ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

ভ্রমণ জগতে কত রকমের যে গন্তব্য বা ডেস্টিনেশনের তালিকা হয় বছর ভর, তার হিসাব রাখা সত্যি অসম্ভব। পৃথিবীর সেরা ১০ গন্তব্য কিংবা পৃথিবীর সেরা নিরাপদ শহর বা দেশ অথবা পৃথিবীর সেরা পরিচ্ছন্ন দেশ ইত্যাদির তালিকা হালনাগাদ হতে থাকে বছরভর। বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং পত্রপত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিন এসব তালিকা করে থাকে। ফলে পর্যটকেরাও নিজেদের আপডেট রাখতে সেগুলোর খোঁজ খবর রাখেন নিয়মিত। বছরের শেষে প্রকাশ হয়েছে তেমনি একটি তালিকা। সেটা খাবার নিয়ে।
ভ্রমণপিয়াসিদের কাছে খাবারের গুরুত্ব অনেক।

এখন পর্যটকেরা শুধু ঘোরাঘুরিতেই ব্যস্ত থাকে না, স্থানীয় খাবার চেখে দেখতে চায়। হয়তো সে কারণেই বিশ্বখ্যাত ভ্রমণ সাময়িকী ‘কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলার’ ২০২৬ সালের জন্য ১০টি শহরকে বেছে নিয়ে প্রকাশ করেছে বিশ্বের সেরা খাদ্যগন্তব্যের তালিকা। সেই শহরগুলো শুধু খাবারের স্বাদের কারণে নয়, বিশেষ রন্ধনশৈলীর ঐতিহ্যের কারণে তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। সেই তালিকায় নাম আছে এশিয়ার দুটি শহর। সেগুলো হলো চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং ও নেপালের পাতান। এই দুটি গন্তব্য প্রমাণ করেছে, এশিয়ার খাবারের স্বাদ শুধু পেট ভরাতেই নয়, বরং একটি অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে বুঝতেও সাহায্য করে। আপনি যদি ২০২৬ সালে এশিয়ার এই দুটি দেশে ভ্রমণে যান, তবে যা যা খেতে এবং যেসব অভিজ্ঞতা নিতে পারেন, তা জেনে রাখা যেতে পারে।
তালিকার সেরা দশ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন, গ্রিসের ক্রিট, মরক্কোর ফেস, চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং, কলম্বিয়ার মেডেলিন, ব্রাজিলের মিনাস গেরাইইস, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও প্যারামাত্তা, নেপালের পাতান, কানাডার প্রেইন্স এডওয়ার্ড কাউন্টি এবং স্পেনের সেভিল।
আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে হংকং
হংকং এমন এক শহর, যেখানে গগনচুম্বী অট্টালিকার ছাদে বিলাসবহুল ডাইনিং আর রাস্তার ধারের ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকান পাশাপাশি অবস্থান করে। ২০২৬ সালে হংকং ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে জেনে নিন হংকংয়ের কোন খাবারগুলো চেখে দেখবেন।
এক ঝুড়ি ধোঁয়া ওঠা ডিম সাম বা এক বাটি চিংড়ি ওয়ানটন নুডলস দিয়ে আপনার যাত্রা শুরু হতে পারে। হংকংয়ের স্থানীয় বাজারগুলোর কারি ফিশ বল এবং রোস্টেড গুজ বা হাঁসের মাংস অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটকদের কাছে। ক্ল্যাসিক সিল্ক স্টকিং মিল্ক টির আধুনিক রূপ হিসেবে ‘সিল্ক’-এর স্মুথ কিং ট্রাই করতে পারেন। এ ছাড়া পোশন হাউসে পাবেন বাবল টি ও বাবল টি ককটেল। এরপর মিষ্টি খেতে চাইলে বেকহাউস বা তাই চিয়ং বেকারির গরম-গরম এগ কাস্টার্ড টার্ট খেতে পারেন। এটি খাওয়ার জন্য অবশ্য পর্যটকদের লম্বা লাইন দেখা যায়। ফরাসি ও জাপানি খাবারের ফিউশন চাইলে রুকাউ বা মিশেলিন তারকা খ্যাত শেফ ভিকি লাউয়ের টেটে যেতে পারেন। যেখানে চায়নিজ খাবারের সঙ্গে ফরাসি রন্ধনশৈলীর মেলবন্ধন ঘটানো হয়।
হিমালয়ের কোলে স্বাদের জাদুঘর

কাঠমান্ডু উপত্যকার প্রাচীন শহর পাতান বা ললিতপুর বর্তমানে নেপালের রন্ধনশৈলীর নবজাগরণের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে আপনি পাবেন প্রাচীন ঐতিহ্য আর আধুনিক উদ্ভাবনের এক অনন্য স্বাদ। ইউনেসকো স্বীকৃত পাটান দরবার স্কয়ারের কাছে অবস্থিত হোনাচা। এখানে তিন প্রজন্ম ধরে চলে আসা রেসিপিতে তৈরি বারা বা ডাল দিয়ে তৈরি প্যানকেক এবং সবুজ ও কালো ডালের প্যানকেক চেখে দেখতে পারেন। এ ছাড়া ১৪ শতকের একটি পুকুরের পাশে অবস্থিত বিনু’সে পাবেন বিখ্যাত খাবার লাফিং; যা ঠান্ডা ও ঝাল তিব্বতীয় নুডলস। এর ওপর নেপালের জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট নুডলস ওয়াই ওয়াইয়ের গুঁড়া ছিটিয়ে খাওয়ার স্বাদই আলাদা। বিকেলের অবসরে জুন চিয়া ঘরের অরগানিক চা পান করতে পারেন। এটিকে বলা হয় রাজকীয় চা আসর। এই চা মিশেলিন স্টার রেস্তোরাঁগুলোতে সরবরাহ করা হয়। হিমালয়ান হার্ব ব্রথে ডুবানো বাফেলো ডাম্পলিং বা মেমো খাওয়ার জন্য এভারেস্ট মোমো খ্যাতি পর্যটকদের মুখে মুখে।
সূত্র: কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলার

ভ্রমণ জগতে কত রকমের যে গন্তব্য বা ডেস্টিনেশনের তালিকা হয় বছর ভর, তার হিসাব রাখা সত্যি অসম্ভব। পৃথিবীর সেরা ১০ গন্তব্য কিংবা পৃথিবীর সেরা নিরাপদ শহর বা দেশ অথবা পৃথিবীর সেরা পরিচ্ছন্ন দেশ ইত্যাদির তালিকা হালনাগাদ হতে থাকে বছরভর। বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং পত্রপত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিন এসব তালিকা করে থাকে। ফলে পর্যটকেরাও নিজেদের আপডেট রাখতে সেগুলোর খোঁজ খবর রাখেন নিয়মিত। বছরের শেষে প্রকাশ হয়েছে তেমনি একটি তালিকা। সেটা খাবার নিয়ে।
ভ্রমণপিয়াসিদের কাছে খাবারের গুরুত্ব অনেক।

এখন পর্যটকেরা শুধু ঘোরাঘুরিতেই ব্যস্ত থাকে না, স্থানীয় খাবার চেখে দেখতে চায়। হয়তো সে কারণেই বিশ্বখ্যাত ভ্রমণ সাময়িকী ‘কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলার’ ২০২৬ সালের জন্য ১০টি শহরকে বেছে নিয়ে প্রকাশ করেছে বিশ্বের সেরা খাদ্যগন্তব্যের তালিকা। সেই শহরগুলো শুধু খাবারের স্বাদের কারণে নয়, বিশেষ রন্ধনশৈলীর ঐতিহ্যের কারণে তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। সেই তালিকায় নাম আছে এশিয়ার দুটি শহর। সেগুলো হলো চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং ও নেপালের পাতান। এই দুটি গন্তব্য প্রমাণ করেছে, এশিয়ার খাবারের স্বাদ শুধু পেট ভরাতেই নয়, বরং একটি অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে বুঝতেও সাহায্য করে। আপনি যদি ২০২৬ সালে এশিয়ার এই দুটি দেশে ভ্রমণে যান, তবে যা যা খেতে এবং যেসব অভিজ্ঞতা নিতে পারেন, তা জেনে রাখা যেতে পারে।
তালিকার সেরা দশ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন, গ্রিসের ক্রিট, মরক্কোর ফেস, চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং, কলম্বিয়ার মেডেলিন, ব্রাজিলের মিনাস গেরাইইস, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও প্যারামাত্তা, নেপালের পাতান, কানাডার প্রেইন্স এডওয়ার্ড কাউন্টি এবং স্পেনের সেভিল।
আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে হংকং
হংকং এমন এক শহর, যেখানে গগনচুম্বী অট্টালিকার ছাদে বিলাসবহুল ডাইনিং আর রাস্তার ধারের ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকান পাশাপাশি অবস্থান করে। ২০২৬ সালে হংকং ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে জেনে নিন হংকংয়ের কোন খাবারগুলো চেখে দেখবেন।
এক ঝুড়ি ধোঁয়া ওঠা ডিম সাম বা এক বাটি চিংড়ি ওয়ানটন নুডলস দিয়ে আপনার যাত্রা শুরু হতে পারে। হংকংয়ের স্থানীয় বাজারগুলোর কারি ফিশ বল এবং রোস্টেড গুজ বা হাঁসের মাংস অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটকদের কাছে। ক্ল্যাসিক সিল্ক স্টকিং মিল্ক টির আধুনিক রূপ হিসেবে ‘সিল্ক’-এর স্মুথ কিং ট্রাই করতে পারেন। এ ছাড়া পোশন হাউসে পাবেন বাবল টি ও বাবল টি ককটেল। এরপর মিষ্টি খেতে চাইলে বেকহাউস বা তাই চিয়ং বেকারির গরম-গরম এগ কাস্টার্ড টার্ট খেতে পারেন। এটি খাওয়ার জন্য অবশ্য পর্যটকদের লম্বা লাইন দেখা যায়। ফরাসি ও জাপানি খাবারের ফিউশন চাইলে রুকাউ বা মিশেলিন তারকা খ্যাত শেফ ভিকি লাউয়ের টেটে যেতে পারেন। যেখানে চায়নিজ খাবারের সঙ্গে ফরাসি রন্ধনশৈলীর মেলবন্ধন ঘটানো হয়।
হিমালয়ের কোলে স্বাদের জাদুঘর

কাঠমান্ডু উপত্যকার প্রাচীন শহর পাতান বা ললিতপুর বর্তমানে নেপালের রন্ধনশৈলীর নবজাগরণের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে আপনি পাবেন প্রাচীন ঐতিহ্য আর আধুনিক উদ্ভাবনের এক অনন্য স্বাদ। ইউনেসকো স্বীকৃত পাটান দরবার স্কয়ারের কাছে অবস্থিত হোনাচা। এখানে তিন প্রজন্ম ধরে চলে আসা রেসিপিতে তৈরি বারা বা ডাল দিয়ে তৈরি প্যানকেক এবং সবুজ ও কালো ডালের প্যানকেক চেখে দেখতে পারেন। এ ছাড়া ১৪ শতকের একটি পুকুরের পাশে অবস্থিত বিনু’সে পাবেন বিখ্যাত খাবার লাফিং; যা ঠান্ডা ও ঝাল তিব্বতীয় নুডলস। এর ওপর নেপালের জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট নুডলস ওয়াই ওয়াইয়ের গুঁড়া ছিটিয়ে খাওয়ার স্বাদই আলাদা। বিকেলের অবসরে জুন চিয়া ঘরের অরগানিক চা পান করতে পারেন। এটিকে বলা হয় রাজকীয় চা আসর। এই চা মিশেলিন স্টার রেস্তোরাঁগুলোতে সরবরাহ করা হয়। হিমালয়ান হার্ব ব্রথে ডুবানো বাফেলো ডাম্পলিং বা মেমো খাওয়ার জন্য এভারেস্ট মোমো খ্যাতি পর্যটকদের মুখে মুখে।
সূত্র: কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলার

বারো মাসই উত্তরবঙ্গের যেকোনো জেলা ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে আলাদা অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়। যাঁরা শীত উপভোগ করতে চান, তাঁরা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারেন। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় পুরো রংপুর বিভাগ অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে।...
৬ ঘণ্টা আগে
পাখিদের কলরবে মুখরিত চারপাশ। মূল সড়ক থেকেই দেখা যাচ্ছিল পাখিদের। আমরা গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম পাখিদের কর্ম তৎপরতা। বেশ ভালোই লাগছিল। পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করে ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু মনমতো ছবি তোলা হলো না। ড্রাইভার বললেন, আরেকটু সামনে গেলে হয়তো আরও পাখির দেখা পাওয়া যাবে...
৮ ঘণ্টা আগে
পৃথিবী এখন আর দুই বছর আগের মতো নেই। বিভিন্ন দেশে নানা মেরুকরণ চলছে। সেই সঙ্গে একদিকে চলছে অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক উত্তেজনা; অন্যদিকে বিভিন্ন দেশে চলছে ভ্রমণ থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর বিপুল আয়োজন। সে জন্য নতুন করে ভিসা শিথিলসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালু করেছে তারা। ফলে নতুন বছরে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক...
১০ ঘণ্টা আগে
জম্পেশ খাওয়াদাওয়া ছাড়া নববর্ষ জমে না। কবজি ডুবিয়ে বিরিয়ানি খেতে মন চাইলে বাড়িতেই রেঁধে ফেলুন মাটন দম বিরিয়ানি। আপনাদের জন্য মাটন দম বিরিয়ানির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।...
১২ ঘণ্টা আগে