আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৬তম সমাবর্তন। অনুষ্ঠানে মোট ৩ হাজার ৩২২ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২ হাজার ৬৪৬ জন স্নাতক এবং ৬৭৬ জন স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় এনএসইউ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কনভোকেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের দিনটি শুধু ডিগ্রি অর্জনের জন্য নয়, তোমরা ভবিষ্যতে সমাজ ও রাষ্ট্রকে কী দেবে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা দেশ ও দেশের বাইরে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশ্বের বড় বড় শহরে তারা নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা এই নির্দলীয় আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সেখানে সাহসী ও দৃশ্যমান ভূমিকা রেখেছে।’
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কনভোকেশন মার্শাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মামুন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে ডিগ্রিপ্রার্থীদের উপস্থাপন করেন এনএসইউর স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক মো. রিজওয়ানুল ইসলাম, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন এবং স্কুল অব হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক দীপক কুমার মিত্র।
সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। তাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে তাঁদের বাবা-মা, শিক্ষকেরা এবং পুরো দেশ। এনএসইউ গ্র্যাজুয়েটরা আজ ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর, লন্ডন থেকে টরন্টো পর্যন্ত নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৬তম সমাবর্তন। অনুষ্ঠানে মোট ৩ হাজার ৩২২ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২ হাজার ৬৪৬ জন স্নাতক এবং ৬৭৬ জন স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় এনএসইউ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কনভোকেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের দিনটি শুধু ডিগ্রি অর্জনের জন্য নয়, তোমরা ভবিষ্যতে সমাজ ও রাষ্ট্রকে কী দেবে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা দেশ ও দেশের বাইরে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশ্বের বড় বড় শহরে তারা নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা এই নির্দলীয় আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সেখানে সাহসী ও দৃশ্যমান ভূমিকা রেখেছে।’
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কনভোকেশন মার্শাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মামুন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে ডিগ্রিপ্রার্থীদের উপস্থাপন করেন এনএসইউর স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক মো. রিজওয়ানুল ইসলাম, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন এবং স্কুল অব হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক দীপক কুমার মিত্র।
সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। তাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে তাঁদের বাবা-মা, শিক্ষকেরা এবং পুরো দেশ। এনএসইউ গ্র্যাজুয়েটরা আজ ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর, লন্ডন থেকে টরন্টো পর্যন্ত নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
১৪ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
১৫ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ...
১৮ ঘণ্টা আগে