিশের মতো জিনিসগুলো প্রায়ই পরিচ্ছন্নতার সময় উপেক্ষিত থাকে। কিন্তু কেটলিকে এড়িয়ে যাওয়ার কারণটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। অনেক অতিথিই এটিকে চা বা কফি তৈরি ছাড়াও অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারেন। তাই আগেভাগে সতর্ক থাকা উত্তম।
কেটলি ব্যবহারের সেই ‘ভয়ংকর’ অভ্যাস
প্রতি কয়েক বছর পর হোটেল কেটলি নিয়ে কিছু ভয়ংকর গল্প অনলাইনে প্রকাশিত হয়। এমনই এক ঘটনা ঘটে ২০২০ সালে, যখন এক রেডডিট ব্যবহারকারী ‘লাইফ প্রো টিপস’ সাবরেডডিটে গিয়ে মানুষকে সতর্ক করে দেন। তিনি লেখেন, ‘আমার ভাই আমস্টারডামের একটি হোটেলে কাজ করে এবং সে প্রায়ই অবিশ্বাস্য সব গল্প নিয়ে বাড়ি ফেরে। সে আমাকে বলেছিল যে অতিথিরা প্রায় একচেটিয়াভাবে চা তৈরি ছাড়া অন্যান্য উদ্দেশ্যে কেটলি ব্যবহার করেন।’ কেটলি প্রায়ই ভাত রান্না করতে, ছোট তোয়ালে গরম করতে এবং অন্তর্বাস পরিষ্কার/ধোয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। বেশির ভাগ হোটেলই অতিথিদের কাছ থেকে এমনটা আশা করে না। এই আচরণের বিষয়ে অবগতও থাকে না, তাই কেটলিগুলো ‘ডিপ ক্লিন’ করা হয় না। আপনার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধির জন্য হোটেল রুমের কেটলি ব্যবহার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
পর্যটন পেশাজীবী আন্দ্রেয়া প্লানিয়া মিররকে বলেছেন, ‘এমন ঘটনাও ঘটেছে যেখানে অতিথিরা কেটলির ভেতরে এমন জিনিস রেখেছেন, যা সেখানে কখনোই রাখা উচিত নয়। আমি মোজা থেকে শুরু করে আরও খারাপ কিছুর গল্পও শুনেছি।’
এড়ানোর উপায় কী
শুনে গা শিউরে উঠলেও আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বিপদটি হয়তো ততটা গুরুতর নয়। কারণ, কেটলির পানি যখন ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম করা হয়, তখন কার্যত সব রোগজীবাণু মারা যায়। তবে এর ফলে কেটলির মধ্যে কেউ তার নোংরা মোজা বা প্যান্ট সেদ্ধ করেছে, সেই জঘন্য মানসিক চিত্রটি দূর হয় না। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, যদি হোটেলটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, তবে কেটলিগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও ডেসকেল করা উচিত। তবে আপনি ব্যবহারের আগে কেটলিটি ভালোভাবে দেখে নিজেই সিদ্ধান্ত নিন। যদি ঝুঁকি এড়াতে চান, তবে ব্যবহারের আগে কেটলির পানি তিন থেকে পাঁচ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিন। এটি নিশ্চিতভাবে সব ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও ভাইরাস মেরে ফেলবে।

অনেকে পরামর্শ দেন সঙ্গে করে সামান্য ডিশওয়াশিং লিকুইড বা ডিশওয়াশার পাউডার নিয়ে যাওয়ার। যেসব ভ্রমণকারীর জরুরি ভিত্তিতে গরম পানি দিয়ে কাপড় ধোয়ার প্রয়োজন, তারা কেটলিতে পরিষ্কার পানি গরম করুন। এরপ সিঙ্কের ড্রেনার বন্ধ করুন এবং সেখানে আপনার কাপড়টি রেখে তার ওপর গরম পানি ঢেলে দিন।
অবশ্য, সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প হলো কেটলি ব্যবহার পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া এবং হোটেলের ইস্তিরি পরিষেবা ব্যবহার করা। যদিও এর জন্য কিছুটা অতিরিক্ত অর্থ খরচ হতে পারে, কিন্তু এটি নিশ্চিত করে যে আপনার পোশাক এবং সকালের কফি—উভয়ই যেন সত্যিই পরিষ্কার থাকে।
সূত্র: ট্রাভেল+লিজার

বাড়িতে থাকলে সকালে উঠেই চা বা কফি পান করা অনেকের প্রধান অভ্যাস। কোথাও ছুটিতে গেলেও সেই অভ্যাস ছাড়তে পারেন না তাঁরা। ভ্রমণের সময় হোটেলের যে কক্ষে থাকেন, সকালে উঠে সেখানেই সকালের চা-কফির পর্ব সেরে নিতে চান অনেকে। কিন্তু আপনি কি জানেন, কেটলি কতটা স্বাস্থ্যসম্মত? পরের বার যখন কোনো হোটেল রুমে থাকবেন, তখন এই অভ্যাসের আগে দুবার ভাবুন। আপাতদৃষ্টে পরিষ্কার মনে হলেও হোটেল রুমের কেটলি হতে পারে আপনার ঘরে থাকা সবচেয়ে নোংরা জিনিসের একটি। আবার এমনও হতে পারে, তা পরিষ্কার। পরিষ্কার হলে তা আপনার সৌভাগ্য বলে মনে করতে পারেন।
আপনি হয়তো ভাবছেন, হোটেলের কর্মীরা তো কেটলি পরিষ্কার করেন। সমস্যা হলো, বেশির ভাগ হোটেলে কেটলিগুলো হয়তো দুই অতিথির মাঝে শুধু দ্রুত একবার ধুয়ে দেওয়া হয়। আমরা জানি, ফোন, রিমোট এবং আলংকারিক বালিশের মতো জিনিসগুলো প্রায়ই পরিচ্ছন্নতার সময় উপেক্ষিত থাকে। কিন্তু কেটলিকে এড়িয়ে যাওয়ার কারণটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। অনেক অতিথিই এটিকে চা বা কফি তৈরি ছাড়াও অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারেন। তাই আগেভাগে সতর্ক থাকা উত্তম।
কেটলি ব্যবহারের সেই ‘ভয়ংকর’ অভ্যাস
প্রতি কয়েক বছর পর হোটেল কেটলি নিয়ে কিছু ভয়ংকর গল্প অনলাইনে প্রকাশিত হয়। এমনই এক ঘটনা ঘটে ২০২০ সালে, যখন এক রেডডিট ব্যবহারকারী ‘লাইফ প্রো টিপস’ সাবরেডডিটে গিয়ে মানুষকে সতর্ক করে দেন। তিনি লেখেন, ‘আমার ভাই আমস্টারডামের একটি হোটেলে কাজ করে এবং সে প্রায়ই অবিশ্বাস্য সব গল্প নিয়ে বাড়ি ফেরে। সে আমাকে বলেছিল যে অতিথিরা প্রায় একচেটিয়াভাবে চা তৈরি ছাড়া অন্যান্য উদ্দেশ্যে কেটলি ব্যবহার করেন।’ কেটলি প্রায়ই ভাত রান্না করতে, ছোট তোয়ালে গরম করতে এবং অন্তর্বাস পরিষ্কার/ধোয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। বেশির ভাগ হোটেলই অতিথিদের কাছ থেকে এমনটা আশা করে না। এই আচরণের বিষয়ে অবগতও থাকে না, তাই কেটলিগুলো ‘ডিপ ক্লিন’ করা হয় না। আপনার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধির জন্য হোটেল রুমের কেটলি ব্যবহার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
পর্যটন পেশাজীবী আন্দ্রেয়া প্লানিয়া মিররকে বলেছেন, ‘এমন ঘটনাও ঘটেছে যেখানে অতিথিরা কেটলির ভেতরে এমন জিনিস রেখেছেন, যা সেখানে কখনোই রাখা উচিত নয়। আমি মোজা থেকে শুরু করে আরও খারাপ কিছুর গল্পও শুনেছি।’
এড়ানোর উপায় কী
শুনে গা শিউরে উঠলেও আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বিপদটি হয়তো ততটা গুরুতর নয়। কারণ, কেটলির পানি যখন ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম করা হয়, তখন কার্যত সব রোগজীবাণু মারা যায়। তবে এর ফলে কেটলির মধ্যে কেউ তার নোংরা মোজা বা প্যান্ট সেদ্ধ করেছে, সেই জঘন্য মানসিক চিত্রটি দূর হয় না। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, যদি হোটেলটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, তবে কেটলিগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও ডেসকেল করা উচিত। তবে আপনি ব্যবহারের আগে কেটলিটি ভালোভাবে দেখে নিজেই সিদ্ধান্ত নিন। যদি ঝুঁকি এড়াতে চান, তবে ব্যবহারের আগে কেটলির পানি তিন থেকে পাঁচ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিন। এটি নিশ্চিতভাবে সব ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও ভাইরাস মেরে ফেলবে।

অনেকে পরামর্শ দেন সঙ্গে করে সামান্য ডিশওয়াশিং লিকুইড বা ডিশওয়াশার পাউডার নিয়ে যাওয়ার। যেসব ভ্রমণকারীর জরুরি ভিত্তিতে গরম পানি দিয়ে কাপড় ধোয়ার প্রয়োজন, তারা কেটলিতে পরিষ্কার পানি গরম করুন। এরপ সিঙ্কের ড্রেনার বন্ধ করুন এবং সেখানে আপনার কাপড়টি রেখে তার ওপর গরম পানি ঢেলে দিন।
অবশ্য, সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প হলো কেটলি ব্যবহার পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া এবং হোটেলের ইস্তিরি পরিষেবা ব্যবহার করা। যদিও এর জন্য কিছুটা অতিরিক্ত অর্থ খরচ হতে পারে, কিন্তু এটি নিশ্চিত করে যে আপনার পোশাক এবং সকালের কফি—উভয়ই যেন সত্যিই পরিষ্কার থাকে।
সূত্র: ট্রাভেল+লিজার

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৪ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৬ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
২০ ঘণ্টা আগে