
ব্যস্ত জীবনযাত্রা, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, বংশগত কারণ কিংবা বয়স বাড়ার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। যে কারণই হোক না কেন, চোখের নিচে কালো দাগ ও ফোলা ভাব আমাদের ক্লান্ত ও বয়স্ক দেখায়। চোখের চারপাশের ত্বক অত্যন্ত পাতলা ও সংবেদনশীল হওয়ায় এখানে দাগ বা বয়সের ছাপ খুব দ্রুত ফুটে ওঠে। এই সমস্যার সমাধানে বাজারের নানা প্রসাধনী সবসময় কাজ নাও করতে পারে। তবে সঠিক কারণ বুঝে ঘরোয়া যত্ন ও চিকিৎসকের পরামর্শে এর সমাধান সম্ভব।
ঠাণ্ডা সেঁক: ঠাণ্ডা চামচ, শসার টুকরো, ভেজা তোয়ালে বা হিমায়িত সবজির ব্যাগ কয়েক মিনিটের জন্য চোখের নিচে রাখলে রক্তনালী সংকুচিত হয়। এর ফলে চোখের ফোলা ভাব ও ক্লান্তি দ্রুত দূর হয়।
টি ব্যাগ: গ্রিন টি বা ক্যামোমাইল টি-ব্যাগ ৩-৫ মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে ২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর ১৫-৩০ মিনিট চোখের ওপর রাখুন। চাতে থাকা ক্যাফেইন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
চোখের মালিশ ও লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ: আঙুলের হালকা চাপে চোখের চারপাশে ম্যাসাজ করলে বা কোল্ড রোলার ব্যবহার করলে জমে থাকা তরল সরে যায় এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়।
- চোখের নিচে যেকোনো ক্রিম বা প্রসাধনী অনামিকা দিয়ে হালকা ট্যাপ করে লাগাতে হবে। কখনো ঘষাঘষি বা টানাটানি করা যাবে না। পুরো দুই চোখের জন্য মাত্র এক মটরশুঁটি পরিমাণ ক্রিমই যথেষ্ট।
- সূর্যের অতিবেগুনি রশ্নি ত্বকের কোলাজেন নষ্ট করে এবং কালচে ভাব বাড়ায়। তাই চোখের ওপর ও নিচের পাতায় প্রতিদিন ওয়াটার-প্রুফ এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।
- মেকআপ নিয়ে ঘুমালে ত্বকে ফ্রি-র্যাডিক্যাল ও সংক্রমণের সৃষ্টি হয়, যা চোখের চারপাশের চামড়া দ্রুত বুড়িয়ে ফেলে।

ফোলা ভাব কমাতে: ক্যাফেইন বা ভিটামিন কে সমৃদ্ধ আই ক্রিম রক্তনালী সংকুচিত করে ফোলা ভাব ও লালচে ভাব সাময়িকভাবে কমায়। এছাড়া আইলুরোনিক অ্যাসিড, গ্লিসারিন ও সিরামাইড সমৃদ্ধ জেলজাতীয় লাইটওয়েট ফর্মুলা ব্যবহার করা ভালো।
কালো দাগ বা পিগমেন্টেশন দূর করতে: ভিটামিন সি, নিয়াসিনামাইড, আরবুটিন, কোজিক অ্যাসিড বা অ্যাজেলাইক অ্যাসিডযুক্ত ক্রিম ত্বককে উজ্জ্বল করে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ডার্মাটোলজিস্ট-গ্রেড হাইড্রোকুইনোন ব্যবহার করা যেতে পারে।
বলিরেখা প্রতিরোধে: রেটিনল বা রেটিনয়েড কোলাজেন তৈরি বাড়ায়। তবে চোখের সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ‘এনক্যাপসুলেটেড রেটিনল’ বেছে নেওয়া ভালো, যা ত্বকের জ্বালাপোড়া কমায়।
- রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানোর পাশাপাশি শোবার সময় মাথার নিচে দুটি বালিশ ব্যবহার করে মাথা একটু উঁচুতে রাখলে চোখের নিচে তরল জমা হতে পারে না।
- বেশি লবণ খেলে শরীরে পানি জমে চোখের নিচে ফোলা ভাব তৈরি হয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন-এর মতে, দিনে ১৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। এর পাশাপাশি কমলা, ব্রোকলি ও স্ট্রবেরির মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।
- ডিহাইড্রেশন ও ধূমপান চোখের নিচের ত্বককে ফ্যাকাসে ও কুঁচকে ফেলে। তাই দৈনিক ২.৭ থেকে ৩.৭ লিটার পানি পান করা এবং ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়ানো জরুরি।
সূত্র: হেলথ লাইন, ভেরিওয়েল মাইন্ড

বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বাতাসে আর্দ্রতা ও ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে ত্বক সারাক্ষণ চিটচিটে থাকে, যার ফলে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের আক্রমণ বাড়ে। ফলে ত্বকে চুলকানি, ঘামাচি, দাদ বা বডি অ্যাকনের মতো সমস্যা দেখা দেয়।
৮ ঘণ্টা আগে
যতই ন্য়ুড শেডের লিপস্টিক ব্যবহার করুন, বোঝা যাবেই যে ঠোঁটে লিপস্টিক ছুঁইয়েছেন। যাঁরা ঠোঁটে গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করতে চান না, তবে চেহারায় একটা তরতাজা ভাব আনতে চান, তাঁদের কাছে লিপ টিন্ট খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
এডিএইচডি শব্দটা আমরা প্রায়ই শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে দেখি। কিন্তু অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার বা এডিএইচডি কেবল শিশুদের নয়, বড়দেরও হতে পারে। অনেক সময় অবহেলা বা না জানার কারণে প্রাপ্তবয়স্কদের এডিএইচডি নজরের বাইরে থেকে যায়। এটি ব্যক্তির নিজের জন্য তো ক্ষতিকরই, বৈবাহিক বা প্রেমের
১২ ঘণ্টা আগে
ব্যস্ত জীবনযাত্রায় ঝটপট রান্না সারতে গিয়ে ফ্রিজ খুলে সোজাসুজি কড়াই বা ওভেনে খাবার চাপিয়ে দেওয়া অনেকের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষ করে ডিপ ফ্রিজে রাখা খাবার আমাদের সময় যেমন বাঁচায়, তেমনি খাবারের অপচয়ও রোধ করে। কিন্তু সব খাবার ফ্রিজ থেকে বের করেই সরাসরি রান্না করা যায় না।
১৪ ঘণ্টা আগে