বছরে একবার অন্তত আলমারির সব জামাকাপড় বের করে পুনরায় ভাঁজ করে রাখা হয় প্রায় সবারই। এদিন কিন্তু পুরোনো অনেক জামাকাপড় এবং সাজিয়ে রাখা কাতান, সিল্ক, জর্জেট, জামদানি—সবই বের হয় আলমারির গহিন থেকে। চোখে পড়ে কয়েক বছর আগের ট্রেন্ডে বানানো জামাকাপড়ও। পুরোনো বিছানার চাদর আর বালিশের কভারও বের হয় নিশ্চিত! কিছু পোশাক ও কাপড় স্মৃতি হিসেবে সংগ্রহে রাখতে পারেন। আর বাকিগুলো? সেগুলোর কথা এবার নতুন করে ভাবুন। সে ক্ষেত্রে এসব পোশাক বা কাপড় ব্যবহার করতে পারেন ঘর সাজানোর কাজে। একে বলে আপসাইক্লিং। চলতি ট্রেন্ডে আপসাইক্লিং খুব ভালোভাবে জায়গা করে নিয়েছে।
এখন পুরোনো পোশাক কেটেকুটে নতুন পোশাক তৈরি ছাড়াও কী করে পুরোনো জামা কেটে টেবিল ম্যাট বা ওয়ালম্যাট বানাতে হয়, তা-ও শিখে নিচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। কীভাবে কী করবেন? জেনে নিতে পারেন এখানে—

টেবিল ম্যাট
ঘরোয়া অনুষ্ঠানগুলোয় ঘরের সাজে নতুনত্ব কে না আনতে চায়? ডাইনিং টেবিলের ম্যাট কিনতে বাড়তি খরচ না করে এবার পুরোনো কাতানের ওড়না বা শাড়ি দিয়েই বানিয়ে নিতে পারেন টেবিল ম্যাট। শাড়ির পাড় ব্যবহার করুন পাইপিং দেওয়ার কাজে। রঙের মিল এবং একটু বুদ্ধি খাটিয়ে সহজে বানিয়ে নিতে পারেন ব্যতিক্রমী নান্দনিক এই টেবিল ম্যাট।
কাপড়ের ওয়াল পেইন্টিং
অ্যাপ্লিক, নকশিকাঁথা, সুন্দর হ্যান্ডপেইন্টের কুর্তি, কামিজ, ফতুয়া বা শাড়িগুলো পুরোনো হয়ে গেলে বাক্সবন্দী না করে ঘর সাজানোর কাজে লাগিয়ে ফেলুন। ঘরের দেয়ালগুলো সুন্দরভাবে সাজানো গেলে প্রাণ ফিরে পায় পুরো বাড়ি। কাপড়ের বিশেষ নকশা অনুযায়ী চারকোনা করে কেটে ছোট-বড় ফ্রেম করে বা ক্যানভাসের ওপর বসিয়ে দেয়ালে টাঙিয়ে দিন। ঘরের শোভা বাড়াতে হ্যান্ডপেইন্ট শাড়ির আঁচল কেটেও ফ্রেম করে দেয়ালে রাখতে পারেন।
টেবিল রানার ও ম্যাট
ডাইনিং টেবিলের ওপর সুন্দর টেবিল রানার বিছিয়ে রাখতে সবাই ভালোবাসি। বিশেষ দিনগুলোর জন্য বা রাত্রি ভোজের আয়োজন থাকলে একটু ভারী কাজের টেবিল রানার ব্যবহার করতে দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে পুরোনো ওড়না দিয়ে টেবিল রানার বানিয়ে নিতে পারেন। শাড়ির পাড় রানারের চারপাশে লাগিয়ে নিলে অনেক ভালো দেখাবে। চাইলে রানারের চার কোণে টার্সেল বসিয়ে নেওয়া যায়। আবার কয়েক ধরনের কাপড় কেটে প্যাচওয়ার্কও করে নিতে পারেন।

ল্যাম্প শেড
অনেক দিন ধরে আলমারিতে পড়ে আছে এমন কোনো ফুল, পাখি, পুতুল আঁকা সিল্কের পালাজো থাকলে তা দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন নান্দনিক ল্যাম্পশেড। এর জন্য বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই; লাগবে শুধু সুই, সুতা, গ্লু গান ও প্রয়োজনে ল্যাম্পশেডের নিচে লাগানোর জন্য লেইস।
পর্দা
এক রঙের জর্জেট, জামদানি, চওড়া পাড়, সিল্ক বা কাতান শাড়ি আর চওড়া ওড়না দিয়ে চমৎকার পর্দা বানিয়ে ফেলা যায়। শোয়ার ঘর ও বসার ঘরের মাঝখানে ঝোলানোর জন্য বা শোয়ার ঘরের জানালার জন্য এ ধরনের শাড়ি দিয়ে ডেকোরেটিভ পর্দা বানালে ভালো লাগবে। তবে কোন ধরনের শাড়ি বা ওড়না দিয়ে পর্দা বানাবেন, তা নির্ভর করে ঘরের আকার ও দেয়ালের রঙের ওপর। ঘরের ও জানালার আকার ছোট হলে জানালার পর্দার জন্য জর্জেটের ওড়না ব্যবহার করলে ভালো হবে।

আরাম গদির কভার
বসার ঘরের মেঝেতে অনেকে আরাম গদি রাখেন। বিশেষ দিনগুলোয় ব্যবহারের জন্য পুরোনো গায়ে জড়ানোর জমকালো চাদর দিয়ে বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে ঝলমলে কভার। সে ক্ষেত্রে এই কভারের রং যেন সোফা ও বসার ঘরের অন্যান্য ফ্যাব্রিকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

কুশন কভার
সোফা বা আরাম গদির ওপর ছড়িয়ে রাখার জন্য কুশন কভারও বানিয়ে নেওয়া যায় পুরোনো বিছানার চাদর কেটে। চাইলে কয়েক রকম প্রিন্টের জামা কেটে প্যাচওয়ার্কের মতো করে নিতে পারেন।
পুরোনো কাপড় ফেলে না দিয়ে খানিক বুদ্ধি করে কিছু একটা তৈরি করে ফেলুন। এতে নতুনত্ব আসবে। কাজ করে নিজেরও ভালো লাগবে।
সূত্র: রিমেক ওয়ার্ল্ড, এইচজিটিভি ও অন্যান্য

ডিজিটাল ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম অ্যাগোডা তাদের ‘২০২৬ ট্রাভেল আউটলুক রিপোর্ট’-এ এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠছে স্থানীয় খাবার ও খাদ্যসংস্কৃতি।
১০ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে আঁশ বা ফাইবার বলতেই আমাদের মাথায় প্রথমে আসে ওটমিলের নাম। প্রতি কাপ ওটমিলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। তবে ওটমিলই একমাত্র আঁশের উৎস নয়। এমন অনেক সাধারণ খাবার আছে, যা ফাইবার বা আঁশের দিক থেকে ওটমিলকেও ছাড়িয়ে যায়। তাই যাঁরা ওটমিল খেতে পারেন না, তাঁদের জন্য এ খাবারগুলো সম্পর্কে জানা বেশি জরুরি।
১১ ঘণ্টা আগে
সচরাচর আমরা ভদ্রতার সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘দয়ালু’ বা ‘উদার’ শব্দ দুটি ব্যবহার করি। সমাজ আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। অনেক নিয়মের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা মনে করি, কাউকে ‘ধন্যবাদ’ বলা বা কেউ বিপদ পড়লে তাকে ‘শুনে খুব খারাপ লাগল’ বলাটাই ভালো মানুষের লক্ষণ।
১২ ঘণ্টা আগে
পথে আসতে-যেতে পেয়ারা চোখে পড়ছে এখন। প্রায়ই হয়তো ফেরার পথে কিনে নিয়ে আসেন বাড়িতে। এবার তৈরি করে ফেলুন পেয়ারার টক-মিষ্টি চাটনি। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আলিফ’স ডেলিকেট ডিশেজের শেফ আলিফ রিফাত...
১৬ ঘণ্টা আগে