ফিচার ডেস্ক

‘সফট স্কিল’ শব্দটি এখন মানুষের মুখে মুখে ফেরে। কিন্তু এর প্রকৃত অর্থ ও গুরুত্ব অনেক সময় ধোঁয়াশার মধ্যে থেকে যায়। সফট স্কিল বলতে বোঝানো হয়, ব্যক্তিগত চরিত্র, সম্পর্ক ও মনোভাবের দক্ষতা, যা আমাদের কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনে সমানভাবে প্রয়োজনীয়। যেমন যোগাযোগ, নেতৃত্ব, সমস্যার সমাধান, আন্তব্যক্তিক সম্পর্ক ও সংঘাত ব্যবস্থাপনা। প্রযুক্তি বদলাবে, কাজের ধরন পাল্টাবে, কিন্তু মানুষের সঙ্গে কাজ করার ধরন সব সময় প্রাসঙ্গিক থাকবে। সফট স্কিল কেবল পেশাদার উন্নতির মাধ্যম নয়, এটি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির সিঁড়ি।
শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সফলতা আসে না। সফট স্কিল আমাদের কর্মদক্ষতা, সহকর্মী ও ক্লায়েন্টের সঙ্গে সম্পর্ক এবং মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখনকার প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে এগুলোই পার্থক্য গড়ে দেবে। সফট স্কিল উন্নয়নের প্রধান দিকগুলো জানা থাকলে এগিয়ে যাওয়া আরও সহজ হয়ে উঠবে। বর্তমান দ্রুত পরিবর্তিত পেশাদার দুনিয়ায় সফট স্কিল অর্জন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এটি কর্মক্ষেত্রে সফলতার সোপান শুধু নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অমূল্য। গবেষণাগুলো পরিষ্কার দেখিয়েছে, সঠিক অভ্যাস ও মনোযোগ দিয়ে সফট স্কিল বিকাশ করলে তা আপনার জন্য একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সিঁড়ি হয়ে উঠতে পারে।
যোগাযোগ দক্ষতা
শুধু কথা বলা নয়, বোঝাতে পারাটাই আসল শক্তি। সফট স্কিলের মধ্যে মুখ্য হলো স্পষ্ট ও কার্যকর যোগাযোগ। কথা বলার সময় সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষা ব্যবহার করুন; যাতে আপনার বক্তব্য স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। যোগাযোগের সময় চোখের যোগাযোগ রাখা অপরিহার্য, যা অন্যদের বোঝায়, আপনি তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। শরীরের ভাষা; যেমন সোজা বসা, সামান্য সামনের দিকে ঝুঁকে বসা—এগুলোও মনোযোগ প্রদর্শনের সংকেত দেয়। চোখের যোগাযোগ, শরীরের ভাষা ও মনোযোগী ভঙ্গি—এগুলো আপনার কথাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।
সক্রিয় শোনার দক্ষতা
শুধু কথা বলা নয়, ভালো শ্রোতাও হওয়া দরকার। একজন ভালো শ্রোতা হওয়ার মাধ্যমে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সক্রিয়ভাবে শোনার মানে হলো মনোযোগ দিয়ে কথোপকথন চালানো, মাঝে মাঝেই বোঝানোর জন্য কথাগুলো পুনরায় বলা, প্রশ্ন করা ও বিরক্ত না করে শুনতে পারা। এর মাধ্যমে বোঝান, আপনি আসলেই শুনছেন। অন্যজনের অঙ্গভঙ্গি লক্ষ করে তাঁদের মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
সম্পর্ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ
কর্মক্ষেত্রে বা জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে সুষ্ঠু সম্পর্ক গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সহকর্মীদের সঙ্গে সদয় হওয়া, সাধারণ শুভেচ্ছা বিনিময়, ব্রেক টাইমে আলাপ-আলোচনা—এসব ছোট্ট কাজই সম্পর্কের বন্ধন মজবুত করে। গসিপ বা নেতিবাচক কথাবার্তা এড়িয়ে চলা উচিত।
সমস্যা সমাধানের দক্ষতা
জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সমস্যা নয়, সমাধান খোঁজাই সফট স্কিল। তাই মনোযোগ দিয়ে সমস্যা বিশ্লেষণ করুন এবং সৃজনশীলভাবে সমাধান খুঁজুন। সমস্যা মানেই ব্যর্থতা নয়। এটা মূলত চিন্তাভাবনার খেলা। সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করে সম্ভাব্য সমাধান ভাবুন। যেকোনো কর্মক্ষেত্রে সমস্যা বা দ্বন্দ্ব আসবেই। তাই এগুলো স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মোকাবিলা করার দক্ষতা অর্জন জরুরি। ব্যক্তিগতভাবে শান্ত ও বিনয়ের সঙ্গে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করুন। অন্যজনের বক্তব্য বোঝার চেষ্টা এবং সমাধান খুঁজতে সহযোগিতা করুন। দ্বন্দ্ব হলে তা এড়িয়ে না গিয়ে সরাসরি, শান্তভাবে আলোচনা চালিয়ে যান। অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করুন। সমস্যা সমাধানের খেলা, যেমন দাবা মনোযোগ ও কৌশল উন্নয়নে সাহায্য করে।
নেতৃত্বের গুণাবলি
নেতৃত্ব মানে শুধু নির্দেশ নয়, বরং অনুপ্রেরণা দেওয়া। নেতৃত্বের গুণগুলো অনেক সময় জন্মগত মনে হয়। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এগুলো শেখা ও অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জনযোগ্য। আপনার সুপারভাইজারের কাজ পর্যবেক্ষণ করা, তাঁদের সফল কৌশলগুলো অনুকরণের চেষ্টা করাসহ ছোট ছোট সুযোগে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন। সব সময় ‘বস’ হতে হবে না। ছোট দায়িত্বও নেতৃত্বের সূচনা হতে পারে। নিজের কাজ শেষ হওয়ার পর অন্যদের সাহায্য করার প্রস্তাব রাখা উদ্যোগী হওয়া বোঝায়। অবশ্যই সম্মানজনক ও সৌজন্যপূর্ণ হওয়া জরুরি। কারও কাজের ওপর জোর করা ঠিক নয়। কেউ বলার আগেই নিজের দায়িত্ব খুঁজে নেওয়াই আপনার অগ্রগামী মনোভাব প্রমাণ করে। সহকর্মীর ব্যস্ততা দেখলে সাহায্যের প্রস্তাব দিন, তবে তা সংবেদনশীল ও সম্মানজনকভাবে দেওয়া জরুরি।
লিখিত দক্ষতা
কথা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি লেখা আপনার পেশাদারত্বের প্রতিচ্ছবি। শুধু কথোপকথন নয়, লিখিত ভাষায় নিজেকে সঠিকভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতা কমিউনিকেশনকে আরও শক্তিশালী করে। প্রতিদিন লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন, প্রয়োজনে অনলাইন কোর্স বা ওয়ার্কশপে অংশ নিন। ই-মেইল, রিপোর্ট বা নোট—সবকিছুতে পরিষ্কার, সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিক হওয়া জরুরি।
সফট স্কিল বিকাশের জন্য কিছু কার্যকর উপায়
⦁ পরিবার বা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলুন এবং মতবিনিময় করুন।
⦁ অনেক মানুষের সামনে কথা বলায় দুর্বল হলে ছোট গ্রুপে কথা বলার অভ্যাস তৈরি করুন।
⦁ অফিসের বাইরে ও ভেতরে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হোন, নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন।
⦁ কাজের বাইরে শখ ও শারীরিক কর্মকাণ্ডে মনোযোগ দিন, যা মানসিক স্থিতিশীলতা বাড়াবে।
সূত্র: উইকি হাউ

‘সফট স্কিল’ শব্দটি এখন মানুষের মুখে মুখে ফেরে। কিন্তু এর প্রকৃত অর্থ ও গুরুত্ব অনেক সময় ধোঁয়াশার মধ্যে থেকে যায়। সফট স্কিল বলতে বোঝানো হয়, ব্যক্তিগত চরিত্র, সম্পর্ক ও মনোভাবের দক্ষতা, যা আমাদের কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনে সমানভাবে প্রয়োজনীয়। যেমন যোগাযোগ, নেতৃত্ব, সমস্যার সমাধান, আন্তব্যক্তিক সম্পর্ক ও সংঘাত ব্যবস্থাপনা। প্রযুক্তি বদলাবে, কাজের ধরন পাল্টাবে, কিন্তু মানুষের সঙ্গে কাজ করার ধরন সব সময় প্রাসঙ্গিক থাকবে। সফট স্কিল কেবল পেশাদার উন্নতির মাধ্যম নয়, এটি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির সিঁড়ি।
শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সফলতা আসে না। সফট স্কিল আমাদের কর্মদক্ষতা, সহকর্মী ও ক্লায়েন্টের সঙ্গে সম্পর্ক এবং মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখনকার প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে এগুলোই পার্থক্য গড়ে দেবে। সফট স্কিল উন্নয়নের প্রধান দিকগুলো জানা থাকলে এগিয়ে যাওয়া আরও সহজ হয়ে উঠবে। বর্তমান দ্রুত পরিবর্তিত পেশাদার দুনিয়ায় সফট স্কিল অর্জন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এটি কর্মক্ষেত্রে সফলতার সোপান শুধু নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অমূল্য। গবেষণাগুলো পরিষ্কার দেখিয়েছে, সঠিক অভ্যাস ও মনোযোগ দিয়ে সফট স্কিল বিকাশ করলে তা আপনার জন্য একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সিঁড়ি হয়ে উঠতে পারে।
যোগাযোগ দক্ষতা
শুধু কথা বলা নয়, বোঝাতে পারাটাই আসল শক্তি। সফট স্কিলের মধ্যে মুখ্য হলো স্পষ্ট ও কার্যকর যোগাযোগ। কথা বলার সময় সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষা ব্যবহার করুন; যাতে আপনার বক্তব্য স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। যোগাযোগের সময় চোখের যোগাযোগ রাখা অপরিহার্য, যা অন্যদের বোঝায়, আপনি তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। শরীরের ভাষা; যেমন সোজা বসা, সামান্য সামনের দিকে ঝুঁকে বসা—এগুলোও মনোযোগ প্রদর্শনের সংকেত দেয়। চোখের যোগাযোগ, শরীরের ভাষা ও মনোযোগী ভঙ্গি—এগুলো আপনার কথাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।
সক্রিয় শোনার দক্ষতা
শুধু কথা বলা নয়, ভালো শ্রোতাও হওয়া দরকার। একজন ভালো শ্রোতা হওয়ার মাধ্যমে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সক্রিয়ভাবে শোনার মানে হলো মনোযোগ দিয়ে কথোপকথন চালানো, মাঝে মাঝেই বোঝানোর জন্য কথাগুলো পুনরায় বলা, প্রশ্ন করা ও বিরক্ত না করে শুনতে পারা। এর মাধ্যমে বোঝান, আপনি আসলেই শুনছেন। অন্যজনের অঙ্গভঙ্গি লক্ষ করে তাঁদের মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
সম্পর্ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ
কর্মক্ষেত্রে বা জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে সুষ্ঠু সম্পর্ক গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সহকর্মীদের সঙ্গে সদয় হওয়া, সাধারণ শুভেচ্ছা বিনিময়, ব্রেক টাইমে আলাপ-আলোচনা—এসব ছোট্ট কাজই সম্পর্কের বন্ধন মজবুত করে। গসিপ বা নেতিবাচক কথাবার্তা এড়িয়ে চলা উচিত।
সমস্যা সমাধানের দক্ষতা
জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সমস্যা নয়, সমাধান খোঁজাই সফট স্কিল। তাই মনোযোগ দিয়ে সমস্যা বিশ্লেষণ করুন এবং সৃজনশীলভাবে সমাধান খুঁজুন। সমস্যা মানেই ব্যর্থতা নয়। এটা মূলত চিন্তাভাবনার খেলা। সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করে সম্ভাব্য সমাধান ভাবুন। যেকোনো কর্মক্ষেত্রে সমস্যা বা দ্বন্দ্ব আসবেই। তাই এগুলো স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মোকাবিলা করার দক্ষতা অর্জন জরুরি। ব্যক্তিগতভাবে শান্ত ও বিনয়ের সঙ্গে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করুন। অন্যজনের বক্তব্য বোঝার চেষ্টা এবং সমাধান খুঁজতে সহযোগিতা করুন। দ্বন্দ্ব হলে তা এড়িয়ে না গিয়ে সরাসরি, শান্তভাবে আলোচনা চালিয়ে যান। অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করুন। সমস্যা সমাধানের খেলা, যেমন দাবা মনোযোগ ও কৌশল উন্নয়নে সাহায্য করে।
নেতৃত্বের গুণাবলি
নেতৃত্ব মানে শুধু নির্দেশ নয়, বরং অনুপ্রেরণা দেওয়া। নেতৃত্বের গুণগুলো অনেক সময় জন্মগত মনে হয়। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এগুলো শেখা ও অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জনযোগ্য। আপনার সুপারভাইজারের কাজ পর্যবেক্ষণ করা, তাঁদের সফল কৌশলগুলো অনুকরণের চেষ্টা করাসহ ছোট ছোট সুযোগে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন। সব সময় ‘বস’ হতে হবে না। ছোট দায়িত্বও নেতৃত্বের সূচনা হতে পারে। নিজের কাজ শেষ হওয়ার পর অন্যদের সাহায্য করার প্রস্তাব রাখা উদ্যোগী হওয়া বোঝায়। অবশ্যই সম্মানজনক ও সৌজন্যপূর্ণ হওয়া জরুরি। কারও কাজের ওপর জোর করা ঠিক নয়। কেউ বলার আগেই নিজের দায়িত্ব খুঁজে নেওয়াই আপনার অগ্রগামী মনোভাব প্রমাণ করে। সহকর্মীর ব্যস্ততা দেখলে সাহায্যের প্রস্তাব দিন, তবে তা সংবেদনশীল ও সম্মানজনকভাবে দেওয়া জরুরি।
লিখিত দক্ষতা
কথা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি লেখা আপনার পেশাদারত্বের প্রতিচ্ছবি। শুধু কথোপকথন নয়, লিখিত ভাষায় নিজেকে সঠিকভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতা কমিউনিকেশনকে আরও শক্তিশালী করে। প্রতিদিন লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন, প্রয়োজনে অনলাইন কোর্স বা ওয়ার্কশপে অংশ নিন। ই-মেইল, রিপোর্ট বা নোট—সবকিছুতে পরিষ্কার, সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিক হওয়া জরুরি।
সফট স্কিল বিকাশের জন্য কিছু কার্যকর উপায়
⦁ পরিবার বা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলুন এবং মতবিনিময় করুন।
⦁ অনেক মানুষের সামনে কথা বলায় দুর্বল হলে ছোট গ্রুপে কথা বলার অভ্যাস তৈরি করুন।
⦁ অফিসের বাইরে ও ভেতরে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হোন, নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন।
⦁ কাজের বাইরে শখ ও শারীরিক কর্মকাণ্ডে মনোযোগ দিন, যা মানসিক স্থিতিশীলতা বাড়াবে।
সূত্র: উইকি হাউ

সকালের নাশতায় ডিম অনেকের প্রথম পছন্দ। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। ডিমের হরেক পদের মধ্যে স্ক্র্যাম্বলড এগ বা ডিমের ঝুরি এর স্বাদের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। স্ক্র্যাম্বলড এগ তৈরি করা খুব কঠিন কিছু নয়। তবে ভালো টেক্সচার পেতে হলে কিছু সহজ ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
১ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
১১ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৭ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৯ ঘণ্টা আগে