ডয়চে ভেলে

ইউরোপের অনেক দেশের পাউরুটির সুনাম রয়েছে। ফ্রান্সে হাতে গোনা কিছু ‘অরিজিনাল বেকার’ ঐতিহ্যবাহী কৌশল ও যতটা সম্ভব মৌলিক ধ্যানধারণা আঁকড়ে ধরে গ্রাম্য পাউরুটি প্রস্তুত করছেন। প্যারিসের মাঝে ক্ষুদ্র বেকারির দোকানে প্রায় কোনো যন্ত্রই নেই। দাদা-নানার যুগের মতো সব কাজ হাতে করে করাই সর্বোচ্চ প্রাধান্য পায় এখানে। যে সব রুটি প্রস্তুতকারক নতুন করে ফ্রান্সের ঐতিহ্য তুলে ধরছেন, ৪১ বছর বয়সী মাক্সিম বুসি তাঁদের মধ্যেও শুদ্ধবাদী হিসেবে পরিচিত। এমনকি তার কাজের সরঞ্জামগুলোও হাতে তৈরি। মাক্সিম বলেন, ‘কিছুকাল আগে আমি ময়দা মাখার এই সরঞ্জাম তৈরি করেছি। সঠিক উচ্চতার তাগিদে গামলাটি এক ম্যাসাজ টেবিলের ওপর বসিয়েছি।’
বেকিং-এর ক্ষেত্রে ফরাসিদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। সবচেয়ে পরিচিত পদ মাখনের ক্রোয়াসঁ, চকলেট-ভরা পাউরুটি এবং অবশ্যই বাগেট। বুসি অবশ্য সে সব রুটি তৈরি করেন না। তার মতে, সেগুলির বেকিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল। তার ওপর সুস্বাদু হলেও সেগুলির মধ্যে রাসায়নিক অ্যাডিটিভ রয়েছে।
বুসির দাবি, তার ওভেন থেকে শুধু খাঁটি রুটি বের হয়। খাঁটি ‘সাওয়ার ডো’ পাউরুটি আজকাল ফ্রান্সে বিরল হয়ে গেছে। বুসির মতে, এই রুটির স্বাদ অসাধারণ। তাছাড়া অ্যালার্জির আশঙ্কাও থাকে না। তিনি অবশ্য আরও এক ধাপ এগোতে চান। তার মতো বেকার আবার প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেতে চান। যাদের সঙ্গে কাজ করেন, তাদের সঙ্গেও নিবিড় সম্পর্ক চান তিনি। মাক্সিম বলেন, ‘প্রায়ই বিভিন্ন মিস্ত্রি বা কারিগরদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক থাকে না। আমি কিন্তু সেই ব্যক্তিকে চিনি, যিনি ময়দা পেষেন। যে চাষি গমের চাষ করেন, তাকেও চিনি। এমন নিবিড় মানবিক বন্ধন আবার জাগিয়ে তোলা জরুরি। আমরা আবার জীবনের মৌলিক নির্যাসে ফিরে যেতে চাই, যা আমাদের শক্তি দেয়।’
প্যারিস শহরে মাক্সিম বুসির মতো বেকারির এখনো নতুনত্ব রয়েছে। তবে রাজধানীর বাইরে এমন পাউরুটি প্রস্তুতকারক আছেন, যারা আরও মৌলিক, প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে নিজেদের কাজ করেন। যেমন বঁজাম্যাঁ পেলেতিয়ে রুটির জন্য নিজেই গম চাষ করেন। পরিমাণের তুলনায় উচ্চ মান তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বঁজাম্যাঁ বলেন, ‘আমি এমন গম চাষ করি, যেগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আর কিনতে পাওয়া যায় না। আমি আজকের প্রচলিত আধুনিক ময়দার থেকে ভিন্ন ধরনের ময়দা চাই।’
নিজের খামারে তিনি শুধু চাষি নন, সেই গমও নিজেই পেষেন এবং ময়দা দিয়ে পাউরুটি প্রস্তুত করেন। ফ্রান্সের প্রায় ৩৫ হাজার বেকারদের মধ্যে তথাকথিত ‘অরিজিনাল বেকার’ এখনো এক ছোট ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠী। কিন্তু তাঁদের প্রাচীন কৌশল আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বঁজাম্যাঁ পেলেতিয়ে বলেন, ‘এখানে একটি পর্যায়েই ময়দা পেষা হয়। ইন্ডাস্ট্রিয়াল মিলে গম প্রায় ১২-১৩ বার সিলিন্ডারের মধ্যে পেষা হয়। এই কল অনেক সহজ এবং একেবারে প্রাচীন পদ্ধতিতে কাজ করে।’
মৌলিক ও জীবনমুখী দর্শন পিজেন্ট বেকারদের মূলমন্ত্র। সে কারণে বুসি দিনে মাত্র চার ঘণ্টার জন্য নিজের দোকান খোলেন। পাড়ার ক্রেতাদের মনে কৌতূহল জন্মাচ্ছে। তাদের কাছে এমন ধ্যানধারণা বেশ ইন্টারেস্টিং।
অরিজিনাল বেকার হিসেবে বুসি হয়তো ধনী হতে পারবেন না। তবে নিজের পেশা ও জীবন সম্পর্কে তিনি নাকি খুবই সন্তুষ্ট।

ইউরোপের অনেক দেশের পাউরুটির সুনাম রয়েছে। ফ্রান্সে হাতে গোনা কিছু ‘অরিজিনাল বেকার’ ঐতিহ্যবাহী কৌশল ও যতটা সম্ভব মৌলিক ধ্যানধারণা আঁকড়ে ধরে গ্রাম্য পাউরুটি প্রস্তুত করছেন। প্যারিসের মাঝে ক্ষুদ্র বেকারির দোকানে প্রায় কোনো যন্ত্রই নেই। দাদা-নানার যুগের মতো সব কাজ হাতে করে করাই সর্বোচ্চ প্রাধান্য পায় এখানে। যে সব রুটি প্রস্তুতকারক নতুন করে ফ্রান্সের ঐতিহ্য তুলে ধরছেন, ৪১ বছর বয়সী মাক্সিম বুসি তাঁদের মধ্যেও শুদ্ধবাদী হিসেবে পরিচিত। এমনকি তার কাজের সরঞ্জামগুলোও হাতে তৈরি। মাক্সিম বলেন, ‘কিছুকাল আগে আমি ময়দা মাখার এই সরঞ্জাম তৈরি করেছি। সঠিক উচ্চতার তাগিদে গামলাটি এক ম্যাসাজ টেবিলের ওপর বসিয়েছি।’
বেকিং-এর ক্ষেত্রে ফরাসিদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। সবচেয়ে পরিচিত পদ মাখনের ক্রোয়াসঁ, চকলেট-ভরা পাউরুটি এবং অবশ্যই বাগেট। বুসি অবশ্য সে সব রুটি তৈরি করেন না। তার মতে, সেগুলির বেকিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল। তার ওপর সুস্বাদু হলেও সেগুলির মধ্যে রাসায়নিক অ্যাডিটিভ রয়েছে।
বুসির দাবি, তার ওভেন থেকে শুধু খাঁটি রুটি বের হয়। খাঁটি ‘সাওয়ার ডো’ পাউরুটি আজকাল ফ্রান্সে বিরল হয়ে গেছে। বুসির মতে, এই রুটির স্বাদ অসাধারণ। তাছাড়া অ্যালার্জির আশঙ্কাও থাকে না। তিনি অবশ্য আরও এক ধাপ এগোতে চান। তার মতো বেকার আবার প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেতে চান। যাদের সঙ্গে কাজ করেন, তাদের সঙ্গেও নিবিড় সম্পর্ক চান তিনি। মাক্সিম বলেন, ‘প্রায়ই বিভিন্ন মিস্ত্রি বা কারিগরদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক থাকে না। আমি কিন্তু সেই ব্যক্তিকে চিনি, যিনি ময়দা পেষেন। যে চাষি গমের চাষ করেন, তাকেও চিনি। এমন নিবিড় মানবিক বন্ধন আবার জাগিয়ে তোলা জরুরি। আমরা আবার জীবনের মৌলিক নির্যাসে ফিরে যেতে চাই, যা আমাদের শক্তি দেয়।’
প্যারিস শহরে মাক্সিম বুসির মতো বেকারির এখনো নতুনত্ব রয়েছে। তবে রাজধানীর বাইরে এমন পাউরুটি প্রস্তুতকারক আছেন, যারা আরও মৌলিক, প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে নিজেদের কাজ করেন। যেমন বঁজাম্যাঁ পেলেতিয়ে রুটির জন্য নিজেই গম চাষ করেন। পরিমাণের তুলনায় উচ্চ মান তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বঁজাম্যাঁ বলেন, ‘আমি এমন গম চাষ করি, যেগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আর কিনতে পাওয়া যায় না। আমি আজকের প্রচলিত আধুনিক ময়দার থেকে ভিন্ন ধরনের ময়দা চাই।’
নিজের খামারে তিনি শুধু চাষি নন, সেই গমও নিজেই পেষেন এবং ময়দা দিয়ে পাউরুটি প্রস্তুত করেন। ফ্রান্সের প্রায় ৩৫ হাজার বেকারদের মধ্যে তথাকথিত ‘অরিজিনাল বেকার’ এখনো এক ছোট ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠী। কিন্তু তাঁদের প্রাচীন কৌশল আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বঁজাম্যাঁ পেলেতিয়ে বলেন, ‘এখানে একটি পর্যায়েই ময়দা পেষা হয়। ইন্ডাস্ট্রিয়াল মিলে গম প্রায় ১২-১৩ বার সিলিন্ডারের মধ্যে পেষা হয়। এই কল অনেক সহজ এবং একেবারে প্রাচীন পদ্ধতিতে কাজ করে।’
মৌলিক ও জীবনমুখী দর্শন পিজেন্ট বেকারদের মূলমন্ত্র। সে কারণে বুসি দিনে মাত্র চার ঘণ্টার জন্য নিজের দোকান খোলেন। পাড়ার ক্রেতাদের মনে কৌতূহল জন্মাচ্ছে। তাদের কাছে এমন ধ্যানধারণা বেশ ইন্টারেস্টিং।
অরিজিনাল বেকার হিসেবে বুসি হয়তো ধনী হতে পারবেন না। তবে নিজের পেশা ও জীবন সম্পর্কে তিনি নাকি খুবই সন্তুষ্ট।

ভ্রমণ জগতে কত রকমের যে গন্তব্য বা ডেস্টিনেশনের তালিকা হয় বছর ভর, তার হিসাব রাখা সত্যি অসম্ভব। পৃথিবীর সেরা ১০ গন্তব্য কিংবা পৃথিবীর সেরা নিরাপদ শহর বা দেশ অথবা পৃথিবীর সেরা পরিচ্ছন্ন দেশ ইত্যাদির তালিকা হালনাগাদ হতে থাকে বছরভর। বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং পত্রপত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিন এসব তালিকা করে থাকে...
৯ ঘণ্টা আগে
বারো মাসই উত্তরবঙ্গের যেকোনো জেলা ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে আলাদা অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়। যাঁরা শীত উপভোগ করতে চান, তাঁরা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারেন। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় পুরো রংপুর বিভাগ অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে।...
১১ ঘণ্টা আগে
পাখিদের কলরবে মুখরিত চারপাশ। মূল সড়ক থেকেই দেখা যাচ্ছিল পাখিদের। আমরা গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম পাখিদের কর্ম তৎপরতা। বেশ ভালোই লাগছিল। পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করে ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু মনমতো ছবি তোলা হলো না। ড্রাইভার বললেন, আরেকটু সামনে গেলে হয়তো আরও পাখির দেখা পাওয়া যাবে...
১৩ ঘণ্টা আগে
পৃথিবী এখন আর দুই বছর আগের মতো নেই। বিভিন্ন দেশে নানা মেরুকরণ চলছে। সেই সঙ্গে একদিকে চলছে অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক উত্তেজনা; অন্যদিকে বিভিন্ন দেশে চলছে ভ্রমণ থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর বিপুল আয়োজন। সে জন্য নতুন করে ভিসা শিথিলসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালু করেছে তারা। ফলে নতুন বছরে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক...
১৫ ঘণ্টা আগে